channel 24

সর্বশেষ

  • নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত ১

  • মাগুরায় দুই বাস-মাইক্রোবাসের ত্রিমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৪

  • রংপুরে একই বাড়ি থেকে দুই বোনের মরদেহ উদ্ধার

  • বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা সফর: বিসিবির চিঠির উত্তর দেয়নি এসএলসি

  • ক্রিকেটারদের দ্বিতীয় ধাপের করোনা পরীক্ষা শুরু

  • পচাত্তরের কুশীলবরা এখনো আশপাশে ওৎ পেতে আছে: শ ম রেজাউল

  • দেশে করোনায় আরও ২২ জনের মৃত্য, শনাক্ত ১৫৪১

  • ইসরায়েলের সাথে আরব রাষ্ট্রের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগের প্রতিবাদ

  • পেঁয়াজের দামে লাগাম টানার চেষ্টা, বিভিন্ন বাজারে অভিযান

  • পা হারালেও মনোবল হারাননি ইউনুছ, অটোরিকশা চালিয়ে হাল ধরেছেন সংসারের

  • ঢাকা শহরে কোনো অবৈধ বিলবোর্ড থাকবে না: মেয়র আতিক

  • দুর্গা পূজায় সরকারি ছুটি ৩ দিন করার দাবি হিন্দু মহাজোটের

  • পত্রিকার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিয়ে করে বিদেশ নেয়ার প্রলোভন দেখাতেন তিনি

  • চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সেরা ফরোয়ার্ডের তালিকায় লেভানডভস্কি, নেইমার ও এমবাপ্পে

  • চীনে এবার 'ব্রুসেলোসিস' নামে নতুন এক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ

রোহিঙ্গা গণহত্যার আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু যেভাবে

রোহিঙ্গা গণহত্যার আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু যেভাবে

২০১৭ সালের ২৩ শে আগস্ট থেকে ১০ ডিসেম্বর ২০১৯। রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানের জন্য কফি আনান কমিশনের প্রতিবেদন থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু পর্যন্ত, ঘটে গেছে অনেক ঘটনা। চলুন দেখি আসি তার কিছু চিত্র।

২০১৭ সালের ২৩ শে আগস্ট। মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে, প্রতিবেদন প্রকাশ করেন জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান। আনান কমিশনের সেই প্রতিবেদন প্রকাশের একদিন পরই, আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি বা আরসার হামলায়, ১২ জন পুলিশ সদস্য নিহতের দাবি করে মিয়ানমার। ২৫ শে আগস্ট সেই অজুহাতে নিরস্ত্র রোহিঙ্গাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পরে দেশটির সেনাবাহিনী। প্রাণ বাঁচাতে হাজার হাজার রোহিঙ্গা আশ্রয় নেন বাংলাদেশে।

২০১৭ সালের ৬-ই সেপ্টেম্বরে উদ্বেগ জানিয়ে নিরাপত্তা পরিষদকে চিঠি দেন জাতিসংঘের মহাসচিব। পরদিন রোহিঙ্গাদের দেখতে বাংলাদেশ আসেন তুরস্কের ফার্স্ট লেডি। ২১ শে সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে সংকট সমাধানে ৫ দফা সুপারিশ তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২৯ শে সেপ্টেম্বর আলোচনায় বসে নিরাপত্তা পরিষদ।   

তারই রেশ ধরে ৬-ই নভেম্বর প্রথমবারের মতো, রোহিঙ্গা সংকটের অবসান চেয়ে বিবৃতি দেয় জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। ১৮ ই নভেম্বর পরিস্থিত সরেজমিনে দেখতে, বাংলাদেশে আসেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। পরদিন ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভাইস প্রেসিডেন্ট ফেদেরিকা মোঘেরিনি নেতৃত্বে কক্সবাজার যান জার্মান, সুইডেন ও ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।

২৩ শে নভেম্বর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে সমঝোতা হয় বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের।  

২৮ শে এপ্রিল ২০১৮। প্রথমবারের মতো দুদিনের সফরে আসে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রতিনিধিরা। ওই বছরের পয়লা জুলাই রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যান জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস ও বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট।

এসব কারণে কিছুটা চাপে পড়ে মিয়ানমার। কিন্তু দুবার প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেয়া হলেও, প্রক্রিয়াগত জটিলতার অজুহাতে রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়নি দেশটি।  

অবশেষে স্বাধীন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের ২০১৮-২০১৯ সালে সংগ্রহ তথ্যের ভিত্তিতে, চলতি বছরে ১১ই নভেম্বর আন্তজার্তিক অপরাধ আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে জাতিগত নিধনের অপরাধে বিচারিক প্রক্রিয়া শুরুর আবেদন করে গাম্বিয়া। যারই প্রেক্ষিতে তিনদিনের শুনানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিজে। 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আন্তর্জাতিক খবর