channel 24

সর্বশেষ

  • অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে পরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

  • দায়িত্ব গ্রহন করলেন চসিকের নতুন প্রশাসক খোরশেদ আলম

  • নিহত মেজর (অব.) সিনহার সহযোগী শিপ্রা ও সিফাতের মুক্তি দাবিতে মানববন্ধন

  • ১৩ দিনের রিমান্ডে মালয়শিয়ায় গ্রেপ্তার রায়হান

  • করোনায় দেশে আরও ৩৯ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২৯৭৭

  • মেজর (অব.) সিনহা হত্যা মামলায় ওসি প্রদীপ গ্রেপ্তার

  • সিনহা রাশেদ নিহতের ঘটনায় আদালতে করা মামলা টেকনাফ থানায় গ্রহণ

  • বন্যায় কুড়িগ্রামের বিভিন্ন স্থানে পানিতে ডুবে অন্তত ২১ জনের মৃত্যু

  • সাতক্ষীরায় পাঁচ মাস ধরে কষ্টে দিন কাটছে পাঁচশো ভারতীয় নাগরিকের

  • সিলেটে ১৬ ঘণ্টা ধরে বোমাসদৃশ বস্তু ঘিরে রেখেছে পুলিশ

  • নেত্রকোণায় নৌকাডুবি: আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার, মোট নিহত ১৮

  • করোনাকালে লোকসানে রাজবাড়ীর পান চাষিরা

  • নবাবগঞ্জে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়তে ১৭ শ' কোটি টাকার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে

  • সাবেক কমিশনের দুর্বলতায় বেশি দামে পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত হয়েছে অনেক কোম্পানি

  • এবার নূন্যতম দরের চেয়েও কমে বিক্রি হয়েছে চামড়া

উইঘুর মুসলিম নারীদের জোরপূর্বক গর্ভপাত করছে চীন

উইঘুর মুসলিম নারীদের জোরপূর্বক গর্ভপাত করছে চীন

জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের নামে চীনের উইঘুর সম্প্রদায়কে জোরপূর্বক জন্ম নিয়ন্ত্রণে বাধ্য করছে চীন সরকার। শিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুর মুসলিম নারীদের জোরপূর্বক গর্ভপাত করানো হয়। বার্তা সংস্থা এপির অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এসব তথ্য। বেশি সন্তান থাকায় আটকও করা হচ্ছে। সরকারি তথ্য, রাষ্ট্রীয় নথি বিশ্লেষণ আর বন্দী শিবির থেকে ছাড়া পাওয়া প্রায় অর্ধশতাধিক উইঘুরের স্বাক্ষাতকারের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করে এপি। যদিও এসব অভিযোগকে মিথ্যা বলছে চীন সরকার।

উইঘুর জাতির ইতিহাস প্রায় চার হাজার বছর আগের। এরা মূলত তুর্কি বংশোভূত। সাংস্কৃতিক দিক থেকে তুর্কি ও আরবি প্রভাবিত। চীনের শিনজিয়াংয়ে প্রায় দেড় কোটির মতো উইঘুরের বসবাস।

চীনে দীর্ঘদিন ধরে নানা নিপীড়িনের শিকার তারা। জাতিসংঘের হিসেবে, সংশোধনের নামে, ১০ লাখের মতো উইঘুর মুসলিমকে বন্দী শিবিরে আটকে রেখেছে চীন। তবে, এবার সি চিনপিং সরকারের বিরুদ্ধে এই জনগোষ্ঠিকে কৌশলগতভাবে নির্মূলের অভিযোগ উঠেছে। বার্তা সংস্থা এপির অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বলছে, উইঘুর মুসলিম নারীদের জোর করে জন্মরোধক ওষুধ সেবন, গর্ভপাত ও বন্ধ্যাকরণ কার্যক্রম চালাচ্ছে দেশটির সরকার।

গুলনার অমিরজাখ বলেন, 'তারা হুটহাট বাড়িঘরে তল্লাশী চালাতে আসে। আমার তিন সন্তান থাকায় প্রায় তিন হাজার ডলার জরিমানা দিতে বলে। টাকা না থাকায় আমার স্বামীকে বন্দীশালায় নিয়ে যায়। আমাকেও আটকের হুমকী দেয়।'

উইঘুর মুসলিমদের অভিযোগ, প্রশাসনের ভয়ে তারা এতোটাই ততস্থ হয়ে থাকেন যে, সন্তান নিতেই ভয় পান অনেকে। গেল বছর সারা দেশে জন্মহার চার দশমিক দুই শতাংশ কমলেও; শিনজিয়াং প্রদেশেই কমেছে, ২৪ শতাংশ। আর উইঘুর অধ্যুষিত হোতান আর কাশগার প্রদেশে ৩ বছরে কমেছে, ৬০ শতাংশ।

জুমরেত দাউত বলেন, 'বেশি সন্তান থাকায় আমাকে বন্দীশালায় নিয়ে যাওয়া হয়। জোর করে আমার স্টেরিলাইজেশন অপারেশন করা হয়। যেন চাইলেও সন্তানের মা হতে না পারি। তারা আমাদের শেষ করে দিতে চায়। জানে মেরে ফেলতে পারছে না তাই কৌশলে, ধাপে ধাপে নিঃশ্বেষ করে দিচ্ছে।'

বিশ্লেষকরা বলছেন, কঠিন পরিকল্পনা আর কৌশল খাটিয়ে উইঘুর মুসলীমদের নিয়ন্ত্রন করছে চিনপিং সরকার। একে ডেমোগ্রাফিক জেনোসাইডও বলছেন অনেকে।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক আদ্রিয়ান জেন বলেন, 'খুব কৌশল খাটিয়ে উইঘুর মুসলীমদের দমন করা হচ্ছে। জন্মহার কম থাকলে তাদের নিয়ন্ত্রনে রাখা সহজ হবে, সেইসাথে বহির্বিশ্বের চোখও ফাকি দেয়া যাবে তাই এই পথে হাঁটছে চীন সরকার। জাতিসংঘের কনভেনশন অনুযায়ী এটি পরিস্কারভাবে গণহত্যার সামিল।'

জনসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ২০১৪ সালে এক সন্তান নীতি চালু করে চীন সরকার। তবে বয়স্কদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরে শিথীল করা হয় এ নীতি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আন্তর্জাতিক খবর