channel 24

সর্বশেষ

  • ভ্যালেন্সিয়ার মাঠে হোঁচট খেলো বার্সেলোনা

  • বিএসএফ-এর গুলিতে নিহত ২ বাংলাদেশির মরদেহ তিনদিন পর ফেরত

  • অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের শেষ ষোলতে নাদাল-থেইম, হালেপ-কেরবার

  • তরুণিকে ধর্ষণের পর ফেসবুক লাইভে চার বন্ধু, র‍্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার

  • ৬ জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় মা ছেলেসহ ১০ জনের মৃত্যু

  • সরকার ১১ বছর ধরে দেশে বাকশাল কায়েম করে রেখেছে: মওদুদ

  • শেষ সপ্তাহে জমজমাট ঢাকা সিটির নির্বাচনী প্রচারণা

  • সংস্কারের অভাবে শীত-বর্ষায় দুর্ভোগের শিকার আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দারা

  • দুই সন্তানের মাকে হাত-পা বেঁধে চুল কেটে দিয়েছে শ্বশুরবাড়ির লোকজন

  • বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের ফাইনালে বুরুন্ডিকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে ফিলিস্তিন

  • রাখাইনে সেনাবাহিনীর কামানের গোলায় ২ রোহিঙ্গা নারী নিহত

  • পাকিস্তানের কাছে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতেও হার বাংলাদেশের

  • ঢাবির অ্যাকাউন্টিং বিভাগের ৫০ ও অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের ২৫ বছরপূর্তি উদযাপন

  • যুক্তরাজ্যের বাজারে আসছে হুয়াওয়ের ৫জি মোবাইল নেটওয়ার্ক

  • চীনের পাঁচটি শহরে বন্ধ হল ম্যাকডোনাল্ডস রেস্ট্যুরেন্ট

নির্মাণের ১৩ বছরেও পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু হয়নি ফেনী ট্রমা সেন্টারে

নির্মাণের ১৩ বছরেও পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু হয়নি ফেনী ট্রমা সেন্টারে

দুর্ঘটনায় আহত রোগীদের দ্রুত সেবা দেয়ার জন্য ফেনীতে নির্মাণ করা হয় ট্রমা সেন্টার। সেই ট্রমা সেন্টারে নেই পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জনবল। ফেনীতে নির্মাণের ১৩ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়নি সেন্টারটি। এমনকি গেল ১০ মাস ধরে বেতন-ভাতা বন্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের।

ফেনীর ২০ শয্যা বিশিষ্ট ট্রমা সেন্টার। বিদ্যৎ, পানি ও গ্যাসের মত জরুরি সুযোগ সুবিধা ছাড়াই চলছে এটি। ট্রমা সেন্টারটির অবস্থান ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক এবং ফেনী-নোয়াখালী, ফেনী-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক সড়কের সংযোগস্থল মহিপালে। তবে নির্মাণের ১৩ বছরেও পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়নি সেন্টারটি। অথচ এটি গড়ে তোলা হয় দুর্ঘটনা কবলিত রোগীদের দ্রুত সেবা দেয়ার জন্য।

ইউটিলিটি সুবিধা না থাকায় অব্যবহৃত দামি সব যন্ত্রপাতি। ২২টি পদের বিপরীতে কাজ করছেন ৯ জন। তারাও বেতন পাচ্ছেন না ১০ মাস ধরে।

ফেনী ট্রমা সেন্টারের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. কাজী সানজিদা আক্তার জানান, কোন রুগী আসলে এক্সরে এবং অপারেশন থিয়েটারের অভাবে চিকিৎসা দেয়া যায় না। তাই প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়া হয়।  

জেলা সিভিল সার্জন  ডা. মো. নিয়াতুজজামান জানান, প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ না পাওয়ায় চিকিৎসকদের নিয়মিত বেতন দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। বকেয়া বিল পরিশোধ না করায় বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিছিন্ন করা হয়েছে।

২ কোটি ৭৬ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় ট্রমা সেন্টারটি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর