channel 24

সর্বশেষ

  • ঈদের তৃতীয় দিনেও বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে ছিল লোকসমাগম

  • মুগদা হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মীদের থাকার ব্যয়ের বিষয়ে জানতে চায় দুদক

  • করোনার সমাধান সহজে নাও মিলতে পারে: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

  • কষ্টে বেঁচে আছেন বন্যাদুর্গত এলাকার মানুষ, বাড়ছে পানিবাহিত রোগ

  • সাবেক সেনা কর্মকর্তা নিহতের ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে বিএনপির বিবৃতি

  • কক্সবাজারে সাবেক সেনা কর্মকর্তা নিহত: তদন্ত কমিটি কাল থেকে কাজ শুরু করবে

  • নিদিষ্ট সময়ে কোরবানির পশুর বর্জ্য পরিষ্কারে খুশি নগরবাসী

  • দাম না পেয়ে রাস্তায় চামড়া ফেলে দিলেন ব্যবসায়ীরা

  • ঈদ যাত্রায় করোনার সংক্রমণ বাড়তে পারে; আশঙ্কা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

  • চট্টগ্রামে কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ হয়েছে তিনলাখ

  • বর্জ্য অপসারণে এবার স্বস্তি মিলেছে চট্টগ্রাম মহানগরীতে

  • মেধা আর অদম্য শক্তিতে সংসারের হাল ধরলেন বিরল রোগে আক্রান্ত ফাহিমুল

  • নতুন মৌসুমে নেইমার ও মার্তিনেজকে কিনবে না বার্সেলোনা

  • ডিএনসিসির প্রতিটি এলাকা, শতভাগ বর্জ্যমুক্ত ঘোষণা

  • করোনায় দেশে আরও ৩০ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১৩৫৬

করোনায় স্বজনহারাদের বেদনায় নীল গোট বিশ্ব

করোনায় স্বজনহারাদের বেদনায় নীল গোট বিশ্ব

করোনার ভয়াল তাণ্ডবে বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর মিছিল বাড়ছেই। যাতে অজানা থেকে যায় প্রিয়জন হারানোর করুণ গল্পগুলো। পরিস্থিতি কোথাও এতটাই পাশবিক যে, মনুষ্যত্ব সেখানে কল্পকাহিনী। তবে মানবিক কিছু উদাহরণও আশা জাগায় নতুন কিছুর।

মাত্র কয়েক মিটারের দূরত্বে দাঁড়িয়ে এক মা ও তার প্রিয় সন্তান। কিন্তু কেউ কাউকে ছুঁতে পারছেনা। গত মাসে চীনের উহানের এক হাসপাতালের এমন দৃশ্য নাড়া দেয় সারা বিশ্বকে। চীন ছেড়ে মরনব্যাধির ঘাটি ইউরোপ। দিনকে দিন বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল। আর উন্মোচিত হচ্ছে একের পর এক হৃদয়বিদারক ঘটনার।

মৃত্যপুরিতে রূপ নেয়া ইতালির লোম্বার্দিতে প্রতিদিনই এমন মর্মান্তির দৃশ্য দেখতে হচ্ছে স্থানীয় চিকিৎসকদের। মোবাইলের মাধ্যমেই কেউ শেষ বিদায় জানাচ্ছেন প্রিয়জনকে। কেউ আবার সেই আক্ষেপ নিয়ে চলে যাচ্ছেনা না ফেরার দেশে। অনেকের আবার ভিডিওর মাধ্যমেও শেষ বিদায়ের সৌভাগ্যও জুটছেনা। প্রতিদিন এমন দৃশ্য দেখে আমরা মানষিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছি।

স্পেনের ঘটনা আরও হৃদয়বিদারক। বৃদ্ধাশ্রমে পাওয়া যাচ্ছে বয়স্ক নাগরিকদের মরদেহ। এমন করুণ ঘটনার জন্য দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করার ঘোষণাও দিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্গারিতা রোবলস।

সত্যি জীবন কতই না কঠিন। একদিকে মৃত্যুর মিছিল, ঠিক তার পাশেই সুন্দর আগামীর স্বপ্ন। নিজে যখন হাসপাতালে বেচে থাকার তীব্র সংগ্রামে, সবাইকে ঘরে থাকার, নিরাপদে থাকার আহবান জানিয়েছেন ইংল্যান্ডের ডারহামের করোনা আক্রান্ত এক নারী।

শিল্পের সৌন্দর্য পিয়াসীরাই যখন ঘরে আবদ্ধ, শিল্পী উদ্যোম পাবে কিভাবে? প্রশ্নটা একেবারে অবান্তর রাশিয়ার পিয়ানো বাদকদের ক্ষেত্রে। ফাঁকা কনসার্ট হলেই থেমে যাওয়া জীবনকে গতিশীল রাখার একটুখানি চেষ্টা।

ইতালিতে করোনা দুর্যোগ ভয়াবহ। তবুও সেখানে তারুন্যের উন্মত্ততা থেমে নেই। নগরে নগরে মেয়ররা রীতিমতো হাতজোর করছেন মানুষকে ঘরে থাকতে।

অন্যায়ের বিরুদ্ধে জন্ম নিয়েছিল যে গ্রাফিতি শিল্পের, সেটি দিয়েই নিউইয়র্কের দেয়ালে দেয়ালে করোনার ভয়াল থাবা থেকে বাঁচতে জনসচেতনতার বার্তা মূর্ত করছেন এক শিল্পী। যাতে বলা হচ্ছে, একটু পরপরই হাত ধুতে, নিরাপদে থাকতে।

জর্ডানে কারফিউ, মানুষের বাইরে যাবার উপায় নেই। তাই দেশটির সরকারই সব প্রয়োজনীয় জিনিস জনগণের দোড়গোড়ায় পৌছে দিতে কাজ করছে নিরলসভাবে। খাবার, ওষুধতো আছেই, জ্বালানী তেলও মিলছে বিনামূল্যে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আন্তর্জাতিক খবর