channel 24

সর্বশেষ

  • আম্পানে বাঁধ ভেঙ্গে ভেসে গেছে ৪ হাজারেরও বেশি চিংড়ি ঘের

  • মুন্সিগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাইক্রোবাস খাদে পড়ে নিহত ৩

  • কৃষি বিজ্ঞানী-সম্প্রসারণ কর্মী ও কৃষকদের সমন্বয় খুবই জরুরি: কৃষিমন্ত্রী

  • দিনাজপুরে বিষাক্ত মদপানে ৪ জনের মৃত্যু, অসুস্থ ১

  • ঝড়-বৃষ্টিতে রাজধানীর বেশ কিছু স্থানে গাছ উপড়ে পড়ে যান চলাচল বন্ধ

  • করোনায় থমকে গেছে কমিউনিটি সেন্টার ও কনভেনশন হলের ব্যবসা

  • করোনা মহামারীর নতুন কেন্দ্র: পেলে, রোনালদো, নেইমারদের দেশ ব্রাজিল

  • নিজের আইনজীবীর কাছে মামলার ভবিষ্যত জানতে চান খালেদা জিয়া

  • করোনায় মৃতের পাশে নেই স্বজনরা, দাফন-সৎকারে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন

  • করোনায় যুক্তরাষ্ট্রে মৃতের সংখ্যা লাখ ছাড়ালো

  • করোনায় বিশ্বজুড়ে প্রাণহানি ছাড়িয়েছে সাড়ে ৩ লাখ

  • দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতসহ ঝড়-বৃষ্টিতে দেয়াল ধসে নিহত ৪

  • অবসর নয়, টেস্ট দলে ফেরার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে: মাহমুদুল্লাহ

  • ভারতের পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলের ৫ রাজ্যে পঙ্গপালের হানা

  • মাধবপুরে জমি দখল নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১০

চিকিৎসক ও রোগীশূণ্য কুষ্টিয়া ও জামালপুরের সরকারি হাসপাতালগুলো

চিকিৎসক ও রোগীশূণ্য কুষ্টিয়া ও জামালপুরের সরকারি হাসপাতালগুলো

করোনা আতঙ্কে রোগীশূণ্য কুষ্টিয়া ও জামালপুরের সরকারি হাসপাতালগুলো। দেখা মিলছে না চিকিৎসক ও নার্সদেরও। ব্লাড ব্যাংক, প্যাথলজি বিভাগ এবং বেশির ভাগ চিকিৎসকের কক্ষে ঝুলছে তালা। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, তারা নিয়মিত সেবা দিচ্ছেন তারা। করোনা আতঙ্কে রোগীরাই হাসপাতালমুখী হচ্ছেন না।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল। আড়াইশো শয্যার এই হাসপাতালে শুধু কুষ্টিয়াই নয়, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গাসহ আশেপাশের জেলার মানুষেরও ভরসাস্থল।

অথচ করোনা আতঙ্কে এই হাসপাতালই এখন রোগীশূন্য। নেই চিকিৎসক কিংবা স্বাস্থ্যকর্মীও। মোবাইলে সেবা দেয়ার কথা বলা হলেও, মিলছে না তাও।

রোগীর এ চাপ গিয়ে ঠেকেছে বেসরকারি হাসপাতালে। সব খোলা না থাকলেও, কিছু বেসরকারি হাসপাতালে সেবা দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

কুষ্টিয়ার আদ্ব-দীন হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. নাসরিন জাহান বলেন, মানবিক দিক থেকে এবং দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই আমরা রোগী দেখছি।

সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে চিকিৎসা সেবার বেহাল দশায় ক্ষোভ জানান স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কুষ্টিয়া ৩ এর সংসদ সদস্য  মাহবুবউল আলম হানিফ। তিনি বলেন, এটা দেশের দূর্যোগ, প্রশাসনের সবার সহযোগিতাতেই এটা মোকাবেলা করতে হবে।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আরএমও তাপস কুমার সরকার বলেন, এখানে ২৪ঘন্টা চিকিৎসক আছেন। ঠান্ডা-কাশির রোগীদের জন্য আমাদের আলাদা ইউনিট গঠন করা হয়েছে, সেখানে তাঁরা চিকিৎসা নিচ্ছেন।

একই অবস্থা জামালপুরের জেনারেল হাসপাতালসহ প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের। দুয়েকজন রোগী অপেক্ষায় থাকলেও, দেখা মিলছে না চিকিৎসকের। ব্লাড ব্যাংক, প্যাথলজি বিভাগ এবং বেশিরভাগ চিকিৎসকের কক্ষেই ঝুলছে তালা।

যদিও চিকিৎসক ও নার্সদের দাবি, তারা নিয়মিত সেবা দিচ্ছেন। তবে করোনা আতঙ্কে রোগীরাই হাসপাতালমুখী হচ্ছেন না।

প্রসূতি আর অপারেশনের রোগী ছাড়া অন্য কেউ ভর্তি থাকছেন না হাসপাতালে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর