channel 24

সর্বশেষ

  • করোনার সম্মুখ যোদ্ধা গণমাধ্যমকর্মী ও পুলিশের ঈদ

  • বিষাদের ঈদ: নিম্নআয়ের অনেকের ঘরেই জ্বলেনি চুলা

  • একটু স্বস্তির খোঁজে শেষ বিকেলে রাজধানীর হাতিরঝিলে মানুষের ভিড়

  • করোনায় চিকিৎসক আর স্বাস্থ্যসেবীদের ঈদ কাটছে পরিবার ছাড়াই

  • হাঁটুপানিতে ঈদের নামাজ আদায় ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্তদের

  • বৈশাখী টেলিভিশনের সিনিয়র সাংবাদিক অশোক চৌধুরী সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত

  • করোনা ভয় উপেক্ষা করেই সাবেক সংসদ সদস্য মকবুলের জানাজায় হাজারো মানুষ

  • খবর পেলেই করোনায় মৃতদের দাফন বা সৎকারে ছুটে যান কাউন্সিলর খোরশেদ

  • পবিত্র ঈদুল ফিতরে দুঃসময় কাটিয়ে সুদিন ফেরার প্রার্থনা

  • দেশে করোনায় আরও ২১ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১৯৭৫

  • কাজী নজরুল ইসলামের ১২১তম জন্মবার্ষিকী আজ

  • ঈদ আনন্দে বেদনার ছাপ; জামাতে মানা হয়নি শারীরিক দূরত্ব

  • ঈদেও কর্মব্যস্ত করোনার সম্মুখ যোদ্ধারা; স্বজনহারাদের হৃদয়ে বিষাদের সুর

  • ঈদের নামাজে সেজদারত অবস্থায় ইমামের মৃত্যু

  • বিশ্বজুড়ে অব্যাহত করোনায় মৃত্যুর মিছিল

নারীকে দাফনের পর জানা গেলো করোনা আক্রান্ত; ১০০ পরিবার লকডাউনে

নারীকে দাফনের পর জানা গেলো করোনা আক্রান্ত; ১০০ পরিবার লকডাউনে

এক নারীর মৃত্যুর পরে দাফনের পর জানা গেলো তিনি করোনা আক্রান্ত। পরে ওই এলাকার ১০০ পরিবারকে করেছেন উপজেলা প্রশাসন। ঘটনাটি ঘটেছে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার রসুলবাগে।

জেলা সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে উপজেলা প্রশাসন বন্দর উপজেলার রসুলবাগের একাংশ লকডাউন করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) শুক্লা সরকার জানান, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ওই নারীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর রসুলবাগ এলাকায় লকডাউন করে দেওয়া হয়। বলেন, পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত এই এলাকার ১০০ পরিবার লকডাউনে থাকবে।

জানা যায়, গত রোববার (২৯ মার্চ) রসুলবাগ এলাকার ৫০ বছর বয়সী এক নারীকে জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় স্বজনরা। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ওই নারীকে রাজধানীর কুর্মিটোলা হাসপাতালে নেয়ার পরামর্শ দেয়। কিন্তু তারা কুর্মিটোলা হাসপাতালে না নিয়ে বাড়িতে ফেরত নিয়ে আসে। পরদিন ওই নারী আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে রাজধানীর কুর্মিটোলা হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। কুর্মিটোলা হাসপাতাল ওই নারীর নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআরে পাঠায়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে আইইডিসিআরের পরীক্ষায় ওই নারীর করোনাভাইরাস পজেটিভ আসলে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ওই এলাকা লকডাউন করার সিদ্ধান্ত নেয়।

মৃত্যুর পর স্বজনরা স্বাভাবিক মৃত্যু মনে করে ওই নারীর লাশ বন্দর উপজেলার স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করেন।

ইউএনও শুক্লা সরকার জানান, লকডাউনে থাকা পরিবারের সদস্যদের কাছে ইউএনও, সিভিল সার্জন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও ওসিসহ সবার মোবাইল নম্বর দিয়ে দেয়া হয়েছে। যাতে অন্যকারো মধ্যে করোনা রোগের উপসর্গ দেখা দিলে জানাতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর