channel 24

সর্বশেষ

  • দরকার ছাড়া বেরুলেই ফেরত পাঠানো হচ্ছে ঘরে

  • সপ্তাহ না পেরুতেই ধৈর্যহারা নগরবাসী; দরকার ছাড়াও বেরুচ্ছেন বাইরে

  • পিপিই পরে সাঈদ খোকনের ত্রাণ বিতরণ

  • মুখে মাস্ক পরে ফ্লিমি স্টাইলে ফার্মেসিতে ডাকাতি

  • স্পেনে একদিনে প্রাণহানি ৯৫০, মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছে

  • বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা ৪৮ হাজার ছাড়িয়েছে

  • গ্রামীণ জনপদে দূরত্ব বজায় রেখে চলাচল কতটা সম্ভব?

  • চট্টগ্রামে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে কমেছে রোগী, বন্ধ প্রাইভেট চেম্বারও

  • গত ২৪ ঘন্টায় ১৪১ জনের নমুনা পরীক্ষা: আইইসিডিআর

  • চট্টগ্রামে বেড়েছে ব্যক্তিগত যানচলাচল, নির্দেশনা মানতে চাইছেন না মানুষ

  • সংকুচিত ব্যাংকিং সেবার চাহিদা পূরণ করছে মোবাইল ব্যাংকিং

  • চট্টগ্রামে করোনার ধাক্কা দীর্ঘায়িত হলে মুখ থুবড়ে পড়বে রেস্টুরেন্ট ব্যবসা

  • মেহেরপুরে সুরক্ষা সরঞ্জাম না থাকায় লাপাত্তা চিকিৎসক

  • করোনা থাবায় হুমকির মুখে দেশের পোলট্রি শিল্প

  • এসি মিলান ছাড়ছেন জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ

গবাদি পশুর অ্যানথ্রাক্স রোগ ছড়িয়ে পড়ছে মানবদেহে

গবাদি পশুর অ্যানথ্রাক্স রোগ ছড়িয়ে পড়ছে মানবদেহে

অ্যানথ্রাক্স গবাদি পশুর মারাত্মক সংক্রামক এক রোগ। যা ছড়ায় মানবদেহেও। মেহেরপুরের গাংনীতে গত ৭ বছরে এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন দুই হাজারের বেশি মানুষ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাটিতে ৫০ থেকে ৬০ বছর পর্যন্ত টিকে থাকে অ্যানথ্রাক্সের জীবাণু। তাই এটি পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব নয়।

গাংনীর সীমান্তবর্তী গ্রাম কাজিপুরে সর্বপ্রথম ১৯ জন অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত রোগীর সন্ধান মেলে। এরপর হাড়াভাঙ্গা, নওদাপাড়া, বেতবাড়িয়া, মঠমুড়া গ্রামেও অ্যানথ্রাক্সে ছড়িয়ে পড়ে।

স্বাস্থ্য বিভাগের পরিসংখ্যান বলছে, ২০১২ সালে ৫৩ জন, ২০১৩ সালে ১৯৯ জন, ২০১৪ সালে ২০৩ জন, ২০১৫ সালে ১৫৪ জন, ২০১৬ সালে ২৪০ জন, ২০১৭ সালে ২৮১ জন, ২০১৮ সালে ৪০৮ জন, এবং চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত ৫১৪ জন অ্যানথ্রাক্সে রোগীর মিলেছে এই উপজেলায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত পশুর মাংস, রক্ত ও মৃত পশু যেখানে- সেখানে ফেলে রাখার মাধ্যমে এর জীবানু মাটিতে ছড়িয়ে পড়েছে। আর এ জীবানু মাটিতে থাকে ৫০ থেকে ৬০ বছর। ফলে সেই মাটিতে গজানো ঘাস খেয়েও গবাদিপশু অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত হচ্ছে।

লোকসানের আশংকায় অনেক সময় অসুস্থ পশু জবাই করছেন অনেকেই । আর সেই পশুর রক্ত ও মাংস নাড়াচাড়া করে অনেকে আক্রান্ত হচ্ছেন অ্যানথ্রাক্সে। হাতে, পায়ে অথবা মুখে ছোট ছোট ফোড়া তৈরি হয়ে ক্ষতের সৃষ্টি হচ্ছে।

চিকিৎসকরা বলছেন, অসুস্থ পশুর রক্ত মাংসের স্পর্শে অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত হলেও এ রোগে মৃত্যুর আশঙ্কা নেই। তেব তৈরি হয় শারীরিক নানা জটিলতা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর