channel 24

সর্বশেষ

  • ৭ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বসিকের সাবেক মেয়র কামাল জামিনে মুক্ত

  • পদ্মার পানিতে বিলীন পাটুরিয়া ২নং ঘাট, হুমকিতে বাকি চারটিও

  • মৌলভীবাজারে শ্লীলতাহানীর অভিযোগে ইমাম কারাগারে

  • পরীমণি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ

  • কমেছে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর, কৃত্রিম জলাধারে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের উদ্যোগ

  • পচা গম মিশিয়ে কুষ্টিয়ায় উৎপাদন হচ্ছে আটা-ময়দা

  • দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও ৫৩ হাজার গৃহহীন পরিবার পাচ্ছে ভূমিসহ ঘর

  • স্বাস্থ্যবিধি মেনে পর্যটন স্পট খুলে দেয়ার দাবি ব্যবসায়ীদের

  • ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন

  • সূচকের ধারাবাহিকতায় গতি ফিরছে পুঁজিবাজারে

  • ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন কাল, প্রার্থীদের বেশিরভাগই কট্টর ও রক্ষণশীল

  • নরসিংদীতে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ আহত পাঁচজন

  • রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসন না হলে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • টিকা পেতে ১১ লাখ শিক্ষার্থীর তালিকা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে

  • বিধিনিষেধের মেয়াদের সাথে বাড়ছে করোনায় মৃত্যু

অবৈধ ক্লিনিক-হাসপাতালের বিরুদ্ধে মাঠে নামার তোড়জোড় প্রশাসনের

অবৈধ ক্লিনিক-হাসপাতালের বিরুদ্ধে মাঠে নামার তোড়জোড় প্রশাসনের

ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু কিংবা অদক্ষ চিকিৎসক দিয়ে চলছে প্রতিষ্ঠান। গণমাধ্যমে এমন নানা শিরোনাম হয় প্রতিনিয়ত। গভীরে গেলে মেলে হাসপাতাল বা ক্লিনিকের বৈধ-অবৈতার প্রশ্ন। এবার তাদের বিরুদ্ধে আঁটসাট বেধে নামছে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্তারা। তবে সাধারণ মানুষ ও বিশ্লেষকরা বলছেন, লোক দেখানো অভিযান না করে কঠোর পদক্ষেপই পারে স্বাস্থ্যখাতকে নিরাময় করতে।

বুধবার দুপুরে প্রসব ব্যাথা নিয়ে বেসরকারি রাবেয়া হাসপাতাল অ্যান্ড ক্লিনিকে ভর্তি হন ঝিনাইদহের মুক্তি খাতুন। কিছু সময় গেলে মুক্তি খাতুনকে সিজারের সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসক। এরপর নবজাতক নিয়ে নার্স এলেন। যদিও গুরুতর অবস্থা মায়ের। একপর্যায়ে তাকে কুষ্টিয়া নিয়ে যাওয়ার পায়তারা করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পরিবারের জোরাজুরিতে মুক্তিকে নেয়া হয় জেলা সদর হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

গত ৯ ও ৬ অক্টোবর মাদারীপুরের ডিজিটাল এ্যাপোলো হাসপাতাল এবং সিটি হাসপাতালের বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ মেলে। এখানেও ভুল চিকিৎসায় প্রাণ দিতে হয়ে দুই প্রসূতিকে। খুঁজলে স্বাস্থ্য সেবার এমন দুর্গতির গল্প মিলবে ৫৬ হাজার বর্গ মাইলের দেশের প্রতিটি ওলি গলিতেই। সারাদেশে জালের মত ছড়িয়ে থাকা ক্লিনিক আর হাসপাতালে স্বাস্থ্য সেবার হাল অনেকটাই অস্বাস্থ্যকর। রয়েছে বৈধ-অবৈধের প্রশ্নও।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, 'এইসব বিষয়গুলোকে আয়ত্তে আনতে আমরা জরুরি মিটিং করে একটি কমিটি গঠন করেছি।'

সেসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে এবার অভিযানের বুলি সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মুখে। কিন্তু তাতেও কি মিলবে কোনো সমাধান! 

চট্টগ্রামের সাবেক সিভিল সার্জন ডা. সরফরাজ খান চৌধুরী বলেন, 'নিয়মিত অভিযান চলছে তবে আরও তদারকি হতে হবে। জেলা উপজেলার কর্মকর্তা আছেন, তাদেরও এগিয়ে আসতে হবে।'

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যে সারাদেশে অনুমোদিত হাসপাতাল ক্লিনিক রয়েছে ৬ হাজারের উপরে। এরমধ্যে নতুন নিবন্ধনের তালিকা হয়েছে ১৩ হাজারের বেশি আর নবায়ণের অপেক্ষায় ৪ হাজারের উপরে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর