channel 24

সর্বশেষ

  • রাজধানীর রায়েরবাজারে ড্রেজিংয়ের সময় ৩ জনের মৃত্যু

  • লালমনিরহাটে বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশির মৃত্যু: বিজিবি

চাঁপাইনবাবগঞ্জে কথিত এনজিওর ফাঁদে নিঃস্ব সাধারণ মানুষ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে কথিত এনজিওর ফাঁদে নিঃস্ব সাধারণ মানুষ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ব্যাঙের ছাতার মত গজিয়ে উঠেছে এনজিও এবং ক্ষুদ্রঋণ দেয়া সংস্থা। অতি মুনাফার লোভে এসব এনজিওর ফাঁদে নিঃস্ব হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। সম্প্রতি লোভনীয় সব মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের কোটি কোটি নিয়ে লাপাত্তা হয়েছে। অভিযোগ, নিবন্ধন প্রদানকারী সরকারি প্রতিষ্ঠানের ছত্রছায়ায় ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম চালিয়ে আসছে প্রতিষ্ঠানগুলো।

খেয়ে না খেয়ে জমানো টাকা নিয়ে পালালো এনজিও প্রতিষ্ঠান। এখন আমাদের কী হবে। এ নারীর মতো প্রায় ১২ হাজার গ্রাহকের জমানো ৩০ কোটি টাকা নিয়ে উধাও চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিয়াম নামের একটি এনজিও। শুধু এটিই নয়, বিধবা নারী সংস্থা, রংধনু, বোরাক, দিক দর্শন নামে-বেনামে ব্যঙের ছাতার মতো গড়ে ওঠা এমন অনেক এনজিওই লাপাত্তা হয়েছে গ্রাহকের টাকা নিয়ে।

স্থানীয় প্রশাসনের হিসাবেই স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজের নিবন্ধন নিয়ে অবৈধভাবে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম চালাচ্ছে তিনশরও বেশি এনজিও। তাদের ফাঁদে পড়ে অতিমুনাফার লোভে নিঃস্ব হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

নিবন্ধন দেয়া সরকারি সংস্থাগুলো বলছে, অনুমোদন ছাড়া ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম অবৈধ। শিগগিরই এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

চাপাইনবাবগঞ্জ সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোছা. উম্মে কুলসুম বলেন, অবৈধ ক্ষুদ্র ঋণকারীদের তালিকা আমরা প্রস্তুত করেছি। আমরা শুনানী নিতে শুরু করেছি।পর্যায়ক্রমে আমরা শুনানী নিবো এবং ঢাকায় রিপোর্ট করবো এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।

চাপাইনবাবগঞ্জ, বাংলাদেশ এনজিও ফেডারেশনের সভাপতি মো. মঞ্জুরুল ইসলাম খান বাবু বলেন, তারা আজকে শুনানী করতেছে, নোটিশ করতেছে কিন্তু আমরাতো সেরকম কোন পদক্ষেপ দেখতেছি না।

অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্যোক্তাদের দাবি, সাধারণত ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম শুরুর পরই অনুমোদন মেলে। তাই হঠাৎ বন্ধ করলে বিপদে পড়বে সাধারণ মানুষই।

জেলা প্রশাসক এ, জেড. এম. নুরুল হক বলছেন, যেসব এনজিও অনুমতি ছাড়া কার্যক্রম চালাচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া শুরু হয়েছে। বলেন, তারা যেকোন সময় নিখোঁজ হয়ে যেতে পারে তখন ঐ মানুষগুলো যারা সঞ্চয় করেছেন তারা নি:স্ব হয়ে যাবে। আমরা ইতিমধ্যে এনজিও গুলোর তালিকা তৈরি করেছি। ৩০০ টি প্রতিষ্টান পেয়েছি, মনে হয় প্রতিষ্টানের সংখ্যা আরো বাড়বে।

এনজিওগুলোর অবৈধ ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বন্ধের পাশাপাশি প্রতারকদের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে আরও কঠোর হওয়ার আহবান ভুক্তভোগীদের।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর