channel 24

সর্বশেষ

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সহিংসতায় পুড়েছে ১০ ধরনের টিকা, ব্যাহত হচ্ছে টিকাদান

  • শিবচরে লুডু খেলা নিয়ে সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু

  • কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার প্রতিবাদে আবারো উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র

  • ভারতে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত ২ লাখ, মৃত্যু ১০২৭

  • মিশরে ট্রেন ও সড়ক দুর্ঘটনা নিহত ৩৬

  • লকডাউনে বিপাকে নিম্নআয়ের মানুষ

  • সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে আব্দুল মতিন খসরুর জানাজা সম্পন্ন

  • চলমান লকডাউনে দ্বিতীয় দিনেই রাস্তায় মানুষের চাপ

  • চট্টগ্রামে নিম্নআয়ের মানুষের নাগালের বাইরে টিসিবি পণ্য

  • গোবিন্দগঞ্জে কাভার্ডভ্যানের চাপায় একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪

  • চলমান লকডাউনের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন জনস্বাস্থ্যবিদদের

  • দ্বিতীয় ঢেউয়ে আরও ভয়ংকর করোনা, হাসপাতালে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত সেবা

  • লকডাউনে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে অনলাইন কেনাকাটা

  • লকডাউনে ম্লান ঢাকার ইফতার বাজার

  • বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনটি ঘরে কাটলো বাঙালির

পাল্টাপাল্টি খুনে ত্রাসের রাজত্ব বগুড়ার শাজাহানপুর

পাল্টাপাল্টি খুনে ত্রাসের রাজত্ব বগুড়ার শাজাহানপুর

খুনের বদলা খুন। চলে আসছে গত দুই দশক ধরে। আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ের নেপথ্যে যারা তারাই এখন বেঁচে নেই। কিন্তু তাদের অনুসারিরা ঠিকই টিকিয়ে রেখে হত্যা আর বদলার রাজ্যত্ব। বলছি বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার ফুলতলা এলাকার গল্প। যেখানে নির্বিকার প্রশাসনও।

২২ ফেব্রুয়ারি ফুলতলা বাজারে প্রকাশ্যে প্রতিপক্ষের হাতে খুন হন হত্যা মামলার আসামি ফোরকান আলী। যিনি শীর্ষ সন্ত্রাসী শাহীন বাহিনীর অন্যতম সদস্য। তাকে হত্যার অভিযোগ মজনু বাহিনীর বিরুদ্ধে। কি নিয়ে দ্বন্দ্ব আর কেনই বা খুন? যেতে হবে দুই দশক পেছনে। 

বগুড়ার ফুলতলাকে নিয়ন্ত্রণে নিতে বিশেষ সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তোলেন জেলা যুবলীগ নেতা আমিনুর রহমান শাহিন। নিহত ফোরকান তারই মামাতো ভাই। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ চাঁদাবাজি, টেন্ডার বাণিজ্য, দখলসহ নানা অপরাধের রাজ্য গড়ে তুলছিলো। 

কিছু দিন না যেতেই মাঠে প্রতিপক্ষ। শাজাহানপুর উপজেলা যুবলীগ নেতা মজনু মিয়া গড়ে তোলেন মজনু বাহিনী। শুরু হয় এলাকা নিয়ন্ত্রণে দুপক্ষের শক্তির লড়াই।
   
২০০০ সালে শাহীন বাহিনীর হাতে প্রথম খুন হন মজনুর বাবা শুকুর আলী। বদলা হিসেবে মজনু বাহিনী ২০০৬ সালে শাহীন গ্রুপের জাহাঙ্গীরকে হত্যা করে। একটা সময় দুই বাহিনীর প্রধান শাহীন ও মজনুও নিহত হন।

বাহিনী প্রধানরা না থাকলেও অনুসারিরা টিকিয়ে রেখেছে ঘাত প্রতিঘাতের সংস্কৃতি। ক্ষমতার রেশারেশীতে এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা গিয়ে ঠেকেছে ১০-এ। অভিযোগ পাওয়া যায় ক্ষমতাশীনদের ছত্রছায়ায় দুই বাহিনী টিকে আছে। যদিও এমন দাবির বিষয়টি নিয়ে নাখোশ স্থানীয় আওয়ামী লীগ। আর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে বলে দায় সারছে পুলিশও।

আসছে ২৮ ফেব্রুয়ারি পৌর নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে লড়ছেন মজনু বাহিনীর বর্তমান নিয়ন্ত্রক নাদিম প্রামাণিক। যদিও ফোরকান খুনের পর গা ঢাকা দিয়েছেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর