channel 24

সর্বশেষ

  • যুক্তরাষ্ট্রে বর্ণবাদবিরোধী বিক্ষোভের ১২তম দিনে লাখো মানুষের ঢল

  • সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন

  • গণপরিবহনে জীবাণুনাশকের বদলে সাবান-পানির স্প্রে

  • করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি থাকায় শিগগিরই চালু হচ্ছে না পাসপোর্টের বায়ো এনরোলমেন্ট

  • চট্টগ্রামে সরকারি হিসাব ও দাফন-সৎকারে গড়মিল

  • ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্ত

  • মন্ত্রী বীর বাহাদুর করোনায় আক্রান্ত

  • ঠাকুরগাঁওয়ে বাসের ধাক্কায় শ্রমিক ইউনিয়নের দপ্তর সম্পাদকের মৃত্যু

  • বিশ্বে করোনায় প্রাণহানি চার লাখ ছুঁই ছুঁই

  • ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস আজ

  • রাজধানীতে জোনভিত্তিক লকডাউন শুরু আজ

  • অ্যালকোহল কারখানার বর্জ্যে দূষিত হচ্ছে নদীর পানি; হুমকিতে মাছসহ জলজ প্রাণী

  • অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রধান পিআরও কর্মকর্তার ইন্তেকাল

  • জ্বর ও সর্দি-কাশি নিয়ে আজও প্রাণ গেলো ৯ জনের

  • যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জো বাইডেনের মনোনয়ন নিশ্চিত

বাগেরহাটের পুরাকীর্তি: প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদাসীনতায় হুমকীর মুখে বেশিরভাগ নিদর্শন

বাগেরহাটের পুরাকীর্তি: প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদাসীনতায় হুমকীর মুখে বেশিরভাগ নিদর্শন

প্রাচীন সুলতানী আমলের শহর হিসেবে পরিচিত বাগেরহাট। ষাট গম্বুজ মসজিদসহ বিভিন্ন স্থাপনা কালের সাক্ষী হয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে ৬শ বছর ধরে। তবে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদাসীনতায় এসব পুরার্কীতির বেশিরভাগই আজ হুমকির মুখে। প্রাচীন এই নিদর্শনগুলো সঠিকভাবে দেখভাল না হলে, বিলীন হয়ে যাবে সভ্যতার ইতিহাসের অংশ।

সুলতানী আমলের শহর হিসেবে পরিচিত বাগেরহাট। এখানে রয়েছে সে সময়কার অন্তত ১৮টি পুরার্কীতি। যার মধ্যে ষাটগম্বুজ, নয়গম্বুজ, চুনখোলা, রণবিজয়পুর মসজিদসহ বেশ কয়েকটি স্থাপনা। ১৯৯১ সালে ইউনেস্কোর ৩২১ তম বিশ্বঐতিহ্যের তালিকায় যুক্ত হয় ষাটগম্বুজ মসজিদটি।

এছাড়াও রয়েছে খান জাহান আলীর মাজার, তারপাশেই বিশার দীঘি, মধ্যযুগের রাস্তাসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক পুরার্কীতি। আর এসব দেখতে সারা বছরই দেশি-বিদেশি পর্যটক আর দর্শণার্থীতে মুখর থাকে ৬শ' বছরের পুরোনো এই জনপদ।
 
কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণের অভাব আর অবহেলায় বেশিরভাগ স্থাপনাই হারিয়েছে আসল সৌন্দর্য। যেগুলো কোনো রকমে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে তার অবস্থাও নাজুক। খান জাহানের বাসস্থানসহ বেশকিছু স্থাপনা তো হারিয়েছে কালের গর্ভে। সরকারি তালিকার বাইরে যেসব স্থাপনা রয়েছে সেগুলো সংরক্ষণে নেয়া হয়নি কোনো উদ্যোগ।

প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর বলছে, জনবল আর অর্থের অভাবে মহামূল্যবান এসব পুরাকীর্তি রক্ষণাবেক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না।

পর্যটক ও স্থানীয়দের চাওয়া ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ইতিহাসের সাক্ষী এসব স্থাপনা সংরক্ষণের উদ্যোগ নেবে সরকার।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর