channel 24

সর্বশেষ

  • হাসপাতালের ভেতর রোগীকে ধর্ষণ, ৮ দিন পর তদন্ত কমিটি গঠন

  • স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজির গাড়ি চালক শত কোটি টাকার মালিক

  • দীর্ঘ বিরতির পর দলগত অনুশীলনে টিম বাংলাদেশ

  • কুমিল্লায় ভুয়া মেজর পরিচয় প্রদানকারী এক প্রতারক গ্রেপ্তার

  • ভোলায় ১০ মিনিটের টর্নেডোর আঘাতে লণ্ডভণ্ড শতাধিক ঘরবাড়ি

  • সৌদি এয়ারলাইন্সের টিকিট কিনতে ভিড়-ভোগান্তি

  • সিআরআই'র ম্যাগাজিন 'হোয়াইট বোর্ড' এর উদ্বোধন

  • মহিষ চুরির অভিযোগে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রের বয়স ১৯ দেখিয়ে মামলা!

  • স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজির গাড়ি চালকের ঢাকায় ২৪টি ফ্ল্যাট, ৩টি বাড়ি

  • টেকনাফে ৫ লাখ ইয়াবা জব্দ, রোহিঙ্গাসহ আটক ৭

  • মসজিদে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার অভিযোগে আটক মিস্ত্রী ২ দিনের রিমান্ডে

  • কোয়ারেন্টিনে টিম বাংলাদেশ

  • ভারত থেকে আসা বেশিরভাগ পেঁয়াজই নষ্ট

  • চালের কুড়ার তেলের উপকারিতা

  • পেঁয়াজের বিকল্প হিসাবে পাতা পেঁয়াজের ব্যবহার

সি চিনপিংয়ের মিয়ানমার সফর রোহিঙ্গা ইস্যুতে দেশটির প্রতি সমর্থনেরই ইঙ্গিত

সি চিনপিংয়ের মিয়ানমার সফর রোহিঙ্গা ইস্যুতে দেশটির প্রতি সমর্থনেরই ইঙ্গিত

রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলার রায় আগামী বৃহস্পতিবার। অবশ্য সপ্তাহের শুরুতে বড় আলোচনার জন্ম দিয়েছে চীনা প্রেসিডেন্টের মিয়ানমার সফর এবং দেশটির সঙ্গে ৩৩ চুক্তি সই। আলোচনায় রাখাইনে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ প্রকল্পও। সি চিনপিংয়ে'র সফরকে বিশ্লেষকরা দেখছেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরাসরি মিয়ানমারের পাশে থাকার ইঙ্গিত হিসেবে। চীনের 'বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ' বাস্তবায়নের প্রথম ধাপও বলা হচ্ছে একে।

সি চিনপিংয়ের দুই দিনের সফর। চীন-মিয়ানমার নতুন যুগের সূচনা। ৩৩ চুক্তি সই,রোহিঙ্গা গণহত্য নিয়ে জাতিসংঘের আদালতের রায় ঘোষণার এক সপ্তাহে আগে চীনা প্রেসিডেন্টের মিয়ানমার সফর।

রোহিঙ্গা গণহত্যা নিয়ে যখন বিশ্বজুড়ে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে নিন্দার ঝড়, তখন সু চির দেশের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন যুগের সূচনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট। বছরের প্রথম বিদেশ সফরে মিয়ানমার গিয়ে এ প্রতিশ্রুতি দেন সি চিনপিং।

অবকাঠামোগত উন্নয়নের গতি তরান্বিত করতে ৩৩ চুক্তিতে সই করেছেন স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চি ও সি। সাক্ষরিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের প্রকল্পও আছে। চীন এ উদ্যোগকে ২১ শতকের সিল্ক রোড হিসেবে আখ্যা দিয়ে থাকে। চীন-মিয়ানমার ইকোনমিক করিডরের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে নেয়ার বিষয়েও সম্মত হয়েছে দেশ দুটি।

এ করিডরের প্রকল্পে শত শত কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে মিয়ানমার। এর মধ্যে সহিংসতাপ্রবণ রাখাইন রাজ্যে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ এবং দুই দেশের সীমান্তবর্তী এলাকার মধ্যে দ্রুতগতির ট্রেন স্থাপনের প্রকল্পও রয়েছে। ওই গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের মধ্য দিয়ে ভারত মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত হবে চীন। এছাড়া মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং বাণিজ্যিক রাজধানী ইয়াঙ্গুনে 'নতুন শহর' গড়ে তোলার প্রকল্পও আছে।

মিয়ানমারের অর্থমন্ত্রী থান মিয়ান্ত বলেন, কায়াকপো স্পেশাল ইকোনমিক জোন যেমনি করে স্থানীয়দের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে ঠিক তেমনিভাবে চীনের ইনল্যান্ড প্রদেশ এবং মিয়ানমারের পশ্চিমাংশের মধ্যে সংযোগ তৈরি করবে। যা দুই দেশের জন্যই উইন উইন প্রজেক্ট।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আন্তর্জাতিক খবর