channel 24

সর্বশেষ

  • বিড়াল উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস!

  • মুজিব বর্ষ উপলক্ষ্যে সুপ্রিমকোর্টে ক্ষণ গণনার ঘড়ি উদ্বোধন

  • করোনা ভাইরাস: শাহজালাল বিমানবন্দরে বসানো হয়েছে স্ক্যানিং মেশিন

  • শেষ হল নারী ফুটবল লিগের দলবদল

  • নড়াইলে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ষাঁড়ের লড়াই

  • মৌলভীবাজার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে তিনদিন ধরে সার্ভারে সমস্যা

  • এক নারীকে নির্যাতনের পর পিকআপ থেকে ফেলে দেয়ার অভিযোগ

  • মিথ্যা ঘোষণায় আনা ১ কন্টেইনার সিগারেট জব্দ

  • বাংলাদেশকে অন্ধকার থেকে আলোতে এনেছে আ.লীগ: পরিকল্পনামন্ত্রী

  • কলেজছাত্রী হত্যা মামলায় প্রভাষকের মৃত্যুদণ্ড, এডভোকেটের যাবজ্জীবন

  • তেঁতুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে নিহত ১, আহত অর্ধশতাধিক

  • হামলা-মামলার বিষয়ে কূটনীতিকদের অবহিত করলো বিএনপি

  • নিখুঁতভাবে কৃষিকাজ করছে রোবট

  • ইলিশের পুষ্টিগুণ, ডিমছাড়া নাকি ডিমওয়ালা ইলিশটি বেশি স্বাদের?

  • মাছকে খাবার দিবে যন্ত্র! দেশেও শুরু হয়েছে এই প্রযুক্তি

রোহিঙ্গা গণহত্যার আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু যেভাবে

রোহিঙ্গা গণহত্যার আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু যেভাবে

২০১৭ সালের ২৩ শে আগস্ট থেকে ১০ ডিসেম্বর ২০১৯। রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানের জন্য কফি আনান কমিশনের প্রতিবেদন থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু পর্যন্ত, ঘটে গেছে অনেক ঘটনা। চলুন দেখি আসি তার কিছু চিত্র।

২০১৭ সালের ২৩ শে আগস্ট। মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে, প্রতিবেদন প্রকাশ করেন জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান। আনান কমিশনের সেই প্রতিবেদন প্রকাশের একদিন পরই, আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি বা আরসার হামলায়, ১২ জন পুলিশ সদস্য নিহতের দাবি করে মিয়ানমার। ২৫ শে আগস্ট সেই অজুহাতে নিরস্ত্র রোহিঙ্গাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পরে দেশটির সেনাবাহিনী। প্রাণ বাঁচাতে হাজার হাজার রোহিঙ্গা আশ্রয় নেন বাংলাদেশে।

২০১৭ সালের ৬-ই সেপ্টেম্বরে উদ্বেগ জানিয়ে নিরাপত্তা পরিষদকে চিঠি দেন জাতিসংঘের মহাসচিব। পরদিন রোহিঙ্গাদের দেখতে বাংলাদেশ আসেন তুরস্কের ফার্স্ট লেডি। ২১ শে সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে সংকট সমাধানে ৫ দফা সুপারিশ তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২৯ শে সেপ্টেম্বর আলোচনায় বসে নিরাপত্তা পরিষদ।   

তারই রেশ ধরে ৬-ই নভেম্বর প্রথমবারের মতো, রোহিঙ্গা সংকটের অবসান চেয়ে বিবৃতি দেয় জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। ১৮ ই নভেম্বর পরিস্থিত সরেজমিনে দেখতে, বাংলাদেশে আসেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। পরদিন ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভাইস প্রেসিডেন্ট ফেদেরিকা মোঘেরিনি নেতৃত্বে কক্সবাজার যান জার্মান, সুইডেন ও ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।

২৩ শে নভেম্বর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে সমঝোতা হয় বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের।  

২৮ শে এপ্রিল ২০১৮। প্রথমবারের মতো দুদিনের সফরে আসে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রতিনিধিরা। ওই বছরের পয়লা জুলাই রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যান জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস ও বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট।

এসব কারণে কিছুটা চাপে পড়ে মিয়ানমার। কিন্তু দুবার প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেয়া হলেও, প্রক্রিয়াগত জটিলতার অজুহাতে রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়নি দেশটি।  

অবশেষে স্বাধীন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের ২০১৮-২০১৯ সালে সংগ্রহ তথ্যের ভিত্তিতে, চলতি বছরে ১১ই নভেম্বর আন্তজার্তিক অপরাধ আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে জাতিগত নিধনের অপরাধে বিচারিক প্রক্রিয়া শুরুর আবেদন করে গাম্বিয়া। যারই প্রেক্ষিতে তিনদিনের শুনানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিজে। 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আন্তর্জাতিক খবর