channel 24

সর্বশেষ

  • রাজধানীতে গৃহবধূর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

  • ২০২২ সালের মধ্যে দেশের ৮০ শতাংশ মানুষকে টিকা দেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

  • আফগানিস্তান ইস্যুতে বাতিল হল সার্ক পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

  • নেতাকর্মীদের সাথে ৫ম দিনের মতো বৈঠকে বিএনপি

  • ১০ মাসেই রাজশাহী মেডিকেলের চেহারা বদলেছেন ব্রি. জে. শামীম ইয়াজদানী

  • খুলনায় যৌতুক মামলায় সিআইডি কর্মকর্তা কারাগারে

  • চাঁদপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালকসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

  • সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পদ্মার ইলিশ

  • আইনি কাঠামোতে আসছে ই-কমার্স খাত

  • মহেশখালিতে রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফল পাল্টে দেয়ার অভিযোগ

  • সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কমিশনকে সর্বাত্মক ক্ষমতা দেয়া হবে: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

  • ভোটার তালিকায় নেই লোকমান, অর্ধশতাধিক নতুন মুখ

  • একাধিকবার গর্ভপাত, মাতৃত্বের স্বাদ বঞ্চিত গৃহবধূর আদালতে মামলা

  • পরিবারে বাল্য বিয়ে থাকলে ভিজিডি নয়: সংসদীয় কমিটি

  • চ্যানেল 24 ও সমকাল কার্যালয়ে এমপি নিক্সন

উপকূলীয় অঞ্চলে খাবার পানির সংকট নিরসনে সচেষ্ট হাইসাওয়া

উপকূলীয় অঞ্চলে খাবার পানির সংকট নিরসনে সচেষ্ট হাইসাওয়া

চারদিকে থৈ থৈ পানি, শুধু খাবার পানির খোঁজ নেই। এমনই অবস্থা দেশের খুলনা বিভাগের উপকূলীয় এলাকায়। চরম দারিদ্র্যের মাঝে বসবাস করা এ অঞ্চলের মানুষের যেখানে পেট চলাই দায়, সেখানে মাইলের পর মাইল দূরে গিয়ে কিনে খেতে হয় খাবার পানিও। মাসে পরিবার প্রতি এ ক্ষেত্রে খরচ হয় কখনো কখনো হাজার টাকারও বেশি। এমনই সমস্যার সমাধানে প্রায় ১ দশক ধরে কাজ করছে সরকারের একটি অলাভজনক অর্থায়নকারি প্রতিষ্ঠান- হাইসাওয়া। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদকে সাথে নিয়ে এ অঞ্চলে তাদের বাস্তবায়িত বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধাভোগী প্রায় ৯ লাখ মানুষ।

কলকল করে সতত বয়ে চলা কপোতাক্ষের এ অংশটা সাতক্ষীরা জেলায়। সেই নদ বেয়ে আরো দক্ষিণে গেলে চোখে পড়ে উপকূলীয় এক দুর্গম জনপদ। আশাশুনি উপজেলার এ এলাকাটায় জীবন তার কোল ঘেষা খোলপেটুয়া নদীর মতই দুরন্ত চপল।

এখানকার যেদিকে চোখ যায় শুধুই পানি আর পানি। তবে খাবার পানির দেখা নেই। অতিরিক্ত লবণাক্ততায় কৃষিকাজ এখানে দুরুহ। ভৌগলিক বাস্তবতায় পুরো অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষই তাই জেলে।

এ এলাকারই শ্রীধর গ্রামের বাসিন্দা মশিউর রহমান। পেশায় দিনমজুর। একটা সময় তার দিনের বড় একটা অংশ কাটত বিশুদ্ধ পানির খোঁজে।

ছবিটা এখন বদলেছে। বাড়ির উঠোনে বসেছে জলাধার। যেখানে সংরক্ষণ হচ্ছে বৃষ্টির পানি। ঘরের ভেতরে বসানো ফিল্টারে যা পরিশোধনের পর হচ্ছে খাবার উপযোগী। পুরো এলাকারই ঘরে ঘরে তৈরি হওয়া এমন একেকটি সিস্টেমের খরচ ৪৫ হাজার টাকা। সুইস সরকার ও দাতা সংস্থা এসডিসির সহায়তার যার প্রায় পুরোটাই বহন করেছে সরকারের একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হাইসাওয়া।

দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের যেসব প্রত্যন্ত এলাকায় গভীর নলকূপ বসিয়েও লাভ হয়না সেখানে সমাধান এমন রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং। আর স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদকে সাথে নিয়ে এলাকার বৃহৎ জনগোষ্ঠীর বিশুদ্ধ পানির যোগান দিচ্ছে রিভার্স অসমোসিস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট। সবমিলিয়ে এমনসব প্রকল্পের সুবিধাভোগী খুলনার উপকূলীয় অঞ্চলের প্রায় ৯ লাখ মানুষ।

খুলনা ছাড়াও ভোলা, হাতিয়া সহ দেশের দুর্গম উপকূলীয় এলাকার ১১৮২টি ইউনিয়নে বিশুদ্ধ পানি ও নিরাপদ স্যানিটেশনের কাজ করছে হাইসাওয়া।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর