channel 24

সর্বশেষ

  • করোনা সংক্রমণ বাড়ছেই, বড় কারণ অসতর্কতা

  • কুমিল্লা মেডিকেলে করোনা চিকিৎসা নিয়ে নানা প্রশ্ন

  • সাহারা খাতুনের দাফন সম্পন্ন

  • চলতি বছরেই শুরু দিনাজপুরের বিরল স্থলবন্দরের কার্যক্রম

  • এখনও স্থবিরতা কাটেনি রাজধানীর শপিং মলগুলোতে কেনাকাটায়

  • গত অর্থবছরে রপ্তানি আয়ে ভয়াবহ বিপর্যয়; একমাত্র বেড়েছে পাট পণ্যের চাহিদা

  • করোনা পরীক্ষায় র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডি টেস্ট পদ্ধতি চালু করতে চায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

  • রিজেন্ট হাসপাতালে বিল নিয়ে বাহাস ছিল নিত্যদিনের ঘটনা

  • সাহেদের প্রতারণায় নিঃস্ব চট্টগ্রামের অনেক ব্যবসায়ী

  • সাহারা খাতুনের মরদেহ ঢাকায়, জানাজা শেষে দাফন করা হবে বনানী কবরস্থানে

  • তিস্তার পানি ফের বিপৎসীমার উপরে

  • 'সাহারা খাতুন ছিলেন রাজপথে আন্দোলনের বলিষ্ঠ কণ্ঠ'

  • মিরপুরে সেপটিক ট্যাংক থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার

  • প্লেব্যাক সম্রাট এন্ড্রু কিশোর ৮ বার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার

  • রাজস্ব আদায়ে অশনিসংকেত; সামষ্টিক অর্থনীতিতে বড় ধরণের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা

ঝালকাঠিতে সিরিজ বোমা হামলা: ২ জনের যাবজ্জীবন

ঝালকাঠিতে সিরিজ বোমা হামলা: ২ জনের যাবজ্জীবন

ঝালকাঠিতে ২০০৫ সালের আ৭ আগস্ট আলোচিত জেএমবির সিরিজ বোমা হামলার ঘটনার দীর্ঘ সাড়ে ১৪ বছর পর দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার দুপুরে ঝালকাঠির বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-২ আদালতের বিচারক শেখ. মো. তোফায়েল হাসান এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ঝালকাঠির বিকনা গ্রামের মো. ইউনুস মল্লিক এর ছেলে মো. জিয়াউর রহমান এবং বৈদারাপুর গ্রামের মোশাররফ হোসেনের ছেলে ফরিদ হোসেন। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে পর পর পাঁচটি বোমার বিস্ফোরণে কেপে ওঠে ঝালকাঠি শহর। একই সময় বোমার বিস্ফোরণ ঘটে ঝালকাঠি জেলা জজ আদালত চত্বর, জেলা প্রশাসক কার্যালয়, আইনজীবী সমিতি, সদর উপজেলা পরিষদ চত্বর ও বিকনা টেম্পোস্ট্যান্ডে।

এ ঘটনায় ঝালকাঠি থানার তৎকালীন ওসি মো. সোহরাব আলী বাদী হয়ে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় আহত অবস্থায় আটক ফরিদ হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

২০০৬ সালের ২২ অক্টোবর গোয়েন্দা পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশীট) দাখিল করেন। জেএমবির সদস্য ঝালকাঠির বিকনা গ্রামের মো. জিয়াউর রহমান ও আহত অবস্থায় আটক রিকশা চালক ফরিদ হোসেনকে অভিযোগপত্রে আসামী করা হয়। ঘটনার দুই বছর পর অভিযুক্ত ফরিদ হোসেন আদালত থেকে জামিন লাভ করে। পরে অপর অভিযুক্ত জিয়াউর রহমানও জামিনে মুক্তি লাভ করে।  যুক্তিতর্কের দিন আদালত তাদের জামিন বাতিল করে। মামলায় ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহগণ করে উপরোক্ত রায় ঘোষণা করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আসম মোস্তাফিজুর রহমান মনু এবং আসামী পক্ষে ছিলেন এ্যাড. নাসির উদ্দিন কবীর।

১৭ আগস্ট বোমা হামলার ঘটনার আড়াই মাস পর ১৪ নভেম্বর জেএমবির আত্মঘাতী বোমা হামলায় ঝালকাঠির দুই বিচারক সোহেল আহমেদ ও জগন্নাথ পাঁড়ে নিহত হন। এ মামলায় ঝালকাঠির আদালতেই জেএমবি প্রধান শায়খ আবদুর রহমানসহ ৭ শীর্ষ জঙ্গির ফাসির আদেশ হয়। ২০০৭ সালের ২১ মার্চ দেশের বিভিন্ন কারাগারে ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়। এর প্রতিশোধ নিতে জেএমবি ২০০৭ সালের ১১ এপ্রিল মামলা পরিচালনাকারী তৎকালীন পিপি হায়দার হুসাইনকে গুলি করে হত্যা করে। রায় ঘোষণা উপলক্ষে আদালত চত্বর ও এর আশপাসে নিরাপত্তা জোড়দার করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর