channel 24

সর্বশেষ

  • দরকার ছাড়া বেরুলেই ফেরত পাঠানো হচ্ছে ঘরে

  • সপ্তাহ না পেরুতেই ধৈর্যহারা নগরবাসী; দরকার ছাড়াও বেরুচ্ছেন বাইরে

  • পিপিই পরে সাঈদ খোকনের ত্রাণ বিতরণ

  • মুখে মাস্ক পরে ফ্লিমি স্টাইলে ফার্মেসিতে ডাকাতি

  • স্পেনে একদিনে প্রাণহানি ৯৫০, মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছে

  • বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা ৪৮ হাজার ছাড়িয়েছে

  • গ্রামীণ জনপদে দূরত্ব বজায় রেখে চলাচল কতটা সম্ভব?

  • চট্টগ্রামে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে কমেছে রোগী, বন্ধ প্রাইভেট চেম্বারও

  • গত ২৪ ঘন্টায় ১৪১ জনের নমুনা পরীক্ষা: আইইসিডিআর

  • চট্টগ্রামে বেড়েছে ব্যক্তিগত যানচলাচল, নির্দেশনা মানতে চাইছেন না মানুষ

  • সংকুচিত ব্যাংকিং সেবার চাহিদা পূরণ করছে মোবাইল ব্যাংকিং

  • চট্টগ্রামে করোনার ধাক্কা দীর্ঘায়িত হলে মুখ থুবড়ে পড়বে রেস্টুরেন্ট ব্যবসা

  • মেহেরপুরে সুরক্ষা সরঞ্জাম না থাকায় লাপাত্তা চিকিৎসক

  • করোনা থাবায় হুমকির মুখে দেশের পোলট্রি শিল্প

  • এসি মিলান ছাড়ছেন জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ

যে রোগ হলে মনে থাকে সব কিছু!

যে রোগ হলে মনে থাকে সব কিছু!

গত মাসের প্রথম সোমবার আপনি কি পোশাক পড়েছিলেন তা কি মনে আছে? কিংবা তিন বছর আগের এই দিনে আপনি রাতের বেলা কি খেয়েছিলেন তা মনে আছে? মনে করাটা বেশ কঠিন তাই না?

তবে আপনি-আমি না পারলেও বিশ্বে অন্তত ৬ জন মানুষ রয়েছেন যারা এটা মনে করতে পারেন।

আরও: দেনমোহর নির্ধারণ নিয়ে চলছে অসুস্থ প্রতিযোগিতা

কথা বলুন পছন্দের যেকোন ভাষায়

কেমন হতো প্লাস্টিক বিহীন পৃথিবী?

২০১৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বিশ্বে ৬ জন হাইপারথাইমেসিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সন্ধান নিশ্চিত করেছেন গবেষকরা। এটি এমন একটি রোগ, যাতে আক্রান্ত হলে আপনি আপনার জীবনের প্রায় প্রতিটি দিন মনে রাখতে পারবেন অত্যন্ত নিখুঁতভাবে।

হয়তো দোলনায় কাটানো দিনগুলোর কথা আমাদের কারোরই মনে থাকে না। তবে ৫৪ বছর বয়সি জিল প্রেইস দাবি করেছেন, ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত সব কিছুই মনে করতে পারেন তিনি। এখন প্রশ্ন আসে, হাইপারথাইমেসিয়া কি তাহলে আশির্বাদ নাকি অভিশাপ? আপনার কাছে সুযোগ থাকলে কি আপনি মনে রাখতে চাইবেন সব কিছু? নাকি যেটুকু মনে করতে পারেন তাতেই আপনি খুশি?

হাইপারথাইসেমিয়ার কারণ হচ্ছে, তাদের মস্তিষ্কের একটা বিশেষ অংশ অস্বাভাবিকভাবে বড় থাকে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, তাদের মষ্তিস্কের কাডেট নিউক্লিয়াস বেশ বড়। মস্তিক্সের এই অংশে আপনাআপনিই স্মৃতি জমা হয়। শুধু গুরুত্বপূর্ণগুলো নয়, সব ধরণের স্মৃতি আর তথ্যই এতে জমা হয়। এমনকি কোন নির্দিষ্ট দিনে কি ধরণের কাপড় তারা পড়েছিলো কিংবা ঐদিনের আবহাওয়া কেমন ছিলো তা হুবহু মনে করতে পারেন তারা। আর একাজে তাদের সহায়তা করে বড় আকারের টেম্পোরাল লোব।

আরেক গবেষণা বলছে, যারা হাইপারথাইমেসিয়ায় আক্রান্ত তাদের মস্তিস্কের ভিজ্যুয়াল অংশ বেশি কার্যকর হয়। তাদের স্মৃতিগুলো মস্তিস্ক্যে সিনেমার মতো চলতে থাকে। এটা জেনে অবশ্য অনেকে এনিয়ে আগ্রহী হতে পারেন। কারণ এতে নিজের মধ্যেই নন-স্টপ বিনোদনের ব্যবস্থা থাকে। কারণ আপনি চাইলেই যেকোন সময় যেকোন ভালো স্মৃতি সিনেমার মতোই দেখতে পারবেন।

তবে বিষয়টা এতোটা সোজা নয়। ভিজ্যুয়াল অংশ সক্রিয় থাকলেও কোন স্মৃতি কখন মনে আসবে তার উপর কোন নিয়ন্ত্রণ থাকেনা। অর্থাৎ সবসময় শুধু ভালো স্মৃতি নয়, বরং খারাপ স্মৃতিও সেই একই মাত্রায় কষ্টদায়ক হয়ে মনে পরে। তাই অতীতের স্মৃতির মধ্যে থাকলে খারাপ হয় বর্তমান আর ভবিষ্যতও।

তবে আশার কথা হচ্ছে, হাইপারথাইমেসিয়ায় মানুষ শুধু নিজের অতীতের ঘটনাই মনে রাখতে পারে। অন্য কারো নয়। তাই অতীতে না বেঁচে সামনে এগিয়ে যেতে হবে এটাই হতে হবে মন্ত্র। মনে রাখতে হবে, নিজের স্মৃতির নিয়ন্ত্রণ নিজের কাছে। আগামির প্রতিটি দিন অতীতের চেয়ে বর্ণিল। নতুন মানুষের সাথে মেশা, ভালোবাসা ছড়ানো আর নতুন অভিজ্ঞতাই হাইপারথাইমেসিয়ার একমাত্র ওষুধ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

স্বাস্থ্য খবর