channel 24

সর্বশেষ

  • ল্যান্ডিং পারমিশনের জন্য শুরু হয়নি বিমানের আসন বরাদ্দ

  • ড্রাগন ফলের 'ভি কাট কলম' পদ্ধতি

  • দ্বিতীয় দিনেও দলগত অনুশীলনে ১৬ ক্রিকেটার

  • ভিপি নুর গ্রেপ্তার

  • মেয়ের জামাইসহ ২৭ আত্মীয়কে চাকরি দিয়েছেন গাড়ি চালক মালেক!

  • সৌদি এয়ারলাইন্সের টিকিট নিয়ে জটিলতা, প্রবাসীদের সড়ক অবরোধ

  • নারায়নগঞ্জে বিস্ফোরণ: ৬ দফা দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বরাবর স্মারকলিপি

  • নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণ: তিতাসের ৮ কর্মকর্তার জামিন মঞ্জুর

  • চট্টগ্রামে চুরির অপবাদ দিয়ে দোকানের কর্মচারীকে পিটিয়ে হত্যা

  • কেউ খুন করেনি শামসুলকে! সব আসামি খালাস

  • কুমিল্লায় মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে মা-মেয়ের মৃত্যু

  • পেঁয়াজের পুষ্টিগুণ

  • 'শেখ মুজিব, একটি জাতির পিতা' বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

  • কোটিপতি গাড়িচালক মালেকের বাড়িজুড়ে আভিজাত্যের ছাপ

  • ভ্রাম্যমাণ হাঁসের খামারে স্বাবলম্বী টাঙ্গাইলের আমিনুল

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাড়ছে নারী ও শিশু নির্যাতন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাড়ছে নারী ও শিশু নির্যাতন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গত ৭ মাসে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন দেড় শতাধিক। এমন তথ্য দিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাড়ছে নারী ও শিশু নির্যাতন বিষয়ক মামলা। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের দেয়া তথ্য বলছে, গত সাত মাসে ধর্ষণের অভিযোগে হাসপাতালে এসেছেন শিশু, কিশোরী ও প্রতিবন্ধীসহ ১৬৭ জন। কিন্তু মেডিকেল পরীক্ষায় মাত্র পাঁচ ভাগের শরীতে ধর্ষণের আলামত মিলেছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন মো: শাহ আলম বলেন, সময় মতো হাসপাতালে না আসায় অনেক ক্ষেত্রে ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায় না। এতে করে ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকছে প্রকৃত অপরাধীরা। এছাড়া প্রয়োজনীয় সাক্ষীর অভাবে এসব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি না হওয়ায় এ ধরনের অপরাধ বাড়ছে বলেও মনে করেন তিনি।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, মামলা করেও প্রতিকার পাচ্ছেন না তারা। উল্টো নানা সময়ে তাদেরকে হুমকি ধমকি দিচ্ছে অভিযুক্তরা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার পাবলিক প্রসিকিউটর বলছেন, অনেক সময় প্রয়োজনীয় সাক্ষীর অভাবে এসব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয় না। ফলে জেলায় বাড়ছে নারীর প্রতি সহিংসতা।

জেলায় নারী বা শিশু নির্যাতন বাড়ার কথা স্বীকার করে পুলিশ সুপার মো: আনিসুর রহমান বলেন, এসব ঘটনায় প্রশাসন সজাগ রয়েছে। অভিযোগ পাওয়া মাত্রই গুরুত্বসহকারে অভিযুক্তকে চিন্হিত করার ক্ষেত্রে প্রশাসন সর্বদা সচেষ্ট বলে জানান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার পুলিশ সুপার।  

তবে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের অনেক মামলাই হয় ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বিরোধের জেরে। ফলে প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি অনেকের।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর