channel 24

সর্বশেষ

  • সাদা-কালো ক্যানভাসে নস্ট্যালজিয়া অর্জুন রামপাল

  • ফিফটি দিয়ে বিশ্বকাপ অভিষেক রাঙালেন নাঈম

  • ফেসবুকে ধর্ম অবমাননা: আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পরিতোষের

  • বুকে ব্যথা হৃদরোগের লক্ষণ নয় তো? করণীয় কী?

  • সম্প্রীতির মিছিলে প্রতিরোধের ডাক

  • ভারী বৃষ্টি ও বন্যায় ৩৪ জনের মৃত্যু

  • শাজাহান খানকে নৌকার বিরোধিতা না করার হুঁশিয়ারি জেলা আ.লীগ সভাপতির

  • আবারও জুটি বাঁধছেন যশ-নুসরাত

  • পাওয়ার প্লেতে বিবর্ণ বাংলাদেশ

  • মৌলভীবাজারে বিশেষ সংহতি সভা অনুষ্ঠিত

  • ভারত-পাকিস্তান সিরিজ আয়োজনে সৌরভ-রমিজ আলোচনা

  • লিটনের পর ফিরলেন মেহেদি

  • বাংলাদেশ-ভারত নৌ সচিব পর্যায়ের বৈঠক বুধবার

  • জীবন পেয়ে কাজে লাগাতে ব্যর্থ লিটন

  • দেড় বছর পর খুলল চবি, প্রাণ ফিরেছে ক্যাম্পাসে

যমজ শিশুকে এসপি অফিসে ফেলে গেলেন মা

যমজ শিশুকে এসপি অফিসে ফেলে গেলেন মা

ঝালকাঠিতে স্বামী ভরণপোষণ ও চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন না করায় আরাফ ও আয়ান নামের ১৬ মাসের দুই যমজ ছেলে সন্তানকে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে ফেলে গেলেন এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রী।

রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শিশু দুটিকে রেখে চলে যান মা সুমাইয়া আক্তার।

পুলিশ ও  শিশুদের মা কাছ থেকে জানা যায়, শিশু দুটির বাবা ইমরান হোসেন কাঁঠালিয়া থানায় পুলিশ কনস্টেবল। বর্তমানে তিনি এক মাসের প্রশিক্ষণের জন্য জামালপুরে আছেন।

২০১৯ সালের মে মাসে ঝালকাঠি সদরের খাওক্ষির গ্রামের সুমাইয়া আক্তারের সঙ্গে বিয়ে হয় কনস্টেবল ইমরানের। চলতি বছরের মার্চ মাসে স্ত্রীকে তালাক নোটিশ পাঠান ইমরান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এক নারী তার দুই ছেলে সন্তানকে নিয়ে এসপি অফিসের চেক পোষ্টের সামনে আসেন। এ সময় সেখানে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের সামনে ছেলে দুটিকে রেখে ওই নারী চলে যান।

সুমাইয়া আক্তার মুঠোফোনে জানান, গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়ে শিশু আরাফ ও আয়ান ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ভর্তি ছিল। চিকিৎসকরা শিশু দুটির বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য প্রায় ৬ হাজার টাকা লাগবে বলে জানান। বিষয়টি সুমাইয়া তার স্বামীকে জানালেও তিনি টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

তাই বাধ্য হয়ে শিশু দুটিকে নিয়ে পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিনের সঙ্গে দেখা করতে যাই। কিন্তু নিরাপত্তা কর্মীরা আমাকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়নি। তাই বাধ্য হয়ে শিশু সন্তানদের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে রেখে চলে এসেছি।

এ বিষয়ে সুমাইয়া আক্তারের স্বামী ইমরান মোবাইলে বলেন, প্রতি মাসে শিশু দুটির ভরণপোষণের জন্য তিন হাজার টাকা সুমাইয়াকে পাঠাই। কিন্তু মা হয়ে সে কিভাবে সন্তানদের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে ফেলে গেল।

ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খলিলুর রহমান বলেন, আমরা বিষয়টি দুই পরিবারের সঙ্গে কথা বলে মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করছি।

এমএম

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর