channel 24

সর্বশেষ

  • ওয়ারীর লকডাউনে বিড়ম্বনায় ব্যবসায়ীরা

  • পদ্মা নদীতে নৌকা ডুবিতে নিখোঁজ ৪

  • কুমিল্লায় প্রাইভেটকার খাদে পড়ে একই পরিবারের ৩ জন নিহত

  • করোনায় দেশে আরও ৫৫ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩০২৭

  • বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবির ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন জমা

  • বিজিবির ১১৯ সদস্যের মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিলের আদেশ স্থগিত

  • রিজেন্ট হাসপাতাল সিলগালা করার সিদ্ধান্ত

  • বর্ষায় নাব্য সংকটে নৌযান চলাচল

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছেলের হাতে বাবা খুন, ছেলে আটক

  • খুলনায় পাটকলের ২ শ্রমিক নেতা গ্রেপ্তার, ৭ দিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ

  • বাবা-ছেলেকে হত্যার ঘটনায় ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার

  • করোনা আর বন্যার মধ্যেই চলছে বগুড়া-১ আসনের নির্বাচনের প্রস্তুতি

  • পাহাড়ে ফের রক্তের স্রোত

  • করোনায় কর্মহীন যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত অনেক প্রবাসী

  • পূর্ব লাদাখের সংঘর্ষস্থল থেকে সরেছে চীনা সেনারা; দাবি ভারতের

২০ বছর ধরে শিকলবন্দী জীবন কাটছে রঞ্জনের

২০ বছর ধরে শিকলবন্দী জীবন কাটছে রঞ্জনের

২০ বছর ধরে শিকলবন্দী জীবন কাটছে মানিকগঞ্জের সাহাপাড়ার যুবক রঞ্জন চন্দ্র কর্মকারের। ছয় বছর বয়েসে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলায় তাকে শিকলবন্দি করে স্বজনরা। সহায়-সম্বল বিক্রি করেও তাকে সুস্থ করতে পারেনি পরিবার। উন্নত চিকিৎসার জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও মেলেনি সাহায্য।

মানিকগঞ্জের সাহাপাড়ার এলাকার রঞ্জন চন্দ্র কর্মকার । মাত্র ছয় বছর বয়সে তার অস্বাভাবিক মানসিক আচরণ ধরা পড়ে বাবা-মায়ের চোঁখে। বড় হওয়ার সাথে সাথে সমস্যা যেন আরো স্পষ্ট হতে থাকে।

কোথাও গেলে বাড়িতে ফিরতে চায় না রঞ্জন। মাঝে মাঝেই উধাও হয়ে যায়। তার এই মানসিক সমস্যার চিকিৎসা করতে গিয়ে অনেকটাই নি:স্ব তার পরিবার। হারিয়েছেন নিজের ভিটে বাড়িও। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়েই ছয় বছর বয়সে রঞ্জনের পায়ে লোহার শিকল পরায় বাবা-মা।

শিকলবন্দি হয়েই ২০ বছর কাটছে ভাঙাচোরা বারান্দার ছোট্ট ঘরে।

রঞ্জনের মা বলেন, আমার একটি মাত্র সন্তান। আমি চাই আমার ছেলে ভাল হউক, টাকার জন্য চিকিৎসা করাতে পারছি না। তার বাবা বলেন, রঞ্জনের সুচিকিৎসার জন্য আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য চাই।

অমানবিক এই শিকল বন্দী জীবন থেকে মুক্ত করতে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তারা বলেন, এই ছেলের চিকিৎসার জন্য তার পরিবার অনেক টাকা পয়সা খরচ করেছে। জমিও বিক্রি করেছে। ছেলেটা সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন করুক এটাই আমরা সবাই চাই।

ইতোমধ্যে রঞ্জনের সুচিকিৎসার জন্য আর্থিক সাহায্য-সহযোগীতার আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা পরিষদ।

ঘিওর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: অহিদুল ইসলাম টুটুল বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ সার্বিকভাবে তাদের পাশে থাকবে এবং রঞ্জনের চিকিৎসার জন্য আমরা জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিতভাবে আবেদন জানাবো।

ঘিওর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে তার চিকিৎসার জন্য যত ধরনের সহযোগিতার প্রয়োজন আমরা করবো।

প্রয়োজনীয় সুচিকিৎসা নিয়ে রঞ্জন চন্দ্র কর্মকার সুস্থ্য-স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুক, এমনটাই প্রত্যাশা পরিবার আর এলাকাবাসীর।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর