channel 24

সর্বশেষ

  • চলে গেলেন সাবেক ফুটবলার এস এম সালাউদ্দিন

  • বিদেশি কোচদের সাথে চুক্তি পুর্নবিন্যাস করবে বিসিবি

  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না খোলার সিদ্ধান্তে উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা

  • ট্রেনে কিছুটা মানলেও লঞ্চে উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি

  • দীর্ঘতম ছুটি শেষে স্বরূপে রাজধানী

  • সাতক্ষীরায় বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে ১ জনের মৃত্যু, আহত ২ শিশু

  • খুলনায় প্লাজমা থেরাপি দেয়া করোনা রোগীর মৃত্যু

  • বিদ্যুতের বাড়তি বিল হলে পরবর্তীতে সমন্বয় করা হবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

  • ২ মাস পর চালু হল পুঁজিবাজারে লেনদেন; সূচকে ইতিবাচক ধারা

  • কুষ্টিয়ায় নিজে রান্না করে অসহায় মানুষকে খাবার দিচ্ছেন কলেজ ছাত্রী

  • জিপিএ-৫ না পাওয়ায় ছাত্রীর আত্মহত্যা

  • স্বাস্থ্যবিধি মেনে ট্রেন চলাচল শুরু

  • এসএসসির ফলাফল এসএমএস ও অনলাইনে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নেই উল্লাসের রঙ

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রিভলবার ও গুলিসহ যুবলীগ নেতা আটক

  • চট্টগ্রামে রাস্তায় নেমেছে বাস; বাড়তি ভাড়া আদায়

যমুনা নদীর ভাঙন ঠেকাতে জামালপুরে ১৫ মাসেও শেষ হয়নি বাঁধের কাজ

যমুনা নদীর ভাঙন ঠেকাতে জামালপুরে ১৫ মাসেও শেষ হয়নি বাঁধের কাজ

জামালপুরের ইসলামপুরে যমুনার ভাঙনরোধে উদ্যোগ নিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। তবে ৬ মাসের সময়সীমা বেঁধে দিলেও ১৬ কোটি টাকার বাঁধ নির্মাণ হয়নি ১৫ মাসেও। ধীরগতির সাথে মাটির বদলে বালু ব্যবহারেরও অভিযোগ আছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। যদিও সাব ঠিকাদারের দাবি, বালুর বাঁধই টেকসই বেশি। আর পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, দ্রুতই শেষ হবে বাঁধ নির্মাণ কাজ।

যমুনার ভাঙনরোধে জামালপুরের ইসলামপুরে ক্রস ড্যাম নির্মাণের কাজ দেয়া হয় তমা কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেডকে। ৬ মাসের সময় নিয়ে ২০১৮ সালের ২০ নভেম্বর এটির কাজ শুরু করেন, সাব ঠিকাদার স্থানীয় এমপির ভাই মাসুম খান। কিন্তু ১৫ মাস পার হলেও কাজ হয়েছে মাত্র ৭০ ভাগ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদার কিংবা তার কোন প্রতিনিধি প্রকল্প এলাকায় আসেননি এতদিনেও। তদারকি নেই পানি উন্নয়ন বোর্ডেরও। ফলে মাটি দিয়ে বাঁধ নির্মাণের কথা থাকলেও হচ্ছে বালু দিয়ে।

এলাকাবাসী জানান, বাড়িঘর নদীর মাঝে বলীন হয়ে গেছে। নদীর পাড়ে বসে কান্নাকাটি করছি, কেউ সহযোগিতা করে নাই। এই প্রকল্পটা অনেকদিন ধরে চলছে কিন্তু কাজ শেষ হচ্ছে না।

বাঁধের কাজ সময়মতো শেষ না হওয়ায় এরইমধ্যে নদীতে চলে গেছে হাজারের বেশি বাড়িঘর ও স্থাপনা।

মাটির চেয়ে বালুর বাঁধ টেকসই বলছেন সাব ঠিকাদার মাসুম খান। আর অনিয়মের ব্যাপারে কিছুই জানেন না এমন দাবি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তার।

জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবু সাঈদ বলেন, আশা করছি আমাদের এই বাধঁটির কাজ এই বছর সম্পন্ন হবে। এবং আমরা অত্যন্ত আশাবাদী এই বাধঁটি অত্যন্ত টেকসই হবে।

পানি ও নদী বিশেষজ্ঞ সাজিদুর রহমান সরদার বলেন, বালির বাধঁ দিয়ে পানি আটকে রাখা যাবে না। কারণ বালির ভেতর দিয়ে পানি ঢুকে যায়। আমার মূল কাজ হচ্ছে পানিটাকে আটকে রাখা।

১২'শ মিটার দৈর্ঘ্যের এ বাঁধ তৈরী হলে নদী ভাঙনরোধসহ চরের জমি চাষযোগ্য হবে বলে আশা স্থানীয়দের।

 

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর