channel 24

সর্বশেষ

  • ভারতের মাদক নিয়ন্ত্রণ ব্যুরোর হাতে অর্ধশত তারকার তালিকা

  • পাবনা-৪ উপনির্বাচনে জয় পেল আ. লীগ প্রার্থী

  • ঢাকার ক্লাবগুলোর সাথে নির্বাচনী প্রচারণায় সমন্বয় পরিষদ

  • করোনা টিকার সুষম বণ্টন করতে হবে; জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী

  • কাল শুরু ১৩ তম ফ্রেঞ্চ ওপেন

  • অলিম্পিকে ব্যয় সংকোচন নীতিতে হাঁটছে টোকিও

  • শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক দাবায় চ্যাম্পিয়ন ইন্দোনেশিয়ার সুশান্ত

  • কোয়ারেন্টিন থেকে আপাতত মুক্তি ক্রিকেটারদের

  • গণফোরাম সভাপতি ড. কামালকে ছাড়াই বিদ্রোহীদের বৈঠক

  • এমসি কলেজে ছাত্রলীগ কর্মীদের ধর্ষণ বর্বরতায় গ্রেপ্তার নেই ২৪ ঘণ্টায়ও

  • শেখ হাসিনার সরকার দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • মাদক বিষয়ক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের এডমিন দীপিকা

  • খুলনায় নলকূপ বসানোর গর্ত থেকে বের হচ্ছে গ্যাস

  • পাবনা-৪ উপনির্বাচনে চলছে ভোট গণনা

  • বাড়ছে নদ-নদীর পানি; শেষ সম্বল নিয়ে নিরাপদে ছুটছে মানুষ

করোনাভাইরাস: চীনে আটকা পড়া ১৯৮ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর দেশে ফেরার আকুতি

 করোনাভাইরাস: চীনে আটকা পড়া ১৯৮ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর দেশে ফেরার আকুতি

চীনে করোনা ভাইরাসে, আরও ৯৮ জন মারা গেছেন। এই নিয়ে মৃত্যের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে, এক হাজার ৮৬৮ জনে। আক্রান্ত ৭৮ হাজারের মধ্যে ৩ হাজার ১৯ জন স্বাস্থ্যকর্মী। তবে বয়স্করাই বেশি ঝুঁকিতে; মৃতের হার বেশি ৮০ উর্ধ্বদের। শিশু থেকে ৯ বছর পর্যন্ত মৃতের রেকর্ড নেই। এসব তথ্য উঠে এসেছে, দেশটির রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র সিসিডিসির নতুন গবেষণা প্রতিবেদনে।

উহান ইউনিয়ন হাসপাতাল থেকে সোমবার সুস্থ্ হয়ে ঘরে ফিরেছেন অন্তত ২৭৬ জন। এর মধ্যে আছেন ৯০ বছরের বৃদ্ধও। উহান ছাড়াও চীনের অনেক শহরে বাড়ছে রোগমুক্তি। পুরো চীনে সোমবার ছাড়া পান ১৭শ' ১ জন।

করোনা ভাইরাস থেকে সুস্থ হওয়া একজন বলেন 'পরিস্থিতি যখন খারাপ ছিলো, ভেবেছিলাম হয়ত মারাই যাবো। ডাক্তার আশ্বাস দিয়েছিলেন, নার্সরা হাত বাড়িয়ে দেন। এরপর দিন দিন পরিস্থিতি উন্নতি হয়।

আরেকজন বলেন, 'আমি এখন অনেকটাই ভালো বোধ করছি। বিরতিহীনভাবে আমি এখন ৫তলা পর্যন্ত উঠতে পারি।'

সোমবার মারা গেছেন উহান উচং হাসপাতালের পরিচালক লিউ ঝিমিং। উহানসহ চীনজুড়ে আক্রান্তের হার কিছুটা কমলেও, ঝুঁকির তালিকায় চিকিৎসাকর্মীরা। এ পর্যন্ত ৩ হাজার ১৯ জন স্বাস্থ্যকর্মী সংক্রমিত হয়েছেন। আক্রান্তের ৮০ শতাংশের অসুখ সামান্য। বয়স্করাই বেশি ঝুঁকিতে; মৃতের হার বেশি ৮০ বা তার চেয়ে বেশি বয়সীদের। শিশু থেকে ৯ বছর পর্যন্ত মৃতের রেকর্ড নেই। ৩৯ উর্ধ্ব বয়সীদের মৃতের হার দুই দশমিক ৩ শতাংশ।

চীনের রিপোর্ট বলছে, এখনও ঝুঁকির তালিকায় বেশিরভাগ শহর। বিশেষ করে চীনের আশপাশের দেশগুলোতেও ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব ছড়াতে পারে।

আতঙ্ক তাড়া করছে হুবেই প্রদেশে অনেকটা অবরুদ্ধ বাংলাদেশিদের। জিংমেন সিটির বাংলাদেশি শিক্ষার্থী চ্যানেল 24-কে জানান, তাদের নিরাপত্তাহীনতার কথা। তারা জানান, দেশে ফেরার আকুতি।

চীনের অধ্যায়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বিন্তি বলেন, 'মৃত্যুর হার হু হু করে বেড়ে যাচ্ছে। মানুষ বের হতে পারছে না ভয়ে। বাবা-মা তার সন্তানের কাছে যেতে পারছে না। আমরা আটকা পড়া আছি। বের হতে পারছি না। এখন আমরা দেশে ফিরত যেতে চাচ্ছি।'

আরেক চীনের অধ্যায়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী টুম্পা বলেন, 'কবে যে এই ভাইরাস আমাদের মধ্যে চলে আসবে আমরা জানি না। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশেই আমাদের হাসপাতাল। আমরা একটা ভাল জায়গা চাই। আমাদের সরকারের কাছে আকুল আবেদন, আমরা যে ১৯৮ জন শিক্ষার্থী হুবেই প্রদেশে আটকা আছি তাদের জন্য একটা ব্যবস্থা করতে।'

এদিকে জাপানে নোঙর করা প্রমোদতরী ডায়মন্ড প্রিন্সেসে আরও ৯৯ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জাহাজটির ৫৫৪ জনের শরীরে মিললো ভাইরাসটি। নিজ নিজ নাগরিকদের ফেরাতে বিমান পাঠাচ্ছে কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এবং হংকং।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আন্তর্জাতিক খবর