channel 24

সর্বশেষ

  • জাতীয় বীমা দিবস উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী: শেখ কবির

  • মুজিব বর্ষে বাংলাদেশ গেমসের মশাল প্রজ্জ্বলন গোপালগঞ্জে

  • প্রথমবার ওয়ানডে দলে জায়গা পেয়ে রোমাঞ্চিত আফিফ-নাঈম

  • সহিংসতা কমলেও দিল্লিতে আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছাড়ছেন মুসলমানরা

  • শনিবার দেশব্যাপী জেলা ও মহানগরে বিএনপির বিক্ষোভ

  • ফতুল্লায় আটটি অবৈধ ভবন ভেঙে দিল ভ্রাম্যমাণ আদালত

  • রাবিতে বিভাগের নাম ফলিত পরিসংখ্যান করার দাবিতে শিক্ষার্থীদের অনশন

  • দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান চলমান আছে: আইজিপি

  • গাজীপুরে আনসার-ভিডিপি একাডেমিতে মৌলিক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

  • যশোর-৬ ও বগুড়া-১ আসন উপনির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা

  • করোনা আতঙ্কে ওমরাহ পালনে সৌদির নিষেধাজ্ঞা, টিকিট করে বিপাকে অনেকে

  • ৭ মার্চ আর্মি স্টেডিয়ামে জয় বাংলা কনসার্ট

  • উৎসবমুখর পরিবেশে চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে মনোনয়ন জমা

  • চলচ্চিত্রের প্রেমে পড়েছেন শার্লিন জামান

  • লিঁওর মাঠে অঘটনের শিকার জুভেন্টাস

ঠিকাদার শাহীনের পরিবর্তে কারাগারে শিক্ষার্থী শাহীন!

ঠিকাদার শাহীনের পরিবর্তে কারাগারে শিক্ষার্থী শাহীন!

আসামির নাম শাহীন আহম্মেদ। কিন্তু মামলার অভিযোগে দেয়া হয়েছে শুধু শাহীন। মিল নেই বাবার নামেও। এতে ঠিকাদার শাহীনের পরিবর্তে রাজশাহীতে কারাভোগ করছেন শিক্ষার্থী শাহীন। তবুও, অভিযোগপত্র থেকে তার নাম বাদ দেয়নি পুলিশ। তারা বলছে, মামলাটির তদন্ত চলছে।

নামের মিল, তাই এক শাহীনের পরিবর্তে কারাভোগ করছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সান্ধ্যকালীন এমবিএ কোর্সের শিক্ষার্থী শাহিনুর রহমান।

গত বছরের (২০১৯ সালের) ১৩ নভেম্বর রাজশাহী রেল ভবনে টেন্ডার নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হন মহানগর যুবলীগের সদস্য সানোয়ার হোসেন রাসেল। ওই ঘটনায় মামলার পর শাহীনসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

শিক্ষার্থী শাহিনের স্বজনদের দাবি, মামলার বাদীপক্ষও বলছে এই শাহীন আসামি নন। পুলিশের তদন্তের ভুলে ঠিকাদার শাহীন আহম্মেদের পরিবর্তে জেল খাটতে হচ্ছে শিক্ষার্থী শাহীনুর রহমানকে।

বিচারের দাবিতে ছাপানো ব্যানার পোস্টারেও পাওয়া গেলো অন্য শাহীনের ছবি। তার বাড়ি শিরোইল কলোনী পশ্চিম পাড়ায় গিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তিনি পলাতক। তার স্ত্রী হাবিবা খাতুনের দাবি, প্রকৃত খুনীদের আড়াল করে মামলায় জড়ানো হয়েছে তার স্বামীকে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আবু নাসের মো. ওয়াহিদ বলেছেন, একজনের পরিবর্তে আরেকজনকে গ্রেপ্তারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া এবং ভুক্তভোগীকে ক্ষতিপুরণ দেয়া উচিত।

গত ৪ ডিসেম্বর থেকে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত দুই দফায় প্যারোলে মুক্তি নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নেন শাহীনুর রহমান। তবে, জেলে থাকার কারণে অংশ নিতে পারেননি ইন্টার্নশিপে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর