channel 24

সর্বশেষ

  • আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে মাঠে ফিরলেন তামিম

  • চকলেট ভেবে ইঁদুর মারার ওষুধ খেলো দুই বোন, একজনের মৃ’ত্যু

  • চাঁদা আদায়ের অভিযোগে সুনামগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট

  • করোনাকালে কুড়িগ্রামে বাল্যবিয়ের হিড়িক

  • ৬০ হাজার টাকা বেতনে চাকরি দিচ্ছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স

  • জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান হলেন শাফিন আহমেদ

  • খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ল আরও ছয় মাস

  • চাকরি দিচ্ছে সিটি ব্যাংক

  • ইভ্যালির গ্রেপ্তার কর্ণধারের বিরুদ্ধে আরেক মামলা

  • নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে, আহত ৩০

  • যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ক্ষতিপূরণ চায় কাবুল হা ম লায় নি হ তদের পরিবার

  • আফগানিস্তানের মেয়েরা প্রাথমিকের অনুমতি পেলেও পায়নি মাধ্যমিকের

  • প্রথমবার মহাকাশ ঘুরে এলেন চার সাধারণ নভোচারী

  • স্বামীর চাপাতির কোপে গুরুতর আহত স্ত্রী

  • বিচ্ছেদ চেয়ে শ্রাবন্তীর মামলা

সংগীত ছিল যার আন্দোলনের হাতিয়ার

সংগীত ছিল যার আন্দোলনের হাতিয়ার

একাত্তরের কণ্ঠযোদ্ধা ও প্রখ্যাত গণসংগীত শিল্পী ফকির আলমগীরকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জানানো হয়েছে শেষ শ্রদ্ধা। সকাল পৌনে ১১টায় খিলগাঁওয়ের পল্লীমা সংসদে গার্ড অব অর্নার শেষে অনুষ্ঠিত হয় প্রথম জানাজা।

এতে শরিক হন, আত্মীয়-স্বজনসহ স্থানীয়রা। দুপুর ১২টায় মরদেহ নেয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সেখানে শ্রদ্ধা জানায় সর্বস্তরের মানুষ। খিলগাঁওয়ে মাটির মসজিদ তালতলা কবরস্থানে সমাহিত করা হবে তাকে। করোনায় আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর একটি হাসপাতালে গতরাত ১০টা ৫৬ মিনিটে মারা যান ফকির আলমগীর। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।

গণসংগীতকে জনমানুষের কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। দেশের সব সংকটে ন্যায়ের পক্ষে তার কণ্ঠস্বর ছিল সুউচ্চ। যাপিত জীবনের দুঃখ-কষ্ট থেকে রোমান্টিসিজম.সবই যেন মূর্ত হয়েছে ফকির আলমগীরের কণ্ঠে।

সখিনা ভুলেছে কিনা জানা যায়নি। কিন্তু ফকির আলমগীরকে ভোলা যায় না। সেই ১৯৮২ সালের আনন্দমেলায় গাওয়া গান, আজও ফেরে মানুষের মুখে।

ঝাঁকড়া চুল, দরাজ কণ্ঠ। ফোক গানে অনন্য এক নাম ফকির আলমগীর। জন্ম ১৯৫০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি, ফরিদপুরের ভাঙ্গায়। ১৯৬৬ সালে স্কুলে পেরিয়ে ভর্তি হন জগন্নাথ কলেজে। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিগ্রি নেন সাংবাদিকতায়। স্কুল থেকেই গান গাইতেন, বাঁশি বাজাতেন। ভরাট কণ্ঠ নিছক বিনোদন নয়, কাজে লাগিয়েছিলেন ষাটের দশকের নানা আন্দোলনে আর ঊণসত্তরের গণঅভ্যুত্থানেও।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলনেও মাঠে থাকেন কণ্ঠযোদ্ধা হিসাবে। সাংস্কৃতিক সংগঠন ঋষিজ শিল্পীগোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতাও তিনি। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও বিজয়ের গান, গণসংগীতের অতীত বর্তমানসহ একাধিক প্রকাশনাও আছে ফকির আলমগীরের।

সংগীতে বিশেষ অবদানের জন্য একুশে পদক, শেরে বাংলা পদক, ভাসানী পদক, বাংলা একাডেমি ফেলোশিপসহ বহ সম্মাননা আছে, তার ঝুলিতে।

একাত্তরের এই কণ্ঠযোদ্ধা পৃথিবীর মায়াও ছাড়লেন ৭১ বছর বয়সে। সান্তাহার জংশনে দেখা না হলেও তিনি থাকবেন বনোমালি কিংবা জুলেখার স্বরলিপিতে।

এসিএন/

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিনোদন খবর