channel 24

সর্বশেষ

  • জামিন পেলেন লঙ্কান ক্রিকেটার কুশল মেন্ডিস

  • প্লেব্যাক সম্রাট এন্ড্রু কিশোর

  • বানের পানিতে তলিয়েছে ৫০ হাজার হেক্টর জমির ফসল

  • প্রস্তুতির জন্য অন্তত তিন সপ্তাহ সময় চান সৌম্য সরকার

  • কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোর আর নেই

  • লাইসেন্সবিহীন রিজেন্ট হাসপাতালকে করোনা চিকিৎসায় সরকারি অনুমোদন

  • দ্বিতীয় দফার সংক্রমণে বেহাল দশা যুক্তরাষ্ট্র, চীন, নিউজিল্যান্ড ও ইরানের

  • ইংলিশ লিগে আজ মুখোমুখি এভারটন ও টটেনহ্যাম

  • সূচক কিছুটা গতিশীল হলেও বড় পরিবর্তন নেই লেনদেনে

  • রংপুর অঞ্চলে আউশের আবাদে রেকর্ড

  • ইংল্যান্ডে দু'দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলছেন পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা

  • করোনার ভুয়া টেস্ট রিপোর্ট দিতো রিজেন্ট হাসপাতাল

  • রিজার্ভ থেকে ঋণ নিয়ে উন্নয়ন কাজে লাগানো যায় কিনা, তা ভেবে দেখার পরামর্শ

  • আর্থিক সংকটে পাইওনিয়ার লিগ খেলা ফুটবলাররা

  • খুলনার সেই সালামকে মুক্তির নির্দেশ আদালতের

বছরে অকেজো ৪০ হাজার রোগীর কিডনি

বছরে অকেজো ৪০ হাজার রোগীর কিডনি

দেশে প্রতি বছর ৪০ হাজার রোগীর কিডনি অকেজো হয়ে যাচ্ছে। আইনি বাধা আর প্রত্যঙ্গ স্বল্পতায় কিডনি প্রতিস্থাপন করতে পারছেন না রোগীরা। অনেকের দাবি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন-বিয়োজনে সম্পর্কের সীমারেখা তুলে দেয়ার। কিন্তু কিডনি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন হলে অঙ্গ কেনাবেচা বেড়ে যাবে। এক্ষেত্রে আইসিইউতে ব্রেইন ডেড ঘোষিত রোগীদের থেকে যদি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নেয়া যায় তাহলে বেঁচে যাবে অনেকের জীবন।

কিডনী রোগীরা বলছেন, যে কিডনিদিবে সে কিন্তু কিডনি আমাকে না দিলেও সে অন্যভাবে বিক্রি করে ফেলবে। দেখা যাবে ভারতে যেয়ে দিয়ে আসবে। কিন্তু আমরা পাচ্ছি না। আর না পাওয়ার একটাই কারণ আইন

ডায়ালাইসিসের শারীরিক, আর্থিক ধকল আর কুলিয়ে উঠতে পারছেন না। আইনি বিধিনিষেধের কারণে কিডনি দিতে পারছেন না নিকটাত্মীয় কেউ। তাই বাধ্য হয়ে ডোনার নিয়ে পাশের দেশে যেতে হচ্ছে তাকে।

গেলো বছর সংশোধিত অঙ্গ প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন অনুযায়ী বাবা, মা, আপন ভাই, বোন ছাড়াও চাচাতো-মামাতো ভাই বোনসহ কিছু আত্মীয় অঙ্গ দান কিংবা গ্রহণ করতে পারেন। কিন্তু দাবি উঠছে, এ আইন সংশোধন করে কিডনিসহ অন্য সকল অংগ প্রতিস্থাপনে সম্পর্কের গণ্ডি তুলে দেয়ার।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, কেবল মাত্র নিকটাত্মীয়রাই দান করতে পারবেন। এটা মৌলিক অধিকারের খেলাফ। আমি মনে করি আমার সংবিধানের খেলাফ এটা।

এ বিষয়ে উচ্চ আদালতে একটি রুলের আদেশ দেয়া হবে বৃহস্পতিবার। এ বিষয়ে আইনজীবী ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম বলেন, বিশেষ পরিস্থিতিতে যখন আপনার নিকটাত্মীয় থাকবে না বা নিকটাত্মীয় থাকলেও তাঁরা সম্মতি দিচ্ছেন না। সেক্ষেত্রে যাতে মানবিক কারণে কেউ দিতে চাইলে দিতে পারে বা চ্যারিটেবল কারণে কেউ ডোনেট করতে চাইলে করতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন বিয়োজনের নিকটাত্মীয়ের বিধিনিষেধ তুলে দেয়া হলে এটি নিয়ে বাণিজ্য হতে পারে। মানুষের দুস্থ অবস্থার সুযোগ নেবে একটি মহল।

কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক হারুন আর রশিদ বলেন, এই বিধি-নিষেধ তুলে দেওয়া হলে তখন সমাজের বিত্তবান, প্রভাবশালীরা প্রভাব ও টাকা দেখিয়ে অঙ্গ সংযোজন করার চেষ্টায় থাকবে। সমস্ত দেশ তখন ধ্বংসের পথে ধাবিত হবে।

এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, আইসিইউতে ব্রেইন ডেড ঘোষিত রোগী থেকে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নেয়া। উন্নত দেশগুলোতে ৭০ শতাংশ ট্রান্সপ্লান্ট এভাবেই করা হয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশেবিদ্যালয়ের নেফ্রোলজি বিভাগের অধাপক রফিকুল আলম বলেন, ব্রেইন ডেড ঘোষিত রোগী একজনকে ৭টি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দান করতে পারে।

এজন্য প্রশাসনিক কাঠামো এবং মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন দরকার বলে মনে করেন কিডনি বিশেষজ্ঞরা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

স্বাস্থ্য খবর