channel 24

সর্বশেষ

  • জাতিসংঘের মিশনে যাচ্ছেন বাংলাদেশি ৪ নারী বিচারক

  • ৭ মার্চের ভাষণ বাঙালীর মুক্তির সনদ: এ কে আজাদ

  • শেখ জামালের জয়ে শেষ হলো বিপিএলের প্রথম পর্ব

  • শঙ্কায় জুনের এশিয়া কাপ, ঘরোয়া ক্রিকেট করবে বিসিবি

  • কলকাতায় বিজেপির বিশাল শোডাউন; মমতাকে ব্যঙ্গ মোদির

  • নোয়াখালীতে সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ১

  • ৭ মার্চের ভাষণ স্বাধীনতার ঘোষণা নয়: বিএনপি

  • ৭ মাস পর গণভবনের বাইরে প্রধানমন্ত্রী

  • কুষ্টিয়ায় এনআইডি জালিয়াতি: ৫ জনের বিরুদ্ধে ইসির মামলা

  • বান্দরবান সরকারি মহিলা কলেজে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল উদ্বোধন

  • চট্টগ্রামে নানা আয়োজনে পালিত হল ৭ মার্চ

  • ৭ মার্চের ভাষণই স্বাধীনতার ঘোষণা: প্রধানমন্ত্রী

  • চট্টগ্রামের নগর পরিকল্পনাবিদ ইঞ্জিনিয়ার আলী আশরাফের মৃত্যু

  • রোজা রেখেও নেয়া যাবে করোনার টিকা

  • পল্লী বিদ্যুৎ বোর্ড ও সমিতিতে ট্রেড ইউনিয়ন নয়: হাইকোর্ট

চার বছরই সমালোচনার শীর্ষে ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

চার বছরই সমালোচনার শীর্ষে ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

চার বছরে নানা কারণে সমালোচনার শীর্ষে ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজ প্রশাসন থেকে শুরু করে গণমাধ্যম সব পেশাজীবীরই চক্ষুশূল হয়ে ওঠেন তিনি। ক্যাপিটল হিলের তাণ্ডবের পর বলা হচ্ছে, মার্কিন রাজনীতির ইতিহাসে সবচেয়ে নিন্দিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে বিদায় নিচ্ছেন তিনি।

'মেক আমেরিকা গ্রেট এগেন' নীতিতেই ২০১৬ তে মার্কিন প্রেসিডেন্টের হট সিটে বসেন ট্রাম্প। তবে পরিসংখ্যান বলছে, দেড়শো বছরের মার্কিন ইতিহাসে এত অগোছালো যুক্তরাষ্ট্র রেখে বিদায় নেননি কোনো প্রেসিডেন্ট।

ক্ষমতাকালে ট্রাম্পের মতিগতি বুঝতে বেগ পেতে হয়েছে বিশ্ব নেতাদেরও। গণমাধ্যমে দেয়া বক্তব্যে হাসির পাত্র হয়েছেন বারবার। যুদ্ধ না করেও মানুষকে দিয়েছেন যুদ্ধভীতি। সন্ত্রাসবাদ আর বর্ণবাদ ছড়িয়ে দিতে ট্রাম্পের আগ্রহ নিয়ে কটাক্ষ করে এসেছেন বিশ্লেষকরা।

ব্রুকিংস সিনিয়র সহকর্মী জন হুডাক, 'অন্ধকার এক পরিস্থিতি মধ্যে আমাদের রেখে যাচ্ছেন ট্রাম্প। মার্কিনিদের উন্নয়ন নয়, অস্ত্র ব্যবসার প্রসার ঘটাতেই মনোযোগী ছিলেন তিনি। যা আজ গোটা বিশ্বকে ঝুঁকিতে ফেলেছে।'

করোনায় যখন বিশ্বজুড়ে ভয়, তখনও উদাসীন ছিলেন এ মার্কিন প্রেসিডেন্ট। কখনো একে চীনা ফ্লু কখনো বা বিরোধীদের ভাওতাবাজি বলে উড়িয়ে দিয়ে হয়েছেন সমালোচনার শিকার।

প্রতিপক্ষকে আঘাত কিংবা রাজনৈতিক প্রচারণা, সব জায়গায় তার হাতিয়ার ছিলো টুইটার। তবে এর শেষটাও সুখকর ছিলো না। সহিংসতা উস্কে দেয়ায় স্থায়ীভাবে হারান টুইটার অ্যাকাউন্ট।

নির্বাচনে হারার আভাসেই যখন প্রতিপক্ষকে অভিনন্দন জানান অনেক বিশ্ব নেতা, ট্রাম্প সেখানে ছিলেন ভ্ন্নি। হেরেও প্রতিনিয়ত করেছেন ভোট চুরির অভিযোগ। শেষ বেলায় তার উস্কানিতেই ঘটে ক্যাপিটল হিলে হামলার মত লজ্জার ঘটনা।

জন হুডাক বলেন, 'ট্রাম্পকে মূল্যায়ন করতে শেষ দুই সপ্তাহই যথেষ্ট। এসময় কঠোরভাবে গণতন্ত্রের অবমাননা করেছেন তিনি। জনগণের ভালোমন্দ নিয়ে তিনি কখনই ভাবেননি।'

শেষ বেলাতেও তৈরি করেছেন লজ্জার ইতিহাস। প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে দুইবার হয়েছেন অভিশংসিত। এমনকি নতুন প্রেসিডেন্টকে স্বাগত না জানিয়ে ক্ষমতা হস্তান্তরের একদিন আগে ছাড়ছেন হোয়াইট হাউস।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আন্তর্জাতিক খবর