channel 24

সর্বশেষ

  • জামিন পেলেন লঙ্কান ক্রিকেটার কুশল মেন্ডিস

  • প্লেব্যাক সম্রাট এন্ড্রু কিশোর

  • বানের পানিতে তলিয়েছে ৫০ হাজার হেক্টর জমির ফসল

  • প্রস্তুতির জন্য অন্তত তিন সপ্তাহ সময় চান সৌম্য সরকার

  • কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোর আর নেই

  • লাইসেন্সবিহীন রিজেন্ট হাসপাতালকে করোনা চিকিৎসায় সরকারি অনুমোদন

  • দ্বিতীয় দফার সংক্রমণে বেহাল দশা যুক্তরাষ্ট্র, চীন, নিউজিল্যান্ড ও ইরানের

  • ইংলিশ লিগে আজ মুখোমুখি এভারটন ও টটেনহ্যাম

  • সূচক কিছুটা গতিশীল হলেও বড় পরিবর্তন নেই লেনদেনে

  • রংপুর অঞ্চলে আউশের আবাদে রেকর্ড

  • ইংল্যান্ডে দু'দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলছেন পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা

  • করোনার ভুয়া টেস্ট রিপোর্ট দিতো রিজেন্ট হাসপাতাল

  • রিজার্ভ থেকে ঋণ নিয়ে উন্নয়ন কাজে লাগানো যায় কিনা, তা ভেবে দেখার পরামর্শ

  • আর্থিক সংকটে পাইওনিয়ার লিগ খেলা ফুটবলাররা

  • খুলনার সেই সালামকে মুক্তির নির্দেশ আদালতের

হাসপাতাল রূপ নিয়েছে মাদকসেবীদের আখড়ায়!

হাসপাতাল রূপ নিয়েছে মাদকসেবীদের আখড়ায়!

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার জগদল ২০ শয্যা বিশিষ্ট আধুনিক হাসপাতাল। নির্মাণের ৬ বছর পরও চালু হয়নি চিকিৎসাসেবা। ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হাসপাতালটি এখন মাদকসেবীদের আড্ডাখানা। সেই সাথে চুরি হয়ে গেছে নানা মূল্যবান জিনিসপত্র।

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার জগদল ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল। হাওর পাড়ের মানুষের চিকিৎসাসেবার জন্য, ২০০৬ সালে শুরু হয়, এটি নির্মাণ কাজ। ঢাক-ঢোল পিটিয়ে ২০১৩ সালে হয় উদ্বোধনও। কিন্তু একদিনের জন্যও চালু হয়নি, চার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হাসপাতালটি।

৬ বছর ধরে তালাবদ্ধ হাসপাতালটি এখন মাদকসেবীদের আড্ডাখানা। চুরি হয়ে গেছে মূল্যবান জিনিসপত্র। অযত্ন অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে, হাসপাতালের চিকিৎসা উপকরণ।

এলাকাবাসী জানায়, আমাদের এলাকার মানুষ চিকিৎসার জন্য ঢাকা, সিলেট ও সুনামগঞ্জে যাচ্ছে ফলে অনেক সময় রাস্তায় রোগী মারা যাচ্ছে। তাছাড়া প্রচুর সময় ও অর্থ খরচ বেশি হচ্ছে। আমোদের এলাকার হাসপাতালটি চালু হলে এলাকাবাসীর জন্য অনেক উপকার হতো।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানান, লোকবলের অভাবে চালু করা যায়নি হাসপাতালটি। চিঠি দেয়া হয়েছে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে।

দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, জগদল ২০ শয্যা বিশিষ্ট আধুনিক হাসপাতালটি চালু হওয়ার জন্য মন্ত্রনালয়ে বার বার চিঠি দিচ্ছি। এখন পর্যন্ত কাঠামো ও জনবল তৈরি হয়নি তাই সেখানে সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

শিগগিরিই হাসপাতালটি চালু করার আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জন।

সুনামগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন মো. সামস্ উদ্দিন বলেন, হাসপাতালটি অযত্ন অবহেলায় দীর্ঘদিন ধরে পড়ে আছে, শিগরই চালু করার ব্যাপারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা হয়েছে। আশা করি খুব অচিরেই হাসপাতালটি সেবাদান করতে সক্ষম হবে।

সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. আবদুল আহাদ বলেন, সিভিল সার্জনের সাথে এ বিষয়ে কথা হয়েছে। আমরা স্বাস্থ্য সচিরের বরাবর অনুরোধপত্র পাঠাবো যাতে খুব দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

হাওরবাসীর দাবি, ৪০ গ্রামের মানুষকে আধুনিক চিকিৎসাসেবার আওতায় আনার জন্য নির্মিত হাসপালটি চালু করা হোক শিগগিরই।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর