channel 24

সর্বশেষ

  • জাতিসংঘের পাবলিক সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড পেলো ভূমি মন্ত্রণালয়

  • পুলিশ-চিকিৎসকসহ দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল

  • করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা যাবে ১ মিনিটেই!

  • করোনা থেকে বাঁচতে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম: প্রধানমন্ত্রী

  • সড়কে যানবাহনের চাপ বাড়লেও রেল ও নৌপথে যাত্রী কম

  • বরিশালে ইমামকে জুতার মালা পরিয়ে নির্যাতনের ঘটনায় মামলা

  • করোনায় অনিশ্চিত এ বছরের হজযাত্রা

  • করোনায় মারা গেছেন রানা প্লাজার মালিক আব্দুল খালেক

  • যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ হত্যা: ৪ পুলিশের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ গঠন

  • অর্থ সহায়তায় ও চাল বিক্রিতে অনিয়ম: এ পর্যন্ত ৮৭ ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্য বরখাস্ত

  • করোনায় প্রাণ গেল আরও এক পুলিশ সদস্যের

  • এএসপির বিরুদ্ধে নির্যাতন আর যৌতুকের অভিযোগ স্ত্রীর

  • পায়ের পেশির ইনজুরিতে লিওনেল মেসি

  • আম্পানে পটুয়াখালীতে ক্ষতিগ্রস্থ ৬ হাজার মাছের ঘের

  • সব বাধা পেরিয়ে চিকিৎসক হতে চায় হতদরিদ্র পরিবারের ছেলে মাসুদ

বিসিজি টিকা দেয়া দেশে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যু হার কম

বিসিজি টিকা দেয়া দেশে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যু হার কম

করোনা ভাইরাসের প্রকোপ বাড়ার সাথে সাথে এর প্রতিষেধকের খোঁজে বিভিন্ন রকম গবেষণা চলছে পৃথিবীজুড়ে। কখনো ভ্যাকসিন আবার কখনোবা বিভিন্ন ওষুধ ব্যবহার করে করোনা মোকাবিলার পথ খুঁজছে বিশ্ব। তবে সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় এমন এক তথ্য উঠে এসেছে যা সত্য হলে দেখা যাবে করোনাকে পরাজিত করার অস্ত্র এরই মধ্যে আছে মানবজাতির হাতে। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে বিশ্বব্যাপী বহুল ব্যবহৃত যক্ষার টিকাই নাকি মানুষকে করোনা মুক্ত রাখতে পারে।

ব্যাসিলাস কালম্যাট গ্যারেন বা বিসিজি জন্মের পর শিশুদের দেয়া হয় এই টিকা। যক্ষা প্রতিরোধে যা ব্যবহার করা হয় বিশ্বের অনেক দেশে। এর ফলে বাড়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।

তবে যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, ফ্রান্সের মতো অনেক উন্নত দেশে যক্ষার ঝুঁকি কম থাকায়, এই টিকা শিশুদের দেয়া হয় না।

সম্প্রতি এক গবেষণা বলছে, যেসব দেশে বিসিজি টিকা দেয়া হয়েছে, সেসব দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত এবং মৃত্যুহার কম।

করোনা ভাইরাসে ইতালিতে মৃত্যু হার অনেক। এই দেশে কখনও বিসিজি টিকা দেয়া হয়নি। অন্যদিকে জাপানে বিসিজি টিকা দেয়া হয় ১৯৪৭ সাল থেকে। যেখানে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যু হার কম।

ইরানে বিসিজি টিকা দেয়া শুরু হয়, ১৯৮৪ সাল থেকে। তবুও এই দেশে মৃত্যু হার বেশি। গবেষণা বলছে, ইরানে যাদের বয়স ত্রিশ বছরের বেশি, তারাই করোনা ভাইরাস সংক্রমণ এবং মৃত্যু ঝুঁকিতে আছেন।

চীনে ১৯৫০ সাল থেকে এই টিকা দেয়া শুরু হয়। তবে কেন সেখানে এত মানুষ মারা গেছেন? গবেষণা বলছে, ১৯৬৬ থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত দেশটিতে কালচারাল রেভুলেশনের সময় বিসিজি টিকা কর্মসূচি দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে এটি চীনের উপর প্রভাব ফেলেছে।

তবে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বিসিজি টিকা কত দ্রুত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে, তা জানতে আরও গবেষণা দরকার।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

স্বাস্থ্য খবর