channel 24

সর্বশেষ

  • যুক্তরাষ্ট্রে করোনার টিকা প্রদান শুরু হতে পারে ১১ ডিসেম্বর

চুয়াডাঙ্গায় অফসলি জমিকে বছর না ঘুরতেই ফসলি জমির সনদ কৃষি অফিসের

চুয়াডাঙ্গায় অফসলি জমিকে বছর না ঘুরতেই ফসলি জমির সনদ কৃষি অফিসের

মাঠে ফসল থাকা সত্ত্বেও গেল বছর চুয়াডাঙ্গার কৃষ্ণপুরের ১শ ৮০ একর জমিকে অফসলি বলেছিল উপজেলা কৃষি অফিস। এরপর সেখানে সিদ্ধান্ত হয় সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের। কিন্তু বছর না ঘুরতেই কৃষকদের আন্দোলনের মুখে এসব জমি ফসলি হিসেবে সনদ দিয়েছে একই অফিস। এমন প্রতিবেদনে বিব্রত কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। বলছেন কৈফিয়ত চাওয়া হবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে।

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের কৃষ্ঞপুর গ্রামের ১৮০ একর জমি। মাঠে ফসল থাকলেও কাগজে-কলমে অফসলি বলেছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ। 

তাই সিঙ্গাপুরের সাইক্লেক্ট এনার্জি পিটিই কোম্পানির পরিকল্পনা ৫০ মেগাওয়াটের সোলার বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের। 

তবে স্থানীয়দের দাবি, এসব জমি তিন ফসলী। বছরজুড়ে চাষ হয়, ফলমুলসহ বিভিন্ন ধরণের সবজি। তাই যক্ষের ধন রক্ষায় পালন করছেন মানববন্ধনসহ নানা কর্মসুচি। 

তাদের অভিযোগ আমলে নিয়ে তদন্ত করে প্রশাসন। গেল ৮ তারিখ জমা দেয়া প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তের আওতায় থাকা ১৪০ একর জমিতে আছে চীনাবাদাম, ৩০ একরে পেয়ারা, ৩ একরে আমন, সাড়ে তিন একরে সবজি এবং অন্যান্য ফসল আছে আরো তিন একরে। 

সময়ের ব্যবধানে একই অধিদপ্তরের বিপরীতমুখী প্রতিবেদন কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলছেন, এ ব্যাপারে কৈফিয়ত তলব করা হবে। 

কৃষি জমিতে কোন ভাবেই অকৃষিজ প্রকল্প নয়, প্রধানমন্ত্রীর এমন নির্দেশনা স্মরণ করে এই কৃষিবিজ্ঞানী বলছেস, এমনটা হলে দেশে কৃষির জন্য হবে চপেটাঘাত। 

চুয়াডাঙ্গা জেলায় মস্য নিবিড়তা ২৬১ শতাংশ। যদিও সারা দেশে গড়ে তা ২শ শতোংশের নিচে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর