channel 24

সর্বশেষ

  • করোনায় বিশ্বে আক্রান্ত এক কোটি ২৬ লাখ ৮৩ হাজারের বেশি

  • শেষ পর্যন্ত জনসম্মুখে মাস্ক পরলেন ট্রাম্প

  • উত্তরাঞ্চলে পানিবন্দি লাখো মানুষ

  • পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে সুনামগঞ্জ

  • করোনায় আক্রান্ত অমিতাভ বচ্চন

  • পাপুলকাণ্ডে গ্রেপ্তার কুয়েতের সেনা কর্মকর্তা

  • রিজেন্ট হাসপাতাল ও জেকেজি সম্পর্কে জানা ছিল না: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

  • রিজেন্ট চেয়ারম্যান সাহেদের পাসপোর্ট জব্দ

  • লাভের আশায় গরু পালন করে দাম নিয়ে দুশ্চিন্তায় খামারীরা

  • আগামী মাসে মাঠে গড়াচ্ছে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ

  • আবারও মনোবিদ আজহার আলীর ওপর আস্থা বিসিবির

  • আগস্টের প্রথম সপ্তাহ থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ফুটবল দলের আবাসিক ক্যাম্প

  • সাউদাম্পটন টেস্টে ৯৯ রানে পিছিয়ে ইংল্যান্ড

  • বিএফডিসিতে অসহায় শিল্পীদের সহায়তা করলেন অনন্ত-বর্ষা

  • সিলেটে বিষ খাইয়ে হত্যাচেষ্টা, মা-ছেলে কারাগারে

কি আছে হ্যারি-মেগানের কপালে

কি আছে হ্যারি-মেগানের কপালে

বিশ্বজুড়ে এখন আলোচনায় প্রিন্স হ্যারি ও রাজবধু মেগান মর্কেল। রাজপরিবারের দায়িত্ব ছেড়ে তাদের ব্রিটেনের বাইরে স্বাধীনভাবে বসবাসের ইচ্ছের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ। ডিউক অ্যান্ড ডাচেচ অব সাসেক্সের রাজপরিবার ছাড়ায় শোকাহত অনেক ব্রিটিশ।

ভালবাসার টানে রাজ্য ত্যাগ। প্রায় ৯০ বছর আগে নিজের ছোট ভাইয়ের হাতে রাজপাট ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান ব্রিটিশ রাজা অস্টম এডওয়ার্ড।

প্রায় একইপথে হাঁটলেন ব্রিটিশ রাজপুত্র প্রিন্স হ্যারি। ব্যক্তিগত বিষয়ে বারবারই ব্রিটিশ গণমাধ্যমের নাক গলানো আর রাজপরিবারের রীতি রেওয়াজের কারণে স্বাধীনতায় ঘাটতিতে, ত্যক্ত বিরক্ত ছিরেন, এই রাজপুত্র। মেগানকে বিয়ে করার পর, সেটি আরও বাড়ে। তাই রাজপরিবারের কাউকে কিছু না জানিয়েই, ঘোষণা দেন, দায়িত্ব ছাড়ার। তাদের পরবর্তী পরিকল্পনা রূপালি পর্দা ঘিরে। মেগান নিজেও একজন হলিউড অভিনেত্রী।

বিষয়টি নিয়েও গণমাধ্যমে ছড়ায় নানা কাহিনী। বলা হয়, দুই ভাইয়ের দ্বন্দ্বেই, দূরে সরে যেতে চাইছেন হ্যারি। যদিও রাজপরিবারের জরুরি বৈঠকের আগে তারা বিবৃতি দিয়ে জানান, এ ধরনের খবরের কোনো সত্যতা নেই। স্থানীয় সময় সোমবার রাজপরিবারের বৈঠকের পর, প্রিন্স হ্যারি ও মেগানের সিদ্ধান্ত মেনে নেন ব্রিটিনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। তবে আশা প্রকাশ করেন, রাজপরিবারের স্থায়ী সদস্য হিসেবেই থাকবেন তারা। বিবৃতিতে নজিরবিহীনভাবে, তাদের উপাধি ডিউক ও ডাচেচ অব সাসেক্সের বদলে নাম দিয়েই সম্বোধন করেন রানি। ভাষাও ছিল আবেগপ্রবণ।

ব্রিটিশ রাজকীয় ইতিহাসবিদ অ্যানা হোয়াইটলক বলেন, তারা রাজপরিবার ছাড়তে চাইছে। এটা তাদের নিজেদের সিদ্ধান্ত, এটাই শেষ কথা। যা রাজবংশের জন্য ভাল কিছুই হয়তো বয়ে আনবে।

তবে, এমন ঘটনায় দু:খ প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

'আমরা রাজপরিবারকে অনুসরণ করি। রাণী এলিজাবেথকে সম্মান করি। হ্যারি ও মেগানের রাজপরিবার ত্যাগের ঘটনায় কষ্ট পেয়েছি। আমরা মনে হয় এটা রানী এলিজাবেথের সুনাম কিছুটা হলেও ক্ষুন্ন হবে। আমি আশা করবো এমনটি না হোক।'

মা প্রিন্সেস ডায়নাও প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে বিয়ে বিচ্ছেদের আগে, ১৯৯৩ সালে রাজকীয় দায়িত্ব কমিয়ে নিজের মতো জীবন যাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আন্তর্জাতিক খবর