channel 24

সর্বশেষ

  • লিটনের পর ফিরলেন মেহেদি

  • বাংলাদেশ-ভারত নৌ সচিব পর্যায়ের বৈঠক বুধবার

  • জীবন পেয়ে কাজে লাগাতে ব্যর্থ লিটন

  • দেড় বছর পর খুলল চবি, প্রাণ ফিরেছে ক্যাম্পাসে

  • মৌলভীবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার

  • ধর্ম নিয়ে যেন কেউ বাড়াবাড়ি না করে: প্রধানমন্ত্রী

  • ডেঙ্গুতে আরও ১৫১ জন হাসপাতালে

  • ফরিদপুরে আওয়ামী লীগের সম্প্রীতি সমাবেশ

  • শেখ রাসেলের জাপান ভ্রমণের ছবি পোস্ট করে জন্মদিনের শুভেচ্ছা

  • টসে জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

  • সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে আজও মানববন্ধন

  • স্কটল্যান্ডের টানা দ্বিতীয় জয়

  • পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা দিতে সরকার ও গোয়েন্দারা ব্যর্থ: জিএম কাদের

  • চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে নেইমারকে পাচ্ছেন না মেসিরা

  • জাতিগত বৈষম্যমূলক মন্তব্যে গ্রেপ্তার অভিনেত্রীর জামিন

জয়পুরহাটে স্ত্রীর মামলায় কারাগারে কাস্টমস কর্মকর্তা

জয়পুরহাটে স্ত্রীর মামলায় কারাগারে কাস্টমস কর্মকর্তা

জয়পুরহাটে স্কুল শিক্ষিকা স্ত্রীর দায়ের করা যৌতুক মামলায় স্বামী কাস্টমস কর্মকর্তা জুবায়ের রহমান (৩২) কে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে স্ত্রী খাইরুন নেছার মামলায় সে আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে জয়পুরহাট চিফ জুডিসিয়াল আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর আলম জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট আদালতের ইন্সপেক্টর আব্দুল লতিফ খান।

জুবায়ের রহমান সাতক্ষীরা সদর পলাশপোল কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা। সে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার রফিকুল ইসলামের ছেলে।

মামলার বিবরণ ও আদালত সুত্রে জানা গেছে, প্রায় ৬ বছরের প্রেমের সম্পর্কের পর ২০১৪ সালে স্কুল শিক্ষিকা জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার বিনইল গ্রামের আজগর আলীর মেয়ে খাইরুন নেছার সাথে কাস্টমস এক্সাইজ এন্ড ভ্যাট অফিসের রাজস্ব কর্মকর্তা জুবায়ের রহমানের বগুড়া নোটারি পাবলিক কার্যালয়ে এফিডেফিটের মাধ্যমে বিয়ে হয়। এরপর তারা বগুড়া শহরের কলোনি এলাকায় বসবাস শুরু করেন। ২০১৮ সালে তার স্ত্রী গর্ভবতী হলে সে বেকার থাকার অজুহাতে স্ত্রীকে গর্ভপাত করায়। পরে স্ত্রীর পরিবার বিষয়টি টের পাইলে জুবায়েরকে কাবিনমূলে বিয়ে করতে বলে। ২০১৮ সালের ২৫ ডিসেম্বর সে তাকে ১৬ লক্ষ টাকা দেনমোহরে বগুড়ার কাহালু পৌরসভার কাজী অফিসে রেজিষ্ট্রি কাবিনমূলে বিয়ে করেন। জুবায়ের বেকার বলে তার বিয়ে পরিবার মেনে নেবে না মর্মে অজুহাত দেখিয়ে বিয়ের সময় সে তার ঘনিষ্টজন কাউকেও হাজির করে নাই বলে জানায়।

এমন অবস্থায় তার স্ত্রী সেই বাড়ি ছেড়ে দিয়ে বাবার বাড়িতে আসে এবং সেখানে প্রতিনিয়তই জোবায়ের শ্বশুর বাড়ি হিসেবে যাতায়াত করতো এবং স্বামী স্ত্রী একসাথে বসবাস করতো। পরে তার পরিবার বিষয়টি জানতে পারে। এদিকে পরে জুবায়েরের একটি ব্যাংকে চাকুই হয়। স্ত্রী তাকে তার বাড়িতে তুলে নেওয়ার জন্য বললে সে বারবার আশ্বাস দেয়। একপর্যায়ে সে অন্য এক নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন।

এ বিষয়টি গোপন রেখে সে তার শ্বশুর বাড়িতে যাতায়াত করতো। এরই মাঝে সে তার স্ত্রীর স্বাক্ষর করা ফাঁকা চেক বাড়ির ওয়্যারড্রপ থেকে চুরি করে নিয়ে টাকা আত্মসাৎ করে। এঘটনায় কালাই থানায় একটি মামলা হয়েছে। পরে প্রথম বিয়ে গোপন করে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানার জামুকী গ্রামের খাতিজাতুল কোবরা নামে এক নারীকে ২য় বিয়ে করেন সে। সে নারী প্রথম স্ত্রীর কথা জানতে পেরে তার সাথে বিচ্ছেদও হয়।

এদিকে এক পর্যায়ে সে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় খাইরুন নেছার সাথে। পরে তার স্ত্রী তাকে বারবার ফোনে অনুরোধ করলে সে শ্বশুর বাড়িতে এসে ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে। যৌতুক দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে সে লাঠি দিয়ে স্ত্রীকে মারপিট করে গুরুতর আহত করে। এঘটনায় তার স্ত্রী তার নামে আদালতে একটি নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলা করেন। পরে ঘটনাটি মিমংসা করার জন্য পুনরায় সেখানে আসলে আবারও ১০ লাখ টাকা দাবী করে। স্ত্রী এতে অপারগতা প্রকাশ করলে সে তাকে স্ত্রী হিসেবে অস্বীকার করে চলে যায়। পরে খাইরুন নেছা আদালতে যৌতুক আইনে একটি মামলা করেন। এ মামলায় আজ ১৪ সেপ্টেম্বর তারিখ ধার্য ছিল। আদালতে এসে সে জামিন আবেদন করলে আদালত নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আরকে

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর