channel 24

সর্বশেষ

  • করোনার চেয়ে বেশি মানুষ মারা যেতে পারে অনাহারে: অক্সফামের সতর্কতা

  • রংপুরে ৯৩ হাজার হতদরিদ্র পরিবার পায়নি প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার

  • করোনাকালে স্বাস্থ্যখাতের সবচেয়ে বড় দুর্নীতি রিজেন্ট কাণ্ড

  • বাংলাদেশসহ ১৩ দেশের ওপর ইতালির নতুন নিষেধাজ্ঞা

  • নেপালে বন্ধ ভারতের সব টেলিভিশন চ্যানেলের সম্প্রচার

  • চট্টগ্রামে হাসপাতাল বিমুখ রোগীরা

  • দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতে বাবা-ছেলেসহ ৮ জনের মৃত্যু

  • কোয়ারেন্টিনে ইতালি ফেরত ১৪৭ বাংলাদেশি, রাখা হয়েছে হজ ক্যাম্পে

  • করোনায় মারা গেছেন সাহেদের বাবা

  • সাহারা খাতুন মারা গেছেন

  • পশ্চিমবঙ্গের ক্যান্টনমেন্টে কড়া লকডাউন শুরু

  • ভেঙে ফেলা হচ্ছে স্মৃতি বিজড়িত এফডিসির ৩ ও ৪ নম্বর ফ্লোর

  • ইংল্যান্ডের সাথে টেস্ট সিরিজ বাতিল করতে যাচ্ছে বিসিসিআই

  • বাতিল হচ্ছে ভারত-ইংল্যান্ড ৫ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ

  • নামিদামি ফার্মেসিতে ভেজাল বিদেশি ওষুধ

সালমান শাহকে কেউ হত্যা করেনি!

সালমান শাহকে কেউ হত্যা করেনি!

শেষ পর্যন্ত খোলাসা হল চিত্রনায়ক সালমান শাহের মৃত্যু রহস্য। ২৪ বছর পর আজ সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআই-এর তদন্তে উঠে এসেছে এই তথ্য।

পিবিআই জানায়, চিত্রনায়ক সালমান শাহের হত্যার অভিযোগের কোন প্রমান পাওয়া যায়নি। পারিবারিক কলহের কারণেই আত্মহত্যা করেছিলেন চিত্রনায়ক সালমান শাহ, বলছে পিবিআই।

সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে পিবিআইয়ের প্রধান বনোজ কুমার মজুমদার বলেন, ব্যক্তিগত জীবনে চলচ্চিত্র অভিনেত্রী শাবনূরের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিলো সালমান শাহর। শুধু তাই নয়, শাবনূরকে বিয়ে করে দুই বউ নিয়ে সংসারও করতে চেয়েছিলেন তিনি। যা মেনে নিতে চাননি স্ত্রী সামিরা। আর এ নিয়েই অশান্তিতে ছিলেন সালমান। যা তাকে নিয়ে গেছে আত্মহত্যার পথে।

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার (ইমন) ওরফে সালমান শাহ। সে সময় এ বিষয়ে অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছিলেন তার বাবা প্রয়াত কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। পরে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে মামলাটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তরিত করার আবেদন জানান তিনি। অপমৃত্যু মামলার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়টি একসঙ্গে তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দেন আদালত।

১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় সিআইডি। চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সালমান শাহের মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হয়। ২৫ নভেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন গৃহীত হয়। সিআইডির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে তার বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী রিভিশন মামলা দায়ের করেন।

২০০৩ সালের ১৯ মে মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তে পাঠায় আদালত। এরপর প্রায় ১৫ বছর মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তে ছিল। ২০১৪ সালের ৩ আগস্ট ঢাকার সিএমএম আদালতের বিচারক বিকাশ কুমার সাহার কাছে বিচার বিভাগীয় তদন্তের প্রতিবেদন দাখিল করেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইমদাদুল হক। এ প্রতিবেদনে সালমান শাহের মৃত্যুকে অপমৃত্যু হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরী ছেলের মৃত্যুতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান এবং ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দেবেন বলে আবেদন করেন। ২০১৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি নীলা চৌধুরী ঢাকা মহানগর হাকিম জাহাঙ্গীর হোসেনের আদালতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদনের বিষয়ে নারাজির আবেদন দাখিল করেন। নারাজি আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ ১১ জন তার ছেলে সালমান শাহের হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারেন।

মামলাটি এরপর র‌্যাব তদন্ত করে। তবে র‌্যাবের দ্বারা তদন্তের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ গত বছরের ১৯ এপ্রিল মহানগর দায়রা জজ আদালতে একটি রিভিশন মামলা করে। ২০১৬ সালের ২১ আগস্ট ঢাকার বিশেষ জজ ৬-এর বিচারক ইমরুল কায়েস রাষ্ট্রপক্ষের রিভিশনটি মঞ্জুর করেন এবং র‌্যাবকে মামলাটি আর না তদন্ত করার আদেশ দেন। তখন থেকে মামলাটি তদন্তের দায়িত্বে আছে পিবিআই।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিনোদন খবর