channel 24

সর্বশেষ

  • দিল্লিতে সহিংসতার প্রতিবাদ জানিয়েছে ছাত্র অধিকার পরিষদ

  • অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের সময় র‍্যাবের হাতে লাঞ্ছিত ম্যাজিস্ট্রেট

  • ব্যাংক খালি হয়ে গেছে: হাইকোর্ট

  • ডাকঘর সঞ্চয়ে সুদহার আগের মতোই থাকছে: অর্থমন্ত্রী

  • দুদককে নিয়ে টিআইবির প্রতিবেদন সত্য নয়: দুদক সচিব

  • একে একে বেরিয়ে আসছে পাপিয়ার নানা পাপ

  • উন্নত চিকিৎসায় সম্মত হননি খালেদা জিয়া

  • দিল্লিতে গুজরাটের ছায়া; শিশু ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাসহ প্রাণ গেছে ২৩ জনের

  • কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হলে গ্রাহকরা সব টাকা পাবেন

  • ঢাকা মেডিকেলে পরজীবী শিশু আলাদা করে সফল অস্ত্রোপচার

  • ভর্তি পরীক্ষা হবে ৪টি গুচ্ছ পদ্ধতিতে, থাকছে না ঢাকাসহ ৫টি বিশ্ববিদ্যালয়

  • কোনো নারী বিয়ে পড়াতে পারবেন না: হাইকোর্ট

  • কাপ্তাই হ্রদের পানি কমছে ধীরগতিতে, ফসল নিয়ে দু:চিন্তায় চাষীরা

  • দেশের পুঁজিবাজারে বড় পতন

  • অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষায় নামছে বাংলাদেশ নারী দল

কাবিননামা নিয়ে প্রতারণা

কাবিননামা নিয়ে প্রতারণা

বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার প্রমাণ নিকাহ রেজিস্ট্রার। সেই কাবিননামা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে কুমিল্লার কাজী মওলানা অলিউল্লাহ ও তার সহকারীর বিরুদ্ধে। বিয়ে পড়িয়েও অস্বীকার করেন তারা। পরে ভিডিও এবং ছবির মাধ্যমে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের কারাগারে পাঠান আদালত।

কুমিল্লার দক্ষিণ সদর উপজেলার মধ্যম আশ্রাফপুর এলাকার নিকাহ ও তালাক রেজিস্ট্রার কাজী মওলানা মো. অলিউল্লাহ। গত তিন জুলাই তিনি ও তার সহকারী মো. বেলাল উদ্দিন চৌধুরী বিয়ে পড়ান রেইসকোর্স এলাকার আতিকুর রহমান নিলয় ও চাঁদপুরের মেয়ে আমেনা আক্তার শিখার।

বিয়ের পর যৌতুক দাবি করে নিলয় এমন অভিযোগে তার স্ত্রী শিখা মামলা করে। যেখানে আসামি করা হয় স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। মামলায় নথি হিসেবে যুক্ত করা হয়  কাবিননামা।

কুমিল্লার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল আদালত ১ এ মামলা শুনানির এক পর্যায়ে নিলয় আদালতকে জানান শিখার সাথে বিয়ে হয়নি। প্রমাণ হিসেবে রেজিস্ট্রার অলিউল্লাহ দেয়া এ সংক্রান্ত ঘেষণাপত্র আদালতে দাখিল করেন।

ফলে বিয়ের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে আদালতে। এসময় বিয়ের ভিডিও ও ছবি আদালতে প্রমাণ হিসেবে দাখিল করে বাদিপক্ষ। পরে আদালত মিথ্যা কাগজপত্র সরবারহ করার দায়ে কাজী অলিউল্লাহ ও তার সহকারীকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। এসময় আদালতে ক্ষমা চান তারা।

বাদিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আনিছুর রহমান মিঠু বলেন, বিয়ে যিনি পড়িয়েছেন ভিডিওতে তার ছবি রয়েছে। আবার আসামী পক্ষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজী অলিউল্লাহ বিয়ে পড়ানোর বিষয়টি অস্বীকার করেন।

এ বিষয়ে কুমিল্লার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল ১-এর স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট প্রদীপ কুমার দত্ত বলেন, যেসব কাজীগণ বিয়ে পড়ানোর কাজ সম্পাদন করে আসছেন তাদের কার্যক্রমের প্রতি লক্ষ্য রাখা উচিৎ। যদি কেউ অপরাধ করে থাকেন তাহলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান তিনি।

কুমিল্লা জেলা রেজিস্ট্রার মো. আনোয়ারুল হক চৌধুরী বলেন, আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে, মামলার আসামি নিলয়ের বাড়িতে গিয়ে পাওয়া যায়নি কাউকে। আর আদালত চত্বরে চ্যানেল 24 কে প্রতিবেদন না করার অনুরোধ জানিয়েছেন, রেজিস্ট্রার অলিউল্লাহর ভাই মৌকরা ইউপি মেম্বার সালেহ আহমেদ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর