channel 24

সর্বশেষ

  • করোনার টিকা নিতে আগ্রহী নন বিশ্বের ৭২ শতাংশ কৃষ্ণাঙ্গ

  • সৌদিতে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের নতুন পাসপোর্ট দেয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • মহামারিতে এসেছে দেশের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স

  • চট্টগ্রামে বিরামহীন প্রচারণা চালাচ্ছেন মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা

  • ব্রিসবেন টেস্টের তৃতীয় দিনে ৫৪ রানে এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া

  • পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অযৌক্তিক ও অনৈতিক: সচিব

  • বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচ ঘিরে সিএমপি'র বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা

  • করোনায় দেশে আরও ২১ জনের মৃত্যু

  • ইভিএমে কারসাজিতে ভোট চুরি করেছে আওয়ামী লীগ: ফখরুল

  • টেকনাফে বিজিবির অভিযান; ৫ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ

  • বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীতে বিশেষ জার্সি পরে খেলবেন ক্রিকেটাররা

  • মানবিক পুলিশ মেহেদী, বেতনের টাকায় সহায়তা করছেন অর্ধশত পরিবারকে

  • বইমেলা ফেব্রুয়ারি বা মার্চে আয়োজনের চিন্তাভাবনা

  • ১৯ জানুয়ারি মিয়ানমার-বাংলাদেশ-চীন ত্রিপক্ষীয় ভার্চুয়াল বৈঠক

  • এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূকে গণধর্ষণ মামলার বিচার শুরু

ধর্ষণ নিয়ে অনন্ত জলিলের ভিডিও বার্তায় ব্যাপক সমালোচনা

ধর্ষণ নিয়ে অনন্ত জলিলের ভিডিও বার্তায় ব্যাপক সমালোচনা

নায়ক অনন্ত জলিলের ধর্ষণ নিয়ে করা এক মন্তব্য শুরু হয়েছে সমালোচনার ঝড়। তার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করার পর থেকেই অনেক তারকারাও এই ভিডিও'র সমালোচনা করছে।

ভিডিওটির শুরুতে অনন্ত জলিল ধর্ষকদের বিরুদ্ধে বেশ কিছু কথা বলেছেন, তবে তার ভিডিওর পরবর্তী অংশে তার কিছু কথার মাধ্যমে ধর্ষণের শিকার ব্যক্তিদেরই দোষারোপ বা 'ভিকটিম ব্লেমিং' করা হয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন।

শনিবার রাতে অনন্ত জলিলের ফেসবুক পাতায় ভিডিওটি আপলোড করা হয়। রোববার সারাদিনই এই ভিডিও নিয়ে ফেসবুকে বেশ আলোচনা-সমালোচনা দেখা গেছে।

বাংলাদেশের বিনোদন জগতের ব্যক্তিত্ব মেহের আফরোজ শাওন তার ফেসবুকে লিখেছেন, "আমি মেহের আফরোজ শাওন, বাংলাদেশের একজন চলচ্চিত্র ও মিডিয়াকর্মী এবং স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের সচেতন নাগরিক হিসাবে বাংলাদেশের নারীদের প্রতি কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য এবং অসংলগ্ন বক্তব্য সম্বলিত ভিডিও বার্তা দেয়ার জন্য জনাব অনন্ত জলিলকে বয়কট করলাম।"

যদিও অনন্ত জলিলের অফিসিয়াল ফেসবুক পাতায় ভিডিওটি একবার মুছে দেয়া হয়। এরপর বির্তকিত অংশের ভিডিও মুছে ফেলে আবার ছোট করে ভিডিও আপলোড দেয়া হয়।

তবে প্রতিবেদনটি লেখার সময় তার স্ত্রী বর্ষার ফেসবুক পাতায় ছিল সম্পূর্ণ ভিডিওটি। "আমি আজ কিছু কঠিন কথা বলবো," এটা বলে তার এই ভিডিও শুরু করেন অনন্ত জলিল। তিনি মূলত যারা ধর্ষণ করে তাদের বিরোধিতা করে ভিডিও বার্তাটি ফেসবুকে পোস্ট করেছেন।

ভিডিওর এক পর্যায়ে তিনি বলেন, "আমাদের দেশে সমস্ত মেয়েদের উদ্দেশ্যে কিছু বলি। ভাই হিসেবে, সিনেমা, টেলিভিশন সোশাল মিডিয়াতে অন্য দেশের অশ্লীল ড্রেস আপ দেখে ফলো করার চেষ্টা করো। এবং ফলো করে সেইম ড্রেস আপ পরে ঘোরাঘুরি করো।

এরপর তিনি বলেন, "এই চেহারার দিকে মানুষ না তাকিয়ে তোমাদের ফিগারের দিকে তাকায়। ফিগারের দিকে তাকিয়ে বখাটে ছেলেরা বিভিন্নভাবে মন্তব্য করে এবং রেপ করার চিন্তা তাদের মাথায় আসে। তোমরা কি নিজেদের মডার্ন মনে করো? এটা কি মডার্ন ড্রেস নাকি অশালীন ড্রেস।"

তিনি মেয়েদের শালীন পোশাক পরার কথায় জোর দেন। তিনি বলেন, "নিজেকে একটা ভদ্র মেয়ের পাশে দাঁড় করিয়ে দেখো কত বাজে লাগে। ছেলেদের মতো একটা টি-শার্ট পরে রাস্তায় বের হয়ে যাও। খুব মডার্ন তুমি। নিজেকে অনেক মডার্ন মনে করো। তারপর ইজ্জত হারিয়ে বাসায় যাও। হয় আত্মহত্যা করো, নয়তো কাউকে আর মুখ দেখাতে পারো না।"

অনন্ত বলেন, "শালীন ড্রেস পরলে যারা বখাটে, যারা ধর্ষণের চিন্তা-ভাবনা করে তারাও তোমার দিকে তাকাবে না। সম্মান করবে। মাটির দিকে তাকিয়ে চলে যাবে।

ধর্ষণের শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের আইন চালু করতে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন অনন্ত জলিল।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিনোদন খবর