channel 24

সর্বশেষ

  • যুক্তরাষ্ট্রে করোনার টিকা প্রদান শুরু হতে পারে ১১ ডিসেম্বর

ইউনিয়নভিত্তিক বাহিনীর কাছে জিম্মি পুরো বেগমগঞ্জ

ইউনিয়নভিত্তিক বাহিনীর কাছে জিম্মি পুরো বেগমগঞ্জ

যেন সন্ত্রাসের জনপদ নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ। উপজেলার ৮টি ইউনিয়নেই গড়ে উঠেছে আলাদা ক্যাডার বাহিনী। যাদের অত্যাচারে অতিষ্ট বাসিন্দারা। কিন্তু ভয়ে মুখ খোলে না কেউ।

ছবিতে দেখা যায়, বেগমগঞ্জের শরিফপুর ইউনিয়নের সুজন বাহিনীর ক্যাডার শাকিলের হাতে আধুনিক পিস্তল, নায়কোচিত মুখভঙ্গি। শটগান হাতে আরেক কিশোরও বেগমগঞ্জের। যাদের প্রায়ই দেখা যায় অস্ত্র হাতে।

একটি গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য থেকে জানা যায়, বেগমগঞ্জ উপজেলার আট ইউনিয়নেই গড়ে উঠেছে অস্ত্রধারী ক্যাডার গ্রুপ।

আলাইয়ারপুরে টিটু বাহিনী; একলাশপুরে রাসেল বাহিনী, যার অন্যতম ক্যাডার দেলোয়ার। চৌমুহনী পৌরসভায় রাজ করে সম্রাট বাহিনী, সুমন বাহিনী; পৌর আওয়ামী লীগের একাংশের আহ্বায়াক জাহাঙ্গীর ও জুয়েল; গোপালপুরে মাসুম; শরিফপুরে সুজন বাহিনী; মিরওয়ারিশপুরে জাকির আর জিরতলীতে মিলন। এদের প্রায় সবাই ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতির সাথে জড়িত।

অভিযোগ আছে, নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে এলাকাভিত্তিক এসব ক্যাডার বাহিনী গড়ে তোলেন রাজনৈতিক নেতারা। তবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এর দায় নিতে নারাজ।

একলাশপুরের ঘটনার অন্যতম অভিযুক্ত দেলোয়ারের সাথে সংসদ সদস্যের ছবি নানা আলোচনার জন্ম দিলেও, নোয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মামুনুর রশীদ কিরন বলছেন, ছবি থাকলেই কেউ মদদদাতা হয়ে যায় না।

চৌমুহনী পৌরসভার মেয়র আক্তার হোসেন ফয়সলের দাবি, যারা অপকর্ম করে তারা সব সময়ই ক্ষমতার ছায়ায় থাকতে চায়। দায় না নিয়ে বললেন, এ ধরনের কর্মীদের থেকে সতর্ক হতে হবে নেতাদের।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিম বলেছেন, সব দায় কেন রাজনীতিবিদদের নিতে হবে? রাষ্ট্রযন্ত্রের অন্যান্য অংশের দিকেও অভিযোগের তীর ছোঁড়েন তিনি।

এ ধরনের কর্মীদের দল থেকে ছেঁটে ফেলারও তাগিদ অভিজ্ঞ এই রাজনীতিবিদের।

নিউজটির ভিডিও প্রতিবেদন-

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর