channel 24

সর্বশেষ

  • দেশকে জঙ্গি রাষ্ট্র বানানোর চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • করোনাভাইরাসে মৃত্যুকূপে পরিণত হতে চলছে প্রমোদতরী ডায়মন্ড প্রিন্সেস

  • রাজস্ব আদায় হচ্ছে না চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর রেলবন্দর থেকে

  • গরু খেতে পারলে মানুষও খেতে পারবে কচুরিপানা: পরিকল্পনামন্ত্রী

  • সরকার থাকতেও আদালতকে নির্বাহী বিভাগের কাজ করতে হয়; আপিল বিভাগের ক্ষোভ

  • পুলিশ বাঁচালো অটোরিকশা থেকে ছুঁড়ে ফেলা শিশুকে

  • উৎপাদন বাড়িয়ে রপ্তানি পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে: চীনের রাষ্ট্রদূত

  • ওসির অনুরোধ 'স্যার ডাকবেন না'

  • 'শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউশন আইন-২০২০' এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

  • গাজীপুরে অবৈধ ইটভাটায় উচ্ছেদ অভিযান

  • নিয়ম ভেঙে কর্ণফুলি নদীর ঘাট ইজারা পছন্দের লোককে দেয়ার চেষ্টা

  • কাপ্তাই লেকে নৌ চলাচলে শৃঙ্খলা আনতে প্রশাসনের কঠোর অবস্থান

  • বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস বিভাগের অনুমোদন দাবিতে টানা আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা

  • জিম্বাবুয়ে-বিসিবি একাদশের প্রস্তুতি ম্যাচ কাল শুরু

  • রংপুরে চীনা নাগরিক জিংজংয়ের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ

সি চিনপিংয়ের মিয়ানমার সফর রোহিঙ্গা ইস্যুতে দেশটির প্রতি সমর্থনেরই ইঙ্গিত

সি চিনপিংয়ের মিয়ানমার সফর রোহিঙ্গা ইস্যুতে দেশটির প্রতি সমর্থনেরই ইঙ্গিত

রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলার রায় আগামী বৃহস্পতিবার। অবশ্য সপ্তাহের শুরুতে বড় আলোচনার জন্ম দিয়েছে চীনা প্রেসিডেন্টের মিয়ানমার সফর এবং দেশটির সঙ্গে ৩৩ চুক্তি সই। আলোচনায় রাখাইনে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ প্রকল্পও। সি চিনপিংয়ে'র সফরকে বিশ্লেষকরা দেখছেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরাসরি মিয়ানমারের পাশে থাকার ইঙ্গিত হিসেবে। চীনের 'বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ' বাস্তবায়নের প্রথম ধাপও বলা হচ্ছে একে।

সি চিনপিংয়ের দুই দিনের সফর। চীন-মিয়ানমার নতুন যুগের সূচনা। ৩৩ চুক্তি সই,রোহিঙ্গা গণহত্য নিয়ে জাতিসংঘের আদালতের রায় ঘোষণার এক সপ্তাহে আগে চীনা প্রেসিডেন্টের মিয়ানমার সফর।

রোহিঙ্গা গণহত্যা নিয়ে যখন বিশ্বজুড়ে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে নিন্দার ঝড়, তখন সু চির দেশের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন যুগের সূচনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট। বছরের প্রথম বিদেশ সফরে মিয়ানমার গিয়ে এ প্রতিশ্রুতি দেন সি চিনপিং।

অবকাঠামোগত উন্নয়নের গতি তরান্বিত করতে ৩৩ চুক্তিতে সই করেছেন স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চি ও সি। সাক্ষরিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের প্রকল্পও আছে। চীন এ উদ্যোগকে ২১ শতকের সিল্ক রোড হিসেবে আখ্যা দিয়ে থাকে। চীন-মিয়ানমার ইকোনমিক করিডরের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে নেয়ার বিষয়েও সম্মত হয়েছে দেশ দুটি।

এ করিডরের প্রকল্পে শত শত কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে মিয়ানমার। এর মধ্যে সহিংসতাপ্রবণ রাখাইন রাজ্যে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ এবং দুই দেশের সীমান্তবর্তী এলাকার মধ্যে দ্রুতগতির ট্রেন স্থাপনের প্রকল্পও রয়েছে। ওই গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের মধ্য দিয়ে ভারত মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত হবে চীন। এছাড়া মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং বাণিজ্যিক রাজধানী ইয়াঙ্গুনে 'নতুন শহর' গড়ে তোলার প্রকল্পও আছে।

মিয়ানমারের অর্থমন্ত্রী থান মিয়ান্ত বলেন, কায়াকপো স্পেশাল ইকোনমিক জোন যেমনি করে স্থানীয়দের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে ঠিক তেমনিভাবে চীনের ইনল্যান্ড প্রদেশ এবং মিয়ানমারের পশ্চিমাংশের মধ্যে সংযোগ তৈরি করবে। যা দুই দেশের জন্যই উইন উইন প্রজেক্ট।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আন্তর্জাতিক খবর