channel 24

সর্বশেষ

  • সিরাজগঞ্জে ছাত্রলীগের দুগ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৫০

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাড়ির আঙ্গিনায় গাঁজা চাষ, ১ নারী আটক

  • মর্নিং বার্ড লঞ্চ শত্রুতামূলকভাবে ডোবানো হয়েছে: নৌ পুলিশ

  • ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট করোনায় আক্রান্ত

  • ১৮২০ তৃণমূল ফুটবলার আর্থিক সহায়তা পাচ্ছে

  • খুলনায় আটক পাটকলের ২ শ্রমিক নেতা কারাগারে

  • এশিয়া কাপ স্থগিতের শঙ্কায় আকরাম খান

  • করোনায় ফেনীর সিভিল সার্জনের মৃত্যু

  • ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট দিয়ে মাঠে গড়াচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট

  • নানা পরিচয়ে একের পর এক ব্যবসা বাগিয়েছেন রিজেন্টের মালিক

  • বাংলাদেশ থেকে এক সপ্তাহের জন্য ফ্লাইট বাতিল ঘোষণা দিলো ইতালি

  • মৃতের হাত বেঁধে টাকা আদায়: প্রশান্তি হাসপাতালের বিরুদ্ধে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট

  • প্যাপিনোমেলনের পুষ্টিগুণ

  • মরিচ গাছের পাতা কুকড়ানো বা লিফ কার্ল রোগ

  • আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত ঘেরে চিংড়ির রোগ নির্ণয় ভ্রাম্যমাণ মৎস্য ক্লিনিক

সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রূপালি পর্দায় ফিরবে সোনালী সময়

সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রূপালি পর্দায় ফিরবে সোনালী সময়

এক সময় যে রূপালি ফ্রেমে ছিলো সোনালী সময়, সেখানে এখন শুধুই হতাশা। গত দুই দশক ধরে প্রতি বছর যেমন কমছে ছবি নির্মাণের সংখ্যা তেমনি দর্শক সঙ্কটে বন্ধ হচ্ছে হল। সিনেমার এই বেহাল দশা কাটাতে বুধবার (২০ নভেম্বর) সকালে সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সাথে আলোচনায় বসেছিলেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সদস্যরা।

সাদাকালোতে শুরু বাংলা চলচ্চিত্র। সময়ের সাথে যে ফ্রেমে লাগে রঙিনের ছোঁয়া।

ষাট থেকে নব্বই এই চার দশক সোনালী সময় ছিলো রূপালি ফ্রেমে। ক্যালেন্ডারের পাতায় তখন নতুন শতাব্দীর আগমণ তখন নানা সঙ্কটের মুখে পড়ে বাংলা চলচ্চিত্র।

গেলো দুই দশক ঢাকাই সিনেমায় যেমন কমেছে চলচ্চিত্র নির্মাণের সংখ্যা তেমনি কমেছে দর্শক। সাথে সাড়ে ১৩'শ হল এসে ঠেকেছে দেড়'শর ঘরে। এমন বাস্তবতার দায় কার? এ নিয়ে সভা-সেমিনার আলোচনা কিংবা সংলাপ হয়েছে অসংখ্যবার, কিন্তু মেলেনি সমাধান।

বাংলা চলচ্চিত্রের এমন সঙ্কট কাটাতে প্রয়োজন যেমন ছবি নির্মাণের সংখ্যা বাড়ানো, তেমনি দরকার প্রেক্ষাগৃহ। আর এসব দাবি নিয়ে বুধবার সকালে সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রীর সাথে দেখা করেন; শিল্পী সমিতির সদস্যরা।

জায়েদ খান বলেন, 'আমরা আশা করি আপনার (ড. হাছান মাহমুদ) হাত ধরে আমরা আবার আমাদের সোনালী সময়ে ফিরে যেতে পারবো।'

মিশা সওদাগর বলেন, আমাদের অনেক দিনের আশা হলগুলো ডিজিটালাইজ করা। আমাদের এফডিসির জন্য পাঁচ বছরে যদি ৫০০ কোটি টাকা দেয়া হয় তাহলে আমাদের চলচ্চিত্র ঘুরে দাঁড়াবে।

তথ্যমন্ত্রী জানান, বাংলা চলচ্চিত্রকে বিশ্ববাজারে পৌঁছে দিতে চায় সরকার। আর তাই এরই মধ্যে নেয়া হয়েছে কিছু পদক্ষেপ। যা শিগগিরই দেখবে আলোর মুখ।

তিনি বলেন, 'এফডিসির দৈন্যদশা কাটানোর জন্য আমরা কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছি। একটি নতুন ভব হবে যেখানে অনেক কিছু থাকবে। সেজন্য ৩২২ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। হাজার কোটি টাকার বেশি একটি প্রকল্প বঙ্গবন্ধু ফিল্মসিটি নির্মাণের কাজে আমরা হাত দিয়েছি। অনুদানের ছবির ক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন এনেছি।'

সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রূপালি পর্দায় ফিরবে সোনালী সময়, এমন আশাই করছেন এই শিল্পের সাথে জড়িতরা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিনোদন খবর