channel 24

সর্বশেষ

  • অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত

  • লকডাউনের পরও রাজধানীতে মানুষকে ঘরে রাখা যাচ্ছে না

  • ব্যক্তিগত-প্রাতিষ্ঠানিক ত্রাণের তালিকায় নেই শিশু খাদ্য

  • নারায়ণগঞ্জে ডিসি, সিভিল সার্জনসহ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা হোম কোয়ারেন্টিনে

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে ৫ টাকায় সবজি বাজার

  • নাটোরের সিংড়ায় করোনা উপসর্গ নিয়ে গৃহবধূর মৃত্যু, পুরো গ্রাম লকডাউন

  • চট্টগ্রামে আরো তিনজন করোনারোগী সনাক্ত

  • বগুড়ায় গৃহবধুকে পিটিয়ে হত্যা, স্বামী পলাতক

  • চাঁদপুর অনির্দিষ্টকালের জন্য লকডাউন

  • ঠাকুরগাঁওয়ে ওএমএস’র ৬৩০ বস্তা চাল জব্দ, আটক ১

  • নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ঠাকুরগাঁওয়ে আসায় ৯০ জন আটক

  • করোনা উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ জনের মৃত্যু

  • ২৪ ঘন্টা সেবা দিতে প্রস্তুত ৬৪টি বেসরকারি হাসপাতাল

  • করোনায় বিশ্বে প্রাণহানি ৮৮ হাজার ৫৬৭; আক্রান্ত প্রায় ১৫ লাখ

  • দেশে করোনায় ২৪ ঘন্টায় প্রাণহানি ১, নতুন করে শনাক্ত ১১২: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

রংপুরে ফুল চাষে স্বাবলম্বী অনেকে, তবে বাড়ছে না চাষীর সংখ্যা

রংপুরে ফুল চাষে স্বাবলম্বী অনেকে, তবে বাড়ছে না চাষীর সংখ্যা

রংপুরে অনেকে ফুল চাষে স্বাবলম্বী হলেও চাহিদার তুলনায় বাড়ছেনা ফুল চাষীর সংখ্যা। ফলে ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে বাইরের জেলা থেকে ফুল কিনতে হয় বলে জানান বিক্রেতারা। ফুল বিজ্ঞানিরা বলছেন, উর্বর ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা প্রবণ হওয়ায় রংপুরের মাটি ফুল চাষের জন্য উপযোগী। তবে পুজির অভাবে ফুল চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন বলে জানান ফুল চাষীরা। কৃষি মন্ত্রণালয় বলছে, রংপুরে ফুল চাষে কৃষকদের উৎসাহী করতে নানা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন তারা।

চোখ জুড়ানো গ্লাডিওলাসের বাগান কৃষক আব্দুর রশীদের। ফুলগুলো শুধু সৌন্দর্য্য বর্ধন করছেনা প্রতি মাসে এই কৃষকের হাতে এনে দিচ্ছে মোটা অংকের টাকাও।

এরকম গাদা, রজনীগন্ধা, জিপশি, কাগজী ফুল চাষ করেও স্বাবলম্বী এই কৃষক।

ফুল বিক্রি করে বেশি মুনাফা পেলেও পুঁজির অভাবে চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন অনেকে। তারা বলছেন, ফুল চাষে লাভ পেতে অপেক্ষা করতে হয় এক থেকে দেড় বছর। আর ফুলের চাষ কম হওয়ায় রংপুরে চাহিদার সত্তর ভাগ ফুল বাইরের জেলা থেকে আনতে হয় বলে জানান বিক্রেতারা।

বিক্রেতারা বলেন, ফুল লাগালে এক বছর জমিটা পড়ে থাকে। আমরা কোন লাভ পাইনা। শীতকালে ফুল ফোটে কম, তাই আয়ও কম। গ্রীষ্মকালে অনেক ফুল ফোটে।

মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. কবিতা আনজু-মান-আরা বলেন, 'আমরা চাষীদের অনেক প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছি। প্রশিক্ষণের ফলে ইতিমধ্যে দশজন কৃষক ফুল চাষ করে লাভবান হয়েছেন। ভবিষ্যতে আমরা আরও প্রশিক্ষণ দিব।'

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর