channel 24

সর্বশেষ

  • পাবনায় বিদ্যুতের খুঁটি থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

  • একই দিনে পালিত হল তিন ধর্মের ধর্মীয় উৎসব

  • সহিংসতার আশঙ্কায় ভারতে স্থগিত ‘বাংলাদেশ ফিল্ম ফেস্টিভেল’

  • বাংলাদেশের সংবাদ সম্মেলন বয়কট করলেন সাংবাদিকরা

  • বাড়িতে মাদকের আসর, স্ত্রীর অভিযোগে স্বামীসহ আটক ২

  • আসামিকে ফেসবুক লাইভে জিজ্ঞাসাবাদ, ওসি প্রত্যাহার

  • মালদ্বীপ দূতাবাসে শেখ রাসেল দিবস উদযাপিত

  • ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১২ জন হাসপাতালে

  • সরকার অরাজকতা সৃষ্টি করে বিএনপির নেতাকর্মীদের নামে মামলা দিচ্ছে: ফখরুল

  • তিস্তা ব্যারেজে রেকর্ড পরিমাণ পানি ছাড়লো ভারত

  • কেরানীগঞ্জে পুলিশ কর্মকর্তার ম র দে হ উদ্ধার

  • কুমিল্লা ঘটনার মূল অভিযুক্ত সীমান্তে ঘোরাঘুরি করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • বাংলাদেশকে হারাতে পাপুয়া নিউগিনির অনুপ্রেরণা স্কটল্যান্ড

  • ট্রাকের সঙ্গে ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নি হ ত ২

  • থানায় ছাত্রলীগ নেতার আ ত্ম হ ত্যা র চেষ্টা!

উপকূলীয় অঞ্চলে খাবার পানির সংকট নিরসনে সচেষ্ট হাইসাওয়া

উপকূলীয় অঞ্চলে খাবার পানির সংকট নিরসনে সচেষ্ট হাইসাওয়া

চারদিকে থৈ থৈ পানি, শুধু খাবার পানির খোঁজ নেই। এমনই অবস্থা দেশের খুলনা বিভাগের উপকূলীয় এলাকায়। চরম দারিদ্র্যের মাঝে বসবাস করা এ অঞ্চলের মানুষের যেখানে পেট চলাই দায়, সেখানে মাইলের পর মাইল দূরে গিয়ে কিনে খেতে হয় খাবার পানিও। মাসে পরিবার প্রতি এ ক্ষেত্রে খরচ হয় কখনো কখনো হাজার টাকারও বেশি। এমনই সমস্যার সমাধানে প্রায় ১ দশক ধরে কাজ করছে সরকারের একটি অলাভজনক অর্থায়নকারি প্রতিষ্ঠান- হাইসাওয়া। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদকে সাথে নিয়ে এ অঞ্চলে তাদের বাস্তবায়িত বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধাভোগী প্রায় ৯ লাখ মানুষ।

কলকল করে সতত বয়ে চলা কপোতাক্ষের এ অংশটা সাতক্ষীরা জেলায়। সেই নদ বেয়ে আরো দক্ষিণে গেলে চোখে পড়ে উপকূলীয় এক দুর্গম জনপদ। আশাশুনি উপজেলার এ এলাকাটায় জীবন তার কোল ঘেষা খোলপেটুয়া নদীর মতই দুরন্ত চপল।

এখানকার যেদিকে চোখ যায় শুধুই পানি আর পানি। তবে খাবার পানির দেখা নেই। অতিরিক্ত লবণাক্ততায় কৃষিকাজ এখানে দুরুহ। ভৌগলিক বাস্তবতায় পুরো অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষই তাই জেলে।

এ এলাকারই শ্রীধর গ্রামের বাসিন্দা মশিউর রহমান। পেশায় দিনমজুর। একটা সময় তার দিনের বড় একটা অংশ কাটত বিশুদ্ধ পানির খোঁজে।

ছবিটা এখন বদলেছে। বাড়ির উঠোনে বসেছে জলাধার। যেখানে সংরক্ষণ হচ্ছে বৃষ্টির পানি। ঘরের ভেতরে বসানো ফিল্টারে যা পরিশোধনের পর হচ্ছে খাবার উপযোগী। পুরো এলাকারই ঘরে ঘরে তৈরি হওয়া এমন একেকটি সিস্টেমের খরচ ৪৫ হাজার টাকা। সুইস সরকার ও দাতা সংস্থা এসডিসির সহায়তার যার প্রায় পুরোটাই বহন করেছে সরকারের একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হাইসাওয়া।

দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের যেসব প্রত্যন্ত এলাকায় গভীর নলকূপ বসিয়েও লাভ হয়না সেখানে সমাধান এমন রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং। আর স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদকে সাথে নিয়ে এলাকার বৃহৎ জনগোষ্ঠীর বিশুদ্ধ পানির যোগান দিচ্ছে রিভার্স অসমোসিস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট। সবমিলিয়ে এমনসব প্রকল্পের সুবিধাভোগী খুলনার উপকূলীয় অঞ্চলের প্রায় ৯ লাখ মানুষ।

খুলনা ছাড়াও ভোলা, হাতিয়া সহ দেশের দুর্গম উপকূলীয় এলাকার ১১৮২টি ইউনিয়নে বিশুদ্ধ পানি ও নিরাপদ স্যানিটেশনের কাজ করছে হাইসাওয়া।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর