channel 24

সর্বশেষ

  • গৃহহীনদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেছে বিশ্বের কয়েকটি সংস্থা ও হোটেল

  • ১১ এপ্রিল পর্যন্ত পোশাক কারখানা বন্ধ রাখার অনুরোধ রুবানা হকের

  • বিএনপির ঐক্যের ডাক জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর পাঁয়তারা: কাদের

  • করোনা: বিশ্বজুড়ে প্রাণহানি ছাড়ালো ৬০ হাজার; আক্রান্ত ১১ লাখের বেশি

  • চাকরি বাঁচাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঢাকামুখী হাজার হাজার পোশাক শ্রমিক

  • ময়মনসিংহ ও ঝালকাঠিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩

  • রাজশাহী চিড়িয়াখানায় চারটি হরিণ খেয়ে ফেলেছে ৫ কুকুর

  • তিনি ঢাকঢোল পিটিয়ে সহায়তা করেননা

  • কক্সবাজারে ভেসে ওঠা সেই ডলফিন মরছে জেলেদের হাতে!

  • করোনায় কে কোথায়?

  • করোনা প্রতিরোধে ৫ লাখ পাউন্ড দান করবে ইসিবির চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটাররা

  • বগুড়ায় স্বেচ্ছাসেবকলীগের দু'পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১

  • করোনার উপসর্গ নিয়ে লহ্মীপুরে দুই শিশুর মৃত্যু, ৯টি বাড়ি লকডাউন

  • করোনা: ৮৭ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ প্রণোদনার প্রস্তাব বিএনপির

  • জামিন নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ২ সপ্তাহ বাড়ালেন সুপ্রিম কোর্ট

বরগুনায় এতিম শিশুদের ভুয়া তালিকা দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

বরগুনায় এতিম শিশুদের ভুয়া তালিকা দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

আছে সাইনবোর্ড আর জরাজীর্ণ ঘর। আছে এতিম শিশুদের তালিকাও। কিন্তু বাস্তবে নেই কেউ। এভাবেই এতিম শিশুদের ভুয়া তালিকা তৈরি করে বরগুনায় চলছে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ। স্থানীয়দের অভিযোগ, এতিম শিশু দেখিয়ে টাকা উত্তোলনের পরে তাদের আর দেখা মেলেনা। অভিযুক্তদের দাবি, দেশে কোন এতিম শিশু নেই।

বরগুনা সদর উপজেলার গাজী মাহমুদ আদর্শ শিশু সদন এটি। খাতাপত্রের হিসেব অনুযায়ী এখানে এতিমের সংখ্যা ৩০ জন দেখানো হলেও প্রকৃতপক্ষে একজনও নেই। অথচ ১৯৯৫ সাল থেকে এতিমের হিসেব দেখিয়ে বছরে খরচ দেখানো হচ্ছে ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

শুধু এই প্রতিষ্ঠানই নয় একই অবস্থা জেলার উত্তর খাজুরা ইসলামিয়া শিশু সদন, সাহেবের হাওলা রফেজিয়া শিশু সদন, কোট বাড়ীয়া কাদেরিয়া শিশু সদনসহ জেলার একাধিক এতিমখানার। স্থানীয়দের অভিযোগ, শুরুতে কিছু এতিম শিশু থাকলেও অনুদানের টাকা আসার পর থেকে আর দেখা মেলেনা তাদের।

বরগুনার পাবলিক পলিসি ফোরামের সভাপতি মো. হাসানুর রহমান ঝন্টু বলেন, এতিম খানার নামে বরাদ্ধের টাকা আত্বসাৎ করা হচ্ছে।

এতিমখানা পরিচালক জানান, দেশে বর্তমানে এতিম না থাকায় খালি পড়ে আছে এসব শিশু শিশুসদন।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মোস্তফা মাহমুদ সারোয়ার বলেন, এতিমের নামে টাকা আত্মসাতের বিষয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বরগুনার জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ জানান, সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

২০১৮-১৯ অর্থবছরে বরগুনায় ২ হাজার ৩শ ৮৬ জন এতিমের জন্য বরাদ্দ দেয়া দেয়া হয় ২ কোটি ৮৬ লাখ ৩২ হাজার টাকা। ২০১৯-২০ অর্থ বছরে যার পরিমান দ্বিগুণ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর