channel 24

সর্বশেষ

  • সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম করোনায় আক্রান্ত

  • প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত সুদ ছাড়ের প্রণোদনা পাবে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো

  • করোনাকালে ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে গ্রাহকদের ক্ষোভ

  • লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশিকে হত্যা: বাচ্চু মিলিটারি ৫ দিনের রিমান্ডে

  • পঞ্চগড়ে বজ্রপাতে বাবা ছেলেসহ ৩ জনের মৃত্যু

  • বাস-লঞ্চে উধাও স্বাস্থ্যবিধি

  • স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করায় এমভি প্রিন্স লঞ্চ জব্দ

  • লকডাউন শেষে মুক্ত হলো আকাশপথ, চলছে উড়োজাহাজ

  • লিবিয়ায় নিহতদের স্বজনরা মুক্তিপণের টাকা হাজী কামালকে দিয়েছিলেন

  • হিলি রেলপথ দিয়ে ভারত থেকে দ্বিতীয় দফায় পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে

  • না ফেরার দেশে চলে গেলেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব আশরাফুল আলমের বাবা

  • লেনদেন বাড়লেও দুই স্টক এক্সচেঞ্জে বড় দরপতন

  • ২৬ বাংলাদেশি হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে কঠোর নিন্দা জানিয়েছে লিবিয়ার সরকার

  • 'আমেরিকায় বর্ণবৈষম্য করোনা ভাইরাসের চাইতেও ভয়ংকর'

  • তামিম ইকবাল ডব্লিউএফপি'র জাতীয় গুডউইল অ্যামবাসাডর হিসেবে নিযুক্ত

লকডাউন নেই সুইডেনে

লকডাউন নেই সুইডেনে

লকডাউন- শব্দটির সাথে যারা পরিচিত ছিলেন না- তারাও এখন এর মানে জানেন। জীবনযাপনেও তা বুঝতে পারছেন হাঁড়ে হাঁড়ে। কিন্তু সুইডেনের মানুষ তা জানেনা। কেননা করোনা মোকাবিলায় সুইডেনের সরকার জনগণের ওপর আস্থা রেখেছে। কোন সুইডিশ নাগরিক করোনার লক্ষণ বুঝলে নির্দেশ আছে ঘরে থাকার। সরকার চায় বয়স্করাও যেন সতর্ক থাকেন। এছাড়া বাকি সব স্বাভাবিকভাবেই চলছে সুইডেনে।

সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমের রাস্তাগুলো এখন নীরব কিন্তু জনশূন্য নয়। কফিশপ, বারে আড্ডা, রাস্তায় ফুল বিক্রি সবই চলছে। লম্বা স্ক্যান্ডেনেভিয়ান শীতের পর চাঞ্চল্য ফিরে পেয়ে করোনার মত বৈশ্বিক মহামারী সুইডিশদের ঘরে রাখতে পারছে না। অবশ্য দেশটির সরকারও চায় না লকডাউনে সব বন্ধ হয়ে যাক।

১ কোটি মানুষের দেশ সুইডেনের সরকার করোনায় যে পদক্সেপটি নিয়েছে সেটি হলো- যদি সম্ভব হয় সত্তরোর্ধ্বদের নিজেকে আলাদা করে ফেলতে হবে। আর যদি কোন নাগরিক করোনার লক্ষণ বোঝেন তিনি যেন ঘরে থাকেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বন্ধ কিন্তু প্রাইমারি ও কিন্ডারগার্টেন স্কুল খোলা রাখা হয়েছে।

সুইডেন সরকার আসলে নাগরিকদের ওপর আস্থা রাখতে চায়, নাগরিকরাও সরকারের ওপর।

নাগরিকরা বলছেন, আমার মতে সুইডেন সনহকট খুব ভালভাবে মোকাবেলা করেছেন। আমার মনে হয় না আমি সারাদিন ঘরের ভিতর থাকতে পারতাম। তাই বাইরে বের হবার সুযোগ থাকায় আমি খুবই খুশি। আমি করোনা সংকটের বিষয়টা নিয়ে খুবই চিন্তিত। কেননা স্পষ্ট দেখতেপাচ্ছি এটা অর্থনৈতিক ধশ নামাবে। কিংবা অর্থনৈতিক সংকটের জন্য যে ধাক্কা দরকার ছিল, এটা সেটাই।

সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী স্টেফান লোভেইন বলেন, বয়স্ক এবং ঝুঁকিতে থাকা অন্যান্যদের রক্ষার জন্য আমাদের প্রত্যেকেরই দায়িত্ব রয়েছে। ধনী, গরিব, বৃদ্ধ,যুবন কাররই করোনা লক্ষণ নিয়ে কাজ যাওয়া উচিত হবে না। প্রত্যেককেই তাঁর সর্বোচ্চটুকু দিতে হবে।

দেশটিতে করোনা পজিটিব রোগী ৪ হাজার ছুঁই ছুঁই। প্রাণও গেছে শতাধিক। কিন্তু এরপরও লকডাউনের কারণে নাগরিকদের যে স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি তৈরি হবে সেটা নিয়েই বরং বেশি চিন্তিত সুইডিশ সরকার।

সুইডেনের জনস্বাস্থ্য সংস্থার রোগতত্ত্ববিদ অ্যান্ডার্স টেগনেল বলেন, আমাদের স্কুলগুলো ৪/৫ মাস বন্ধ রাখা সম্ভব না। জনস্বাস্থ্য ছাড়াও আরো অনেক কিছুতে এর তীব্র প্রভাব পরবে। সীমান্ত বন্ধের মত সিদ্ধান্ত আপনি বেশি দিনের জন্য নিতে পারবেন না।

অবশ্য সরকারের এমন ঢিলেঢালা পদক্ষেপের কারণে সমালোচনার মুখেও পড়তে হচ্ছে। কিন্তু পরিস্থিতি খুব বেশি অবনতি না হলে এমনই থাকবে সুইডেনের করোনা মোকাবিলার প্রক্রিয়া।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আন্তর্জাতিক খবর