channel 24

সর্বশেষ

  • টিকা নেয়ার পরও আক্রান্ত, ২৭ দেশে ওমিক্রন শনাক্ত

  • গ্যাস সিলিন্ডারে দগ্ধ ভাই-বোন মারা গেছেন

  • অভিমানে চেয়ারম্যানের দেয়া উপহার আগুনে পোড়ালেন সমর্থক

  • বিজয় দিবসে দেশব্যাপী শপথ বাক্য পাঠ করাবেন প্রধানমন্ত্রী

  • করোনার টিকা নিতে হবে টানা কয়েক বছর: ফাইজার প্রধান

  • চার বছর পর হিলি দিয়ে কয়লা আমদানি শুরু

  • নারী কেলেঙ্কারি: নাচোলের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে থানায় এজাহার

  • টাঙ্গাইলে দক্ষিণ আফ্রিকাফেরত ৬ প্রবাসী হোম কোয়ারেন্টিনে

  • নির্ধারিত সময়ে ২৭ শতাংশ আয়কর রিটার্ন জমা

  • এবার মার্কিন পুলিশের গু লিতে প্রাণ হারালেন হুইলচেয়ারে বসা বৃদ্ধ

  • বাবরের একাদশে পাকিস্তানের চেয়ে ভারতের ক্রিকেটার বেশি

  • চাকরি দিচ্ছে বিকেএসপি

  • দাউদাউ করে জ্বলছে বিয়েবাড়ি, খেয়েই চলেছেন নিমন্ত্রিতরা (ভিডিও)

  • ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

  • অভিবাসী প্রেরণে বিশ্বে ষষ্ঠ, রেমিটেন্স গ্রহণে অষ্টম বাংলাদেশ

গোয়ালবাথানের পাকা রাস্তা কুমার নদে বিলীন

গোয়ালবাথানের পাকা রাস্তা কুমার নদে বিলীন

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার টেকেরহাট-কালীবাড়ী ফিডার সড়কের গোয়ালবাথান এলাকার তিনশ’ মিটার পাকা রাস্তা কুমার নদে বিলীন হয়েছে। ফলে হরিদাসদী-মহেন্দ্রদী ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষের জেলা ও উপজেলার সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা দুরূহ হয়ে পড়েছে। সোমবার (৪ অক্টোবর) সকাল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে সড়কটি বিলীন হয়।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, রাজৈর উপজেলার টেকেরহাট-কালীবাড়ী ফিডার সড়কের গোয়ালবাথান নামক স্থানে প্রায় তিনশ’ মিটার পাকা সড়ক কুমার নদে বিলীন হয়েছে। কুমার নদের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় এ বছরের ৫ সেপ্টেম্বর রোববার রাতে পাকা রাস্তাটির অর্ধেক ভেঙে কুমার নদে চলে যায়। তবে এরপরও ছোট ছোট যানবাহন বিশেষ করে মোটরসাইকেল, ইজিবাইক ও ভ্যান ঝুঁকি নিয়ে কোন রকমে আসা-যাওয়া করতে পারতো। পরে মাদারীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে সেখানে জিও ব্যাগ ফেলে রাস্তাটি রক্ষার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে কুমার নদের পানি কমতে শুরু করায় জিও ব্যাগগুলো ভেসে যায়। ফলে আবার ভাঙন শুরু হয়।

সোমবার সকালে রাস্তাটির বাকী অংশ নদে বিলীন হওয়া শুরু হয়ে সন্ধ্যার দিকে পুরোটাই ভেঙে যায়। ফলে এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। এতে হরিদাসদী-মহেন্দ্রদী ইউনিয়নের মানুষকে কবিরাজপুর ও হোসেনপুর ঘুরে যাওয়া-আসা করতে হবে।

স্থানীয় নারায়ন হালদার, ফেরদাউস, মিরুল, শহর আলীসহ অনেকেই জানান, কুমার নদ থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এখনই এটা রোধ না করা হলে বিদ্যানন্দী মাঠের সকল ফসলী জমি নদের পানিতে ডুবে যাবে। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হব। ভাঙন শুরু থেকে যদি আরও কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হতো, তাহলে অন্তত রাস্তাটি রক্ষা করা যেতো। কিন্তু এখন লাখ লাখ টাকা গেলেও রাস্তা রক্ষা হল না।