channel 24

সর্বশেষ

  • নারীর গৃহস্থালী কাজকে সরাসরি জাতীয় আয়ে যুক্ত করার সুযোগ এখনো নেই: অর্থমন্ত্রী

  • শুক্রবার থেকে পাওয়া যাবে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে টেস্ট টিকিট

  • ফরিদপুরে ওবায়দুর রহমানের আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া মাহফিল

  • ফের ঢাকার বাতাস বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত

  • একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে প্রস্তুত গোটা দেশ

  • বাংলা ওয়েবসাইট চালু করলো মার্কিন দূতাবাস

  • চুড়িহাট্টায় আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণসহ ৮ দফা দাবি

  • বাংলাদেশ লিগে দ্বিতীয় ম্যাচেই পয়েন্ট হারালো চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা

  • ঢাকা টেস্টে বোলিং-ফিল্ডিংয়ে সমান সফল হতে চায় বাংলাদেশ

  • জুয়া খেলা বন্ধের নির্দেশ দিয়ে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

  • নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে কাল, অস্ট্রেলিয়া-ভারত উদ্বোধনী দ্বৈরথ

  • চসিক নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট

  • দেশে দেশে ছড়াচ্ছে করোনাভাইরাস; মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২ হাজার ১১

  • শত শত কোটি টাকা দুর্নীতির পরও সরকার নির্বিকার: ফখরুল

  • মুজিববর্ষে বাংলাদেশ নামক ব্র্যান্ডকে বিশ্বের কাছে উপস্থাপন করা হবে: কাদের

আইসিজের আদেশ: মেনে নেওয়ার আহবান গাম্বিয়ার; মায়নমারের প্রত্যাখ্যান

আইসিজের আদেশ: মেনে নেওয়ার আহবান গাম্বিয়ার; মায়নমারের প্রত্যাখ্যান

রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগ অস্বীকার করে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের আদেশ প্রত্যাখ্যান করেছে মিয়ানমার। তবে এটি মেনে নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে মামলার বাদী গাম্বিয়া। দেশটির আশা, আদেশ বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। আইসিজের আদেশকে যুগান্তকারী বলছে, জাতিসংঘ এবং মানবাধিকার সংস্থা-হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ও অ্যামনেস্টি।

নেদারল্যান্ডসের হেগে, বৃহস্পতিবার রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় ৪ অন্তর্বর্তী আদেশ জারি করেন আন্তর্জাতিক বিচার আদালত। এ আদেশে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের নিপীড়নমূলক মানসিকতা অনেকটাই প্রমাণিত হয়ে গেছে।  

রায় ঘোষণার পুরোটাই সময় অনেকটাই বিমর্ষ ছিলেন, মিয়ানমারের প্রতিনিধি ও আইনজীবীরা। আদালত মুলতবীর পর, গণমাধ্যমে কথা বলতেও রাজি হননি তারা।

রাতে মিয়ানমার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে, গণহত্যার অভিযোগ ফের অস্বীকার করে, সু চি প্রশাসন। নেপিদো দাবি করে, রাখাইনে যুদ্ধাপরাধ হয়েছে ঠিক কিন্তু তা গণহত্যা নয়। অভিযোগ করে, কিছু মানবাধিকার সংগঠন রাখাইনের বিকৃত চিত্র তুলে ধরায়, মিয়ানমারের সঙ্গে অন্য দেশের দ্বিপাক্ষিক সর্ম্পকে প্রভাব ফেলেছে।  

আইসিজের আদেশকে আন্তর্জাতিক আইন ও রোহিঙ্গাদের জন্য 'ঐতিহাসিক' এবং 'শুভ সূচনা' আখ্যা দিয়েছে মামলার বাদী গাম্বিয়া।

গাম্বিয়ার আইনমন্ত্রী আবুবাকার তামবাদু বলেন, রায়ে ১৭ বিচারপতি সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন যে, পৃথিবীর কোথাও গণহত্যা সহ্য করা হবে না। এ আদেশ একদিনে রোহিঙ্গাদের জীবন বদলে দেবে না। তবে আমরা বিশ্বাস করি, মিয়ানমার আইনের শাসনে বিশ্বাসী হয়ে আদালতের আদেশ অনুযায়ী রোহিঙ্গাদের সুরক্ষার ব্যবস্থা নেবে।  

বাস্তচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদে ও মর্যাদার সঙ্গে মিয়ানমার ফেরাতে সু চির প্রতি আহ্বানও জানান গাম্বিয়ার আইনমন্ত্রী।
 
রোহিঙ্গা গণহত্যা এবং নৃশংস তৎপরতা থামাতে মিয়ানমারের প্রতি আইসিজের আদেশকে যুগান্তকারী বলছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ও অ্যামনেস্টি। এ আদেশকে শক্তিশালী, ঐতিহাসিক এবং মাইলফলক আখ্যা দিয়েছে রোহিঙ্গা নেতারা। বাংলাদেশ ও গাম্বিয়াকে ধন্যবাদ দিয়েছেন তারা।  

বার্মিজ রোহিঙ্গা সংগঠনের প্রেসিডেন্ট তুন খিন বলেন, রাখাইনে কয়েক দশক ধরে গণহত্যা, জোরপূর্বক বসতি উচ্ছেদের ভুক্তভোগী আমিও। সু চি প্রশাসনের উচিত অবশ্যই এই অন্তর্বর্তী আদেশ মেনে নিয়ে গণহত্যার তৎপরতা থামানো।  

আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের সদস্য মোহাম্মদ জুবায়ের বলেন, বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার চেষ্টায় শেষমেষ আন্তর্জাতিক বিচার আদালত রোহিঙ্গাদের স্বীকৃতি দিলো। গণহত্যা বন্ধে মিয়ানমারের প্রতি নির্দেশ দেয়ায় আইসিজেকে ধন্যবাদ জানাই আমরা।

এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ নেই। সমালোচকরা বলছেন, রায়ের ফলে বৈশ্বিকভাবে ভাবমূর্তি সংকটে পড়লেন অং সান সু চি। সরকারে থাকলেও দেশটির সেনাবাহিনীর ওপর এখন নিয়ন্ত্রণ নেই সু চির।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আন্তর্জাতিক খবর