channel 24

সর্বশেষ

  • মহেশ বাবুর অস্ত্রোপচার

  • করোনা নিয়ে মিথ্যাচার করায় ‘চীনা নেটওয়ার্ক’ মুছে দিলো ফেইসবুক, ইনস্টাগ্রাম

  • দুর্গাপুরে চিনামাটির পাহাড়ে নেই টুরিজম ফ্যাসিলিটি

  • ঠেলা দিয়ে বিমান সরাচ্ছে যাত্রীরা, ভিডিও ভাইরাল

  • শ্রেণিকক্ষে ঢুকে পড়ল বাঘ, শিক্ষার্থীকে আক্রমণ (ভিডিও)

  • বিশ্বে আবারও বাড়লো করোনায় আক্রান্ত ও মৃ ত্যুর সংখ্যা

  • টিকা নেয়ার পরও আক্রান্ত, ২৭ দেশে ওমিক্রন শনাক্ত

  • গ্যাস সিলিন্ডারে দগ্ধ ভাই-বোন মারা গেছেন

  • অভিমানে চেয়ারম্যানের দেয়া উপহার আগুনে পোড়ালেন সমর্থক

  • বিজয় দিবসে দেশব্যাপী শপথ বাক্য পাঠ করাবেন প্রধানমন্ত্রী

  • করোনার টিকা নিতে হবে টানা কয়েক বছর: ফাইজার প্রধান

  • চার বছর পর হিলি দিয়ে কয়লা আমদানি শুরু

  • নারী কেলেঙ্কারি: নাচোলের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে থানায় এজাহার

  • টাঙ্গাইলে দক্ষিণ আফ্রিকাফেরত ৬ প্রবাসী হোম কোয়ারেন্টিনে

  • নির্ধারিত সময়ে ২৭ শতাংশ আয়কর রিটার্ন জমা

করোনায় বেড়েছে মানসিক স্বাস্থ্য বিপর্যয়, আত্মহত্যা

করোনায় বেড়েছে মানসিক স্বাস্থ্য বিপর্যয়, আত্মহত্যা

বিশ্বব্যাপী মহামারিকালে অনেকের জন্য মনের ওপর ক্রমাগত চাপ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ছে। এ বিষয়ে জার্মান গণমাধ্যম ডয়চে ভেলেকে বিস্তারিত বলেছেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার।

অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায়ের মতে, মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়টা একটা বড় ব্যাপার। আমরা যেন মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে মানসিক রোগকে এক না করে ফেলি। মানসিক স্বাস্থ্যের বিপর্যয় মানে যে মানসিক রোগ হয়ে গেছে সে কথা বলা যাবে না। এখন আমরা বলছি, মানসিক স্বাস্থ্য স্বাভাবিক অবস্থায় নেই, সেটা করোনাতে মারাত্মক বিপর্যয় হয়েছে।

তিনি জানান, করোনায় আক্রান্ত হয়নি এমন লোকও করোনাকালে কোনো না কোনোভাবে এ্যাফেকটেড। সবচেয়ে বেশি মানুষ এ্যাফেকটেড হয়েছে অর্থনৈতিকভাবে। এটা আমরা সবাই জানি এবং বিভিন্ন গবেষণায়ও প্রমাণিত। করোনাতে মানুষ সামাজিকভাবেও আক্রান্ত হয়েছে। আমাদের সামাজিক দূরত্ব মানতে হয়েছে। আমাদের বিনোদন সবকিছু বাধাগ্রস্ত হয়েছে। স্কুল-কলেজ বন্ধ ছিল, শিশু কিশোরেরা খেলাধুলা করতে পারেনি, সবকিছু মিলে এক ধরনের সামাজিক বিপর্যয় হয়েছে। এই আর্থিক ও সামাজিক বিষয়গুলো মানুষকে কোনো না কোনোভাবে স্পর্শ করেছে। পাশাপাশি করোনাভীতির একটা বিশাল চাপ সমগ্র জনগোষ্ঠীর ওপর পড়েছে। অর্থনৈতিক এবং সামাজিক প্রভাবটাই পড়েছে সবচেয়ে বেশি।

করোনাকালে নানা ধরনের চাপ বেড়ে গেছে, এই কারণে আত্মহত্যা বেড়ে গেছে। যেজন্য বলা হচ্ছে গত ১৪ বছরের মধ্যে করোনাকালে আত্মহত্যা বেড়েছে সবচেয়ে বেশি। বিভিন্ন আত্মহত্যার ঘটনা আপনি যদি তলিয়ে দেখেন তাহলে দেখবেন করোনা কোন না কোনভাবে ভূমিকা রেখেছে। আমরা দেখেছি, করোনাকালে আত্মহত্যা অনেক বেড়ে গেছে।

এই মনোবিদ আরও বলেন, যেসব অসুখগুলোর ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক এবং আর্থসামাজিক ফ্যাক্টরগুলো ভূমিকা পালন করে সে ক্ষেত্রে মেয়েরা বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকে। আমাদের এখানে পরিবারে হোক, সমাজে হোক মেয়েরাই অনেক বেশি বৈষম্যের শিকার। সে হিসেবে আমরা অনুমান করতে পারি, করোনাকালে মেয়েদের মানসিক স্বাস্থ্যের বেশি বিপর্যয় ঘটেছে।

মানসিকভাবে আমাদের তরুণ প্রজন্ম সবচেয়ে বেশি অসুস্থ এই বিবেচনাতে যে, তাদের ছোটাছুটি করার সময় কিন্তু তারা গৃহবন্দি হয়েছে। বিশেষ করে যারা শিক্ষার শেষ পর্যায়ে তাদের এখন চাকরিতে যোগ দেয়ার সময়। কিন্তু চাকরিতে যোগ দিতে পারছে না এতে তারা মানসিকভাবে আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। আর নারীদের ক্ষেত্রে বিষয়টি হল তারা তো পরিবারকে ধরে রাখে। তাদের তো ম্যানেজ করতে হয় সবকিছু। ফলে তাদের উপর চাপটা পড়ে বেশি।

মানসিক স্বাস্থ্য একটা নাজুক বিষয়। আপনার শরীর যদি ঠিক না থাকে তো আপনার মন খারাপ হবে। আবার আপনার যদি আর্থসামাজিক অবস্থা ভালো না থাকে তাহলেও আপনার মন খারাপ হবে। মূল কথা হল, আপনার মন ভালো রাখতে হবে। মনের বিনোদনের ব্যবস্থা করতে হবে। আর যারা আক্রান্ত হয়ে গেছে তাদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়াতে হবে। মানসিক স্বাস্থ্যকে শুধু একটা রোগ হিসেবে বিবেচনা করলে এর সমাধান হবে না।

টি

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

স্বাস্থ্য খবর