channel 24

সর্বশেষ

  • ঝুঁকি নিয়েই স্বাভাবিক চেহারায় দেশ

  • করোনা আক্রান্ত দম্পতির স্থান হয়েছে পরিত্যক্ত মুরগীর খামারে

  • করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দেশে অর্ধলাখ ছাড়িয়েছে

  • চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত ৩ হাজার ছাড়ালো

  • গণপরিবহন বেড়েছে চট্টগ্রামের রাস্তায়

  • সিলেটে বাস শ্রমিকদের দুপক্ষের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত কয়েকজন

  • তামাক খাতে দুই স্তরের কর কাঠোমো হলে রাজস্ব বাড়বে দ্বিগুণের বেশি

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে আম বেচা-কেনার উদ্বোধন

  • আসন্ন বাজেট ঘিরে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর প্রস্তবনা

  • নোয়াখালীতে শিশু ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

  • একাডেমি কোচদের পাশে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা

  • কুড়িগ্রামে বাসের ধাক্কায় এক পথচারি নিহত

  • মানবপাচারকারী চক্রের অন্যতম হোতা হাজী কামাল কারাগারে

  • ভাড়া বেশি নেয়ায় শ্যামলী পরিবহনকে ১০ হাজার টাকার অর্থদণ্ড

  • ওয়াদা পূরণের লক্ষ্যে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করছি: তাপস

'কৃষকের অ্যাপ' সম্পর্কে কৃষকরা কতটুকু জানেন?

'কৃষকের অ্যাপ' সম্পর্কে কৃষকরা কতটুকু জানেন?

এবার সরকারিভাবে ধান, চাল আর গম কেনা হবে 'কৃষকের অ্যাপ' নামে একটি সফটওয়ারের মাধ্যমে। যাতে ঘরে বসেই পণ্যের বিক্রি ও মূল্য বুঝে নেবেন চাষীরা। কিন্তু এই সেবাগ্রহণে কতটা প্রস্তুত দেশের কৃষকরা; অ্যাপস সম্পর্কেই বা কতটুকু জানেন? এ নিয়ে প্রশ্ন রয়েই গেছে।

বিজ্ঞাপনের মতো এই দালাল আর ফড়িয়াদের হাত থেকে কৃষকদের বাঁচাতেই 'কৃষকের অ্যাপ'। এবারই প্রথম ধান, চাল আর গম কিনতে ডিজিটাল এই পদ্ধতি চালু করেছে সরকার।

গুগলের প্লে স্টোর থেকে প্রথমে নামাতে হবে অ্যাপসটি। পরে জাতীয় পরিচয় পত্র, কৃষি কার্ডের নম্বর ও মোবাইল নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। মালিকানা হিসেবে কৃষকের কাছে সংরক্ষিত থাকবে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড।

সরকার শস্য কেনা শুরু করলে, এই অ্যাপসের মাধ্যমে খাদ্য বিভাগের কাছে আবেদন করতে পারবেন কৃষক। এরপর বরাদ্দকৃত ধান বিক্রি হলে মূল্য প্রাপ্তির বার্তা সরাসরি চলে যাবে কৃষকের মোবাইলে। এই পদ্ধতিকে সাধুবাদ জানালেও নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে চাষীদের মনে।

কৃষকরা বলেন, 'ইন্টারনেটের ব্যবহার আমরা কিছুই বুঝিনা। আমাদের যদি এসে শিখানো হয়, তাহলে আমরা ব্যবহার করতে পারবো।'

পাইলট প্রকল্পের আওতায় ৮টি বিভাগের ১৬টি উপজেলায় এই পদ্ধতিতে ধান সংগ্রহ করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ পরিচালক আবুল কাশেম আযাদ বলেন, এই পদ্ধতির সুফল অনেক। তবে বাস্তবায়নে প্রতিবদ্ধকতাও কম নয়। অসংখ্য চাষী আছে। এদের মধ্যে মাছাই করে নির্দিষ্ট সংখ্যককে তালিকায় আনা এটা আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

এই অ্যাপস ব্যবহারে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে ব্যাপক প্রচারণা শুরু করেছে খাদ্য বিভাগ।

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের দাবি, এই পদ্ধতি বাস্তবায়ন হলে দুর্নীতি বন্ধের পাশাপাশি ধানের ন্যায্য দাম পাবেন কৃষক।

তিনি বলেন, 'এর ফলে মধ্যসত্ত্বভোগীরা সুবিধা নিতে পারবে না। যার ধান, তার একাউন্টে সরাসরি টাকা ঢুকে যাবে।'

খাদ্য বিভাগ জানিয়েছে, 'কৃষকের অ্যাপ' এ নিবন্ধনের শেষ সময় ৭ ডিসেম্বর। আর ধান বিক্রির আবেদন করা যাবে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর