channel 24

সর্বশেষ

  • যুক্তরাষ্ট্রে জন্মদিনের অনুষ্ঠানে ৬ জনকে গুলি করে হত্যা

  • গোশালায় কোভিড সেন্টার, খাওয়ানো হচ্ছে গোমূত্রে তৈরি ওষুধ

  • বাংলাদেশে আসার আগে লঙ্কা শিবিরে করোনার হানা

  • করোনার হটস্পট হাটহাজারী, তবুও নেই সামাজিক সচেতনতা

  • ম্যান সিটির অপেক্ষা বাড়ালো ম্যান ইউ

  • আজও ঘরমুখো মানুষের ঢল

  • রোনালদোদের মাঠে এসি মিলানের জয়োৎসব

  • বিএনপি ক্ষুব্ধ ও হতাশ: ফখরুল

  • নাটকীয়তা ভরা ম্যাচে পয়েন্ট হারালো রিয়াল মাদ্রিদ

  • করোনা প্রতিরোধে প্রায় নিষ্ক্রিয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা

  • এবার বিশেষ শর্তে হজের অনুমতি দেবে সৌদি সরকার

  • দিল্লির মসজিদে আইসোলেশন; বিনামূল্যে মিলছে চিকিৎসা ও খাবার

  • জুন থেকে আর ফ্রি নয় গুগল ফটোজ

  • মা দিবসে খেলোয়াড়দের শ্রদ্ধা

  • নেশাগ্রস্ত চালকের কারণে স্পিডবোট দুর্ঘটনা

রোহিঙ্গা গণহত্যার দায়ে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতের ৪টি আদেশ

রোহিঙ্গা গণহত্যার দায়ে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতের ৪টি আদেশ

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে ধোপে টিকলো না মিয়ানমারের দাবি। রোহিঙ্গা গণহত্যার দায়ে দেশটির বিরুদ্ধে সর্বসম্মতিক্রমে ৪টি অন্তর্বর্তী আদেশ দিয়েছেন আদালত। গাম্বিয়ার মামলায় আজ এ আদেশ দেয়া হয়। আদালত জানান, রাখাইনে বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে সু চি প্রশাসন। মিয়ানমারকে তাগিদ দেন জেনোসাইড কনভেনশন মেনে চলার।

বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় আদেশ ঘোষণার শুরুতে বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন, আন্তর্জাতিক বিচার আদালত-আইসিজের প্রেসিডেন্ট বিচারপতি আবদুলকোয়াই আহমেদ ইউসুফ।

মিয়ানমারের দাবি প্রত্যাখ্যান কোরে তিনি জানান, জেনোসাইড কনভেনশনের ৯ ধারা অনুযায়ী মামলা করে গাম্বিয়া। সনদের ধারা ও আইসিজের আইন অনুযায়ী, মামলা পরিচালনার এখতিয়ার রয়েছে, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের; এটি প্রমাণ করেছে দেশটি। 

আইসিজে জানান, রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব ও ভোটদানের অধিকার থেকে বঞ্চিত করার বিষয়টি আদালতের নজরে এসেছে। বলেন, নিপীড়নে জড়িত সেনাদের বিচার করতে হবে। পরে, মিয়ানমারে থাকা রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় সর্বসম্মতিক্রমে ৪টি অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেন আদালত। ৪ মাসের মধ্যে আদেশ বাস্তবায়নের অগ্রগতি জানাতে হবে মিয়ানমারকে।

 ৪টি অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ-

১. রোহিঙ্গাদের হত্যা, মানসিক-শারীরিক নিপীড়ন ও ইচ্ছাকৃত আঘাত করা যাবে না। জন্ম নিয়ন্ত্রণে বিধি-নিষেধ আরোপ করা যাবে না।

২. গণহত্যা, গণহত্যার প্রচেষ্টা বা ষড়যন্ত্র না করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ।

৩. গণহত্যার যেসব তথ্য-প্রমাণ রয়েছে তা ধ্বংস করা যাবে না।

৪. মিয়ানমার কী ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে তা অবশ্যই ৪ মাসের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে হবে। চূড়ান্ত সিদ্বান্তর আগ পর্যস্ত ৬ মাস পরপর প্রতিবেদন দিতে হবে।

আদালতের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও একজন অ্যাডহক বিচারপতি বর্তমান আদেশের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করেছেন। রায় পড়ার সময় আদালতে ছিল, বাংলাদেশের ২০ সদস্যের প্রতিনিধি দল। এ সময় বিমর্ষ দেখা যায়, মিয়ানমার সরকারের প্রতিনিধি ও আইনজীবীদের।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আন্তর্জাতিক খবর