channel 24

সর্বশেষ

  • বিসিজি টিকা দেয়া দেশে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যু হার কম

  • বিশ্বব্যাপী করোনায় প্রাণহানির সংখ্যা ৬৯ হাজার ছাড়িয়েছে

  • এন্টি ভাইরাল ড্রাগ এর প্রথম ব্যাচ তৈরি করেছে বীকন ফার্মাসিউটিক্যালস

  • করোনার মাঝেই সুন্দরবনে মধু সংগ্রহ

  • বিশ্বজুড়ে প্রাণহানি প্রায় ৬৭ হাজার, যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যু বাড়ার শঙ্কা

  • বিদেশি ফুটবলারদের চুক্তি নিয়ে শঙ্কায় বসুন্ধরা, সিদ্ধান্তহীনতায় আবাহনী

  • করোনা মোকাবিলায় বিমানের ক্রুদের নার্সিং প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সুইডেন

  • মহামারির ইতিহাস

  • 'প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন চ্যালেঞ্জিং'

  • হঠকারী একটি সিদ্ধান্তে ভোগান্তি পোহাতে হলো হাজারো মানুষকে

  • দিনাজপুরে অসহায়দের নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী দিলেন হুইপ ইকবালুর রহিম

  • মানবিক কারণে কয়েকটি দেশ থেকে প্রবাসীদের ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত

  • চট্টগ্রামে করোনার চিকিৎসা হবে ১২টি হাসপাতালে

  • শ্রমিকদের ঘরে ঘরে ত্রাণ পৌঁছে দিবে সিএমপি

  • তীব্র বিরোধিতার মধ্যেও চট্টগ্রামে খুলেছে গার্মেন্টস

ঠাকুরগাঁওয়ের মাছুমার পনির তৈরির কারখানা

ঠাকুরগাঁওয়ের মাছুমার পনির তৈরির কারখানা

ঠাকুরগাঁওয়ের মাছুমা আক্তার। স্বামী অসুস্থ হওয়ার পর সন্তান আর সংসার সামলানোর সব দায়িত্ব নিতে হয় তাকেই। শুরু করেন পনির তৈরির কারখানা। করেন গরু ছাগলের খামারও। এখন তার কারখানায় কাজ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন অর্ধশত নারী-পুরুষ। কাজের পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন বেসরকারি নানা সম্মাননা।

ঠাকুরগাঁও সদরের নিশ্চিন্তপুর পাড়ার মাছুমা আক্তার। স্বামী আর চার ছেলেকে নিয়ে ভালই চলছিল সংসার। কিন্তু হঠাৎ করেই অসুস্থ হয়ে চাকরি হারান একমাত্র উপার্জনকারী স্বামী। সংসারের হাল ধরতে হয় মাছুমাকে।

জীবিকা হিসেবে মাছুমা শুরুতে বেছে নেন গরু আর ছাগলের খামারের কাজ। কিন্তু তাতে স্বচ্ছলতা আসছিল না সংসারে। কিন্তু দমে না গিয়ে একাগ্রতা আর পরিশ্রমে ভর করে এগিয়ে চলেন। ২০১২ সালে ১ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে শুরু করেন পনির তৈরির কাজ। সেই থেকে ভাগ্যের চাকা ঘুরতে থাকে মাছুমার। এখন তার কারখানায় প্রতিদিন ২'হাজার লিটার দুধের পনির তৈরি হয়।

মাছুমা বলেন, ২৭লিটার দুধ দিয়ে শুরু করেছি, একটা জায়গা ভাড়া নিয়ে কাজ শুরু করি। আগে আমার ভিতরে ৩টা মেয়ে কাজে ছিল কিন্তু এখন ১৭টা মেয়ে আর ৭টা ছেলে কাজ করে। এভাবে কিছু জায়গা জমিও করেছি আমি।

মাছুমা শুধু নিজে স্বাবলম্বী হননি তার কারখানায় কাজ করে ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছে, প্রায় অর্ধশত নারী পুরুষের। গ্রামের অন্য নারীদের কাছে তিনি এখন আদর্শ। তাঁরা বলেন, এখানে কাজ করে আমাদের সংসার ভালভাবেই চলে যায়।

মাছুমা তার কাজের পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন বেসরকারি নানা সম্মাননা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর