channel 24

সর্বশেষ

  • ঈদের তৃতীয় দিনেও শূন্যতা নগরীতে

  • রাজধানীতে ফিরছে মানুষ, ৩০ মে'র পর বাড়ছে না ছুটি

  • দুর্যোগে নিরাপদ দুরত্বে অবস্থান করাই বিএনপির রাজনীতি: কাদের

  • নিজের করোনা রিপোর্টে স্বাক্ষর করলেন নিজেই!

  • ৩০ মে'র পর বাড়ছে না সাধারণ ছুটি

  • এক্সিম ব্যাংকের এমডিকে হত্যাচেষ্টা, জানেনা কেন্দ্রীয় ব্যাংক

  • ঈদে থানায় প্রীতি ভোজ: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড়

  • ডলফিনের সবচেয়ে বড় বিচরণক্ষেত্র হালদা নদীই যেন এখন মৃত্যুকুপ

  • করোনায় দেশে আরও ২২ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১৫৪১

  • শুরু থেকে লকডাউন দিলে পরিস্থিতি এতোটা ভয়োবহ হতো না: ফখরুল

  • তামিম ইকবালের সাথে একান্ত আলাপচারিতায় চ্যানেল ২৪

  • আম্পানে বাঁধ ভেঙ্গে ভেসে গেছে ৪ হাজারেরও বেশি চিংড়ি ঘের

  • মুন্সিগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাইক্রোবাস খাদে পড়ে নিহত ৩

  • কৃষি বিজ্ঞানী ও কর্মকর্তাদের প্রণোদনার কথা ভাবছেন কৃষিমন্ত্রী

  • দিনাজপুরে বিষাক্ত মদপানে ৪ জনের মৃত্যু, অসুস্থ ১

নারায়ণগঞ্জে ডিসি, সিভিল সার্জনসহ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা হোম কোয়ারেন্টিনে

নারায়ণগঞ্জে ডিসি, সিভিল সার্জনসহ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা হোম কোয়ারেন্টিনে

নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক, জেলা করোনা ফোকাল পার্সন ও সিভিল সার্জনসহ প্রশাসনের উচ্চ পদস্থ কয়েকজন কর্মকর্তা সর্দি কাশি ও ঠান্ডাজনিত রোগে অসুস্থ হয়ে হোমকোয়ারেন্টাইনে আছেন। বৃহস্পতিবার এই কর্মকর্তাদের কাউকেই তাদের কর্মস্থলে পাওয়া যায়নি।

কর্মকর্তাদের কার্যালয়ের কয়েকজন জানিয়েছেন, তারা নিজ নিজ বাসায় অবস্থান করছেন। তবে জেলা প্রশাসক মো: জসিম উদ্দিনেরর করোনার নমুনা পরীক্ষায় রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সেলিম রেজা।

বুধবার রাতে জাতীয় ও স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার হয়, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন ও সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন। জেলা প্রশাসকের নমুনা পরীক্ষা করতে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত হতে বৃহস্পতিবার বেলা এগারোটা থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন ও সদর উপজেলা কায্যালয়ে গিয়ে থমথমে পরিবেশ পরিস্থিতি দেখে এর সত্যতার প্রমান মেলে। জেলার এই শীর্ষ কর্মকর্তাদের কার্যালয়ের চিত্র অন্যান্য দিনের চেয়ে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। জেলা প্রশাসক মো: জসীম উদ্দিনের কার্য্যালয়ে নিরাপত্তাকর্মী বিহীন প্রধান ফটকে তালা লাগানো দেখা যায়।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলমের কার্যালয়ে গিয়ে জানা যায়, তিনি বাড়িতে অবস্থান করছেন। অন্যান্য অতিরিক্ত পুলিশ সুপারদের কারোরই দেখা মেলেনি। জেলা করোনা ফোকাল কর্মকর্তা এবং সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কর্মকর্তা ডা. জাহিদ্লু ইসলামের খবর জনাতে সদর উপজেলা কার্যালয়ে গিয়ে তালা ঝুলতে দেখা যায়। তিনিসহ সদর ইউএনও নাহিদা বারিক নিজ বাসায় অবস্থান করছেন বলে জানা যায়।

সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজসহ আরো কয়েকজন কর্মকর্তা হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন বলে চ্যানেল ২৪ কে জানান সেখানকার কয়েকজন কর্মকর্তা। এই পরিস্থিতিতে নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে আশংকার কথাও জানান তারা।

হোম কোয়ারেন্টাইনের বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: মনিরুল ইসলাম জানান, পাড়া মহল্লায় জনসমাগম রোধ করতে প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সশস্ত্র বাহিনী যৌথভাবে কাজ করছে।

এদিকে করোনা পরিস্থিতি ও নিয়ন্ত্রনে নারায়ণগঞ্জে দ্বিতীয় দিনেরমত লকডাউন চললেও রাস্তায় এবং নগরীর বিভিন্ন পাড়া মহল্লাগুলোতে মানুষের চলাচল লক্ষ্যনীয়। প্রয়োজন ছাড়াও নানা অজুহাতে মানুষকে অবাধে বাইরে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে। রিকশা, মোটর সাইকেল ছাড়াও ভারী যানবাহনও চলাচল করছে। কিছু কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান খোলা রাখতেও দেখা যায়।

তবে কেউ কেউ জানান, খাদ্য সামগ্রী কিনতে এবং কর্মস্থলে যোগদান করতে বের হয়েছেন তারা। তবে লকডাউন বাস্তবায়ন করতে পুলিশের পাশাপাশি কঠোর অবস্থানে রয়েছে সেনাবাহিনী ও র‌্যাব।

র‌্যাব-১১ সিনিয়র সহকারি পরিচালক আলেপ উদ্দিন জানান, লকডাউন বাস্তবায়ন ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে র‌্যাব সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সকল গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট সীলগালাসহ নজরদারি বাড়ানোর কথা জানান র‌্যাবের এই কর্মকর্তা।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জে করোনা ভাইরাসে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের। আক্রান্ত হয়েছেন সদর জেনারেল হাসাপাতালে চিকিৎসক ও দুইজন স্বাস্থ্যকর্মীসহ আরো ৫৯ জন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর