channel 24

সর্বশেষ

  • সীমান্তে সন্ত্রাসবাদের মোহেই পাকিস্তানের নতুন মানচিত্র: ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

  • ৫ ভেন্যুতে চলছে ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত অনুশীলন

  • সিনহা হত্যা: খুব কাছ থেকে ৪টি গুলি করায় ক্ষত সৃষ্টি হয় ৬টি

  • কুষ্টিয়ায় স্বেচ্ছাশ্রমে ভাঙা সড়ক মেরামত করলেন শিক্ষার্থীরা

  • করোনায় দেশে আরও ৩৪ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২৪৮৭

  • ওসি প্রদীপ ও স্ত্রীর অবৈধ সম্পদের প্রমাণ দুদকে

  • রাজনৈতিক পরিচয় কোন অপরাধীর আত্মরক্ষার ঢাল হতে পারে না: কাদের

  • শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের কাজে বিলম্ব হবে না: বিমান প্রতিমন্ত্রী

  • ডিএনসিসির মার্কেটটি স্থায়ী হাসপাতাল করার পরিকল্পনা নিয়েছে সিটি করপোরেশন

  • সিনহা হত্যার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য স্বাধীন কমিশন গঠনের আহ্বান ডা. জাফরুল্লাহর

  • এবারের ঈদযাত্রায় ২৩৮ দুর্ঘটনায় নিহত ৩১৭, আহত ৩৭০

  • জুবায়ের মনিরের জামিন বাতিল

  • পারিবারিক দ্বন্দ্বেই খুন আবাসন ব্যবসায়ী আবুল খায়ের; স্ত্রীর বড় ভাইয়ের স্বীকারোক্তি

  • সিনহা হত্যা: মাদক মামলায় শিপ্রার জামিন

  • সিনহা হত্যা: ওসি প্রদীপসহ তিন আসামির রিমান্ড শুরু আজ

ঝালকাঠিতে সিরিজ বোমা হামলা: ২ জনের যাবজ্জীবন

ঝালকাঠিতে সিরিজ বোমা হামলা: ২ জনের যাবজ্জীবন

ঝালকাঠিতে ২০০৫ সালের আ৭ আগস্ট আলোচিত জেএমবির সিরিজ বোমা হামলার ঘটনার দীর্ঘ সাড়ে ১৪ বছর পর দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার দুপুরে ঝালকাঠির বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-২ আদালতের বিচারক শেখ. মো. তোফায়েল হাসান এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ঝালকাঠির বিকনা গ্রামের মো. ইউনুস মল্লিক এর ছেলে মো. জিয়াউর রহমান এবং বৈদারাপুর গ্রামের মোশাররফ হোসেনের ছেলে ফরিদ হোসেন। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে পর পর পাঁচটি বোমার বিস্ফোরণে কেপে ওঠে ঝালকাঠি শহর। একই সময় বোমার বিস্ফোরণ ঘটে ঝালকাঠি জেলা জজ আদালত চত্বর, জেলা প্রশাসক কার্যালয়, আইনজীবী সমিতি, সদর উপজেলা পরিষদ চত্বর ও বিকনা টেম্পোস্ট্যান্ডে।

এ ঘটনায় ঝালকাঠি থানার তৎকালীন ওসি মো. সোহরাব আলী বাদী হয়ে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় আহত অবস্থায় আটক ফরিদ হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

২০০৬ সালের ২২ অক্টোবর গোয়েন্দা পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশীট) দাখিল করেন। জেএমবির সদস্য ঝালকাঠির বিকনা গ্রামের মো. জিয়াউর রহমান ও আহত অবস্থায় আটক রিকশা চালক ফরিদ হোসেনকে অভিযোগপত্রে আসামী করা হয়। ঘটনার দুই বছর পর অভিযুক্ত ফরিদ হোসেন আদালত থেকে জামিন লাভ করে। পরে অপর অভিযুক্ত জিয়াউর রহমানও জামিনে মুক্তি লাভ করে।  যুক্তিতর্কের দিন আদালত তাদের জামিন বাতিল করে। মামলায় ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহগণ করে উপরোক্ত রায় ঘোষণা করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আসম মোস্তাফিজুর রহমান মনু এবং আসামী পক্ষে ছিলেন এ্যাড. নাসির উদ্দিন কবীর।

১৭ আগস্ট বোমা হামলার ঘটনার আড়াই মাস পর ১৪ নভেম্বর জেএমবির আত্মঘাতী বোমা হামলায় ঝালকাঠির দুই বিচারক সোহেল আহমেদ ও জগন্নাথ পাঁড়ে নিহত হন। এ মামলায় ঝালকাঠির আদালতেই জেএমবি প্রধান শায়খ আবদুর রহমানসহ ৭ শীর্ষ জঙ্গির ফাসির আদেশ হয়। ২০০৭ সালের ২১ মার্চ দেশের বিভিন্ন কারাগারে ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়। এর প্রতিশোধ নিতে জেএমবি ২০০৭ সালের ১১ এপ্রিল মামলা পরিচালনাকারী তৎকালীন পিপি হায়দার হুসাইনকে গুলি করে হত্যা করে। রায় ঘোষণা উপলক্ষে আদালত চত্বর ও এর আশপাসে নিরাপত্তা জোড়দার করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর