channel 24

সর্বশেষ

  • চালু হচ্ছে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট

  • মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতির বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ

  • ফেভারিট শ্রীলঙ্কার সামনে স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশও

  • কচুরিপানায় ভাগ্য বদলেছে দুই শতাধিক নারীর

  • মামুনুলের নজর ছিলো ধর্মকে পুঁজি করে ক্ষমতা দখলে: পুলিশ

  • ফোর্বসের 'থার্টি আন্ডার থার্টি এশিয়া' তালিকায় ৯ বাংলাদেশি

  • তিনে ওঠার হাতছানি নিয়ে রাতে মাঠে নামছে চেলসি

  • সুপার লিগের বিপক্ষে জোট বেঁধেছে পুরো বিশ্ব

  • করোনায় মারা গেলেন কর কমিশনার আলী আজগর

  • চট্টগ্রামে সাতটি এলাকাকে উচ্চ সংক্রমিত ঘোষণা করলেও নেই তৎপরতা

  • চট্টগ্রামে ভয়ংকর হয়ে উঠেছে করোনা, বাড়ছে প্রাণহানি

  • করোনার ভ্যাকসিনে মিলছে সুফল, সিভাসুর গবেষণা

  • ধান সংকটে স্থবির কুষ্টিয়ার বৃহত্তম চালের মোকাম

  • কুমিল্লায় কাভার্ডভ্যান-লরি সংঘর্ষে ৩ জনের প্রাণহানি

  • লঙ্কা টেস্টে টাইগারদের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা দেখছেন ফাহিম

রোহিঙ্গা গণহত্যার দায়ে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতের ৪টি আদেশ

রোহিঙ্গা গণহত্যার দায়ে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতের ৪টি আদেশ

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে ধোপে টিকলো না মিয়ানমারের দাবি। রোহিঙ্গা গণহত্যার দায়ে দেশটির বিরুদ্ধে সর্বসম্মতিক্রমে ৪টি অন্তর্বর্তী আদেশ দিয়েছেন আদালত। গাম্বিয়ার মামলায় আজ এ আদেশ দেয়া হয়। আদালত জানান, রাখাইনে বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে সু চি প্রশাসন। মিয়ানমারকে তাগিদ দেন জেনোসাইড কনভেনশন মেনে চলার।

বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় আদেশ ঘোষণার শুরুতে বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন, আন্তর্জাতিক বিচার আদালত-আইসিজের প্রেসিডেন্ট বিচারপতি আবদুলকোয়াই আহমেদ ইউসুফ।

মিয়ানমারের দাবি প্রত্যাখ্যান কোরে তিনি জানান, জেনোসাইড কনভেনশনের ৯ ধারা অনুযায়ী মামলা করে গাম্বিয়া। সনদের ধারা ও আইসিজের আইন অনুযায়ী, মামলা পরিচালনার এখতিয়ার রয়েছে, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের; এটি প্রমাণ করেছে দেশটি। 

আইসিজে জানান, রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব ও ভোটদানের অধিকার থেকে বঞ্চিত করার বিষয়টি আদালতের নজরে এসেছে। বলেন, নিপীড়নে জড়িত সেনাদের বিচার করতে হবে। পরে, মিয়ানমারে থাকা রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় সর্বসম্মতিক্রমে ৪টি অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেন আদালত। ৪ মাসের মধ্যে আদেশ বাস্তবায়নের অগ্রগতি জানাতে হবে মিয়ানমারকে।

 ৪টি অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ-

১. রোহিঙ্গাদের হত্যা, মানসিক-শারীরিক নিপীড়ন ও ইচ্ছাকৃত আঘাত করা যাবে না। জন্ম নিয়ন্ত্রণে বিধি-নিষেধ আরোপ করা যাবে না।

২. গণহত্যা, গণহত্যার প্রচেষ্টা বা ষড়যন্ত্র না করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ।

৩. গণহত্যার যেসব তথ্য-প্রমাণ রয়েছে তা ধ্বংস করা যাবে না।

৪. মিয়ানমার কী ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে তা অবশ্যই ৪ মাসের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে হবে। চূড়ান্ত সিদ্বান্তর আগ পর্যস্ত ৬ মাস পরপর প্রতিবেদন দিতে হবে।

আদালতের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও একজন অ্যাডহক বিচারপতি বর্তমান আদেশের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করেছেন। রায় পড়ার সময় আদালতে ছিল, বাংলাদেশের ২০ সদস্যের প্রতিনিধি দল। এ সময় বিমর্ষ দেখা যায়, মিয়ানমার সরকারের প্রতিনিধি ও আইনজীবীদের।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আন্তর্জাতিক খবর