channel 24

সর্বশেষ

  • ভারতের মাদক নিয়ন্ত্রণ ব্যুরোর হাতে অর্ধশত তারকার তালিকা

  • পাবনা-৪ উপনির্বাচনে জয় পেল আ. লীগ প্রার্থী

  • ঢাকার ক্লাবগুলোর সাথে নির্বাচনী প্রচারণায় সমন্বয় পরিষদ

  • করোনা টিকার সুষম বণ্টন করতে হবে; জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী

  • কাল শুরু ১৩ তম ফ্রেঞ্চ ওপেন

  • অলিম্পিকে ব্যয় সংকোচন নীতিতে হাঁটছে টোকিও

  • শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক দাবায় চ্যাম্পিয়ন ইন্দোনেশিয়ার সুশান্ত

  • কোয়ারেন্টিন থেকে আপাতত মুক্তি ক্রিকেটারদের

  • গণফোরাম সভাপতি ড. কামালকে ছাড়াই বিদ্রোহীদের বৈঠক

  • এমসি কলেজে ছাত্রলীগ কর্মীদের ধর্ষণ বর্বরতায় গ্রেপ্তার নেই ২৪ ঘণ্টায়ও

  • শেখ হাসিনার সরকার দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • মাদক বিষয়ক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের এডমিন দীপিকা

  • খুলনায় নলকূপ বসানোর গর্ত থেকে বের হচ্ছে গ্যাস

  • পাবনা-৪ উপনির্বাচনে চলছে ভোট গণনা

  • বাড়ছে নদ-নদীর পানি; শেষ সম্বল নিয়ে নিরাপদে ছুটছে মানুষ

রেনিটিডিনের বিকল্প বহু কার্যকর ওষুধ বাজারে পাওয়া যায়

রেনিটিডিনের বিকল্প বহু কার্যকর ওষুধ বাজারে পাওয়া যায়

বাজারে রেনিটিডিন না থাকলেও দুশ্চিন্তার কিছু নেই। এর বিকল্প হিসেবে বহু কার্যকর ওষুধ বাজারে পাওয়া যায়। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর রেনিটিডিন সরবরাহ বিক্রি বন্ধ ঘোষণা করার পর এ কথা বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর জানিয়েছেন, দেশের ত্রিশটি ওষুধ প্রস্তুতকারক ভারতীয় দুটি প্রতিষ্ঠান থেকে রেনিটিডিনের কাঁচামাল আমদানী করে। তা আর করতে পারবেনা।

ভাজাপোড়া বা অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার খেয়ে এন্টাসিড জাতীয় ওষুধ খাননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। আর এক্ষেত্রে রেনিটিডিন অনেকেরই পছন্দের ট্যাবলেট।

বাংলাদেশের বেশিরভাগ ওষুধ প্রস্ততকারক প্রতিষ্ঠান রেনিটিডিন তৈরির কাঁচামাল সংগ্রহ করে ভারতীয় সারাকা ল্যাবরেটরিজ ও ডা. রেড্ডি নামে দুটি প্রতিষ্ঠান থেকে। রোববার ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর এই দুটি ভারতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে কাঁচামাল আমদানি নিষিদ্ধ করেছে। একইসাথে এই প্রতিষ্ঠান দুটির কাঁচামাল থেকে তৈরী সব রেনিটিডিন ট্যাবলেট সরবরাহ বিক্রিও নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান বলেন, যেহেতু এটা একটা পাবলিক হেলথের একটা প্রশ্ন উঠেছে, ইউএস এফডিএ থেকে বলেছে, জেএসকে যেহেতু রিকলড করেছে, কাজেই আমরা সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত নেয় যে, সারাকা ও রেড্ডির কাঁচামাল থেকে যে রেনিডিন উৎপাদিত হয়েছে, সেগুলোর উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধ থাকবে।

যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ঔষধ প্রতিষ্ঠান এফডিএ রেনিটিডিন জাতীয় ওষুধের নমুনায় ক্যানসার সৃষ্টিকারী যে উপাদান পেয়েছে তা স্বল্পমাত্রায় মাংস ও দুগ্ধজাতীয় খাবারেও থাকে। কিন্তু রেনিটিডিনের নমুনায় এই উপাদান সহনীয় মাত্রার চেয়ে বেশী পরিমাণে পাওয়া গেছে। তাই শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইউরোপের বাজার থেকেও রেনিটিডিন জাতীয় ওষুধ প্রত্যাহার করে নিচ্ছে প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক লুৎফুল কবির বলেছেন, রেনিটিডিন বিক্রি বন্ধ হওয়ায় দুশ্চিন্তার কিছু নেই। বাজারে এর প্রচুর বিকল্প আছে। রেনিটিডিন যে উদ্দেশ্যে গ্রহণ করছেন এ জাতীয় ওষুধ আপনার হাতে আছে।

এক্ষেত্রে রেনিটিডিন যেন বাজারে না পাওয়া যায় এ ব্যাপারে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কড়া নজরদারি প্রয়োজন বলে মনে করেন অধ্যাপক লুৎফুল কবির।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর সারাদেশে এরইমধ্যে অভিযান শুরু করেছে বলে জানালেন ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান।

নিউজটির প্রতিবেদন ভিডিওতে-

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

স্বাস্থ্য খবর