channel 24

সর্বশেষ

  • কুষ্টিয়ায় ট্যাংকের বিষক্রিয়ায় ২ শ্রমিকের মৃত্যু

  • ফেনীতে মাদ্রাসাছাত্রীকে জবাই: চাচাতো ভাই আটক

  • সার্কভুক্ত দেশগুলোতে ব্যাপকহারে বাড়ছে আক্রান্ত ও প্রাণহানি

  • দেশে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির পেছনে দক্ষিণ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট

  • সাকিব-মোস্তাফিজকে ছাড়াই শুরু টাইগারদের অনুশীলন

  • রাজধানী ছাড়ছে মানুষ, দুই ঘাটে উপচেপড়া ভিড়

  • ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে নষ্ট ১৫০ কোটি চিংড়ি পোনা

  • জুমাতুল বিদায় মসজিদে মুসল্লিদের ঢল

  • খুলে দেয়া হলো হলিডে মার্কেট

  • প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরে উঠতে পারছেন না হতদরিদ্ররা

  • বিধিনিষেধের মধ্যেই রাজধানী ছাড়ছে মানুষ

  • করোনায় ভালো নেই মা হাজেরা ও তার পথশিশুরা

  • ধুঁকছে মানিকগঞ্জের হাসপাতালগুলো, বাড়ছে দুর্ভোগ

  • চারদিন পরে নিভল সুন্দরবনের আগুন

  • বাংলাদেশের দেয়া চিকিৎসা সামগ্রী উপহার গেল ভারতে

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে নাস্তানাবুদ গোটা ভারত

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে নাস্তানাবুদ গোটা ভারত

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে নাস্তানাবুদ গোটা ভারত। টানা দুদিন ধরে মৃত্যু হচ্ছে দেড় হাজারের বেশি মানুষের। দিল্লিতে হাসপাতালে এক শয্যায় দুই রোগী রাখতে বাধ্য হচ্ছেন কর্তৃপক্ষ। লাশ রাখার জায়গা নেই মর্গে।

টানা ৫ দিন ধরে ২ লাখের বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হচ্ছে ভারতে। যার শেষ দিনে আক্রান্ত পৌনে তিন লাখ। মহারাষ্ট্র, নয়াদিল্লি ও কর্ণাটকের পরিস্থিতি ক্রমেই নাজুক হচ্ছে। বেঙ্গালুরুতে একদিনে সর্বোচ্চ সংক্রমণের রেকর্ড। দিল্লি, কর্নাটকেও একই চিত্র।

হাসপাতাল, নার্সিংহোমে শয্যা খালি নেই। এক বেডে দুজন রোগীকে রাখতে বাধ্য হচ্ছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালের মর্গে ঠাঁই নেই। তাই ভারতের নয়াদিল্লিতে করোনায় মৃতদের রাখা হয়েছে মর্গের বাইরে।

একজন বলছেন 'কী দরকার ছিলো এই কুম্ভ মেলার? এখনও মেট্রোপলিটন এলাকায় জনসমাগম চলছে। পরিস্থিতি নিয়ে খুবই ভয়ে আছি।'

আরেকজনের আভিযোগ, 'নমুনা দেয়ার ৩ দিন হয়ে গেলেও এখনও রিপোর্ট পাচ্ছি না। ডাক্তারও কিছু বলতে পারছেন না। অসুস্থ হলে কোথায় যাবো?'

৩ দিনে ৪ প্রার্থী ও বিধায়কের মৃত্যু হয়েছে বিধানসভা নির্বাচন চলা পশ্চিমবঙ্গে। উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বারে কুম্ভমেলা বন্ধ না করা নিয়েও চলছে সমালোচনা।

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাত ৯টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করা হয়েছে বিহার, রাজস্থান, তামিলনাড়ু ও মনিপুরে। মহারাষ্ট্রে ১৫ দিনের এবং নয়াদিল্লিতে ৬ দিনের লকডাউন দেয়া হয়েছে।

অরবিন্দ কেজরিওয়াল, নয়াদিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেন, নতুন রোগী রাখার জায়গা নেই হাসপাতালে। অনেকেই করিডোরে চিকিৎসা নিচ্ছেন, মানুষ রাস্তায় মারা যাচ্ছে। লকডাউন ছাড়া আর কোন উপায় নেই।

ভারতীয় গণমাধ্যম বলছে, দেশটিতে ১০ কোটির বেশি ডোজ টিকার সংকট রয়েছে। তবে, সিরাম ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, জুনের আগে টিকা সরবরাহ স্বাভাবিক হবে না। এ অবস্থায় স্পুটনিক-ভি টিকা উৎপাদনে, রাশিয়ার সথে চুক্তি করেছে, ভারতের ৫টি ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি। এছাড়া, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান ও ইউরোপে জরুরি ভিত্তিতে অনুমোদন পাওয়া টিকা, ব্যবহারের অনুমতি দেবে ভারত।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আন্তর্জাতিক খবর