channel 24

সর্বশেষ

  • সশস্ত্র বাহিনীকে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায়...

  • সক্ষম করে তুলতে কার্যকর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী...

  • সেনাকুঞ্জের সম্প্রসারিত ও পুনর্নির্মিত ভবন উদ্বোধন

  • ইমার্জিং এশিয়া কাপ: আফগানিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়ে...

  • ফাইনালে বাংলাদেশ; শনিবার প্রতিপক্ষ পাকিস্তান...

  • আফগানিস্তান ২২৮/৯ (দারউইশ ১১৪), বাংলাদেশ ২২৯/৩ (সৌম্য ৬১)

  • অন্ধকার যুগ পেছনে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ: প্রধানমন্ত্রী

  • বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার হত্যা: প্রসিকিউশন টিমে...

  • পরিবারের পছন্দ অনুযায়ী দুজন আইনজীবী রাখা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী

  • চালের দাম বৃদ্ধির কারণ বোধগম্য নয়: কৃষিমন্ত্রী...

  • ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেলে একজনের মৃত্যু

  • খুলনাসহ বিভিন্ন জেলায় এখনও বাস চলাচল বন্ধ...

  • সড়ক আইনের কিছু বিষয় নিয়ে চিন্তা করছেন প্রধানমন্ত্রী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী...

  • যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটার কোনো কারণ নেই: ওবায়দুল কাদের

  • বিচারপতি আবু জাফর সিদ্দিকীর ছেলে জুম্মান সিদ্দিকীকে...

  • বিশেষ বিবেচনায় হাইকোর্টে সনদ দেয়ার ঘটনা চ্যালেঞ্জ করে রিট

  • অর্থপাচার: ইটিভির সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুস সালামের মামলা...

  • বাতিল করেছেন হাইকোর্ট; আপিল করবে দুদক: আইনজীবী

  • সশস্ত্র বাহিনী দিবস: শিখা অনির্বাণে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা...

  • বীরশ্রেষ্ঠসহ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা

  • বিচারপতি আবু জাফর সিদ্দিকীর ছেলে জুম্মান সিদ্দিকীকে...

  • বিশেষ বিবেচনায় হাইকোর্টে সনদ দেয়ার ঘটনা চ্যালেঞ্জ করে রিট

  • স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আশ্বাসে পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার...

  • খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এখনও বাস চলাচল বন্ধ

'দেবী' দর্শন

'দেবী' দর্শন

কেমন হলো জয়া আহসানের দেবী? তাই দেখতে গিয়ে হতবাক, এ যেন অন্য জয়া। কখনো ভৌতিক, কখনো রোমান্টিক, শুধুমাত্র চোখের খেলায় জয়া ছাড়িয়ে গেছেন অন্য সব চরিত্রকে। দেবী উপন্যাসকে রঙিন পর্দায় খুঁজতে যাইনি, দেখতে গিয়েছিলাম জয়া-অনমের 'দেবী'কে।

হতাশ করেননি কোন অভিনেতাই, তবে সিনেমার শুরুতে মিসির আলী চরিত্রে পাওয়া যায়নি চঞ্চল চৌধুরীকে। কিন্তু সময় যতই এগিয়েছে চঞ্চল চৌধুরী তার স্থিরতা দেখিয়েছেন অভিনয়ে। শেষ দিকে তার অভিনয়, মিসির আলী চরিত্রকে মনে রাখতে বাধ্য করবে দর্শকদের।

শবনম ফারিয়ার যে এটা প্রথম সিনেমা সেটা বুঝতেই দেননি তিনি। যেভাবে জয়ার পাশাপাশি হেটেছেন তাতে তাকেও মনে রাখতে হবে। জয়ার স্বামীর চরিত্রটিতে অনিমেষ আইচের এর বেশী আর কিছু করার ছিলো না। তবুও যথেষ্ট ভালো করেছে অনিমেষ আইচ।

ইরেশ জাকেরকে আরও সময় দিলে ভালো হতো। তবে যেটুকু সময় পর্দায় ইরেশ জাকের ছিলেন নিজের জাত ঠিকই চিনিয়েছেন। যারা 'দেবী' সিনেমা দেখতে যাবেন, তারা উপন্যাসটাকে আলাদা করে রাখবেন, যদিও গল্পের সাথে আপনাকে হাটতে হবে। কিন্তু উপন্যাসের পৃষ্ঠাকে সামনে আনা অনেক কঠিন।

এ সিনেমার দৃশ্যধারণ খুবই চমৎকার ছিলো। এডিটিংয়ে যত্নের ছোঁয়া রয়েছে।

তবে বিরক্ত লেগেছে মেসেঞ্জারে বার বার টুং টাং শব্দ, শবনম-ইরেশের প্রেম হওয়ার সে দৃশ্য হয়তো সময়ের প্রয়োজনে করা। কিন্তু অন্যভাবে করলেও পারতেন পরিচালক। হাতিরঝিল যখন দেখালেন  তখন নীলুদের গাড়ীটা আর একটু নতুন হলে সমস্যা ছিলো না।

সবশেষ, এই সিনেমার মুল সাবজেক্ট মিসির আলী না দেবী তা নিয়ে আপনি দ্বিধান্বিত হয়ে যাবেন। হুমায়ুন আহমেদের দেবীতে মিসির আলী রহস্য উন্মোচনে এগিয়ে থাকলেও সিনেমায় সেটি মিলবে না। এখানে সবকিছু ছাপিয়ে জয়ার উপস্থিতি। কাজেই আপনি কনফিউজড হবেন এটি ভৌতিক সিনেমা না রহস্য।

তবে সবছাপিয়ে দেবীর মত সিনেমা আরও হোক এদেশের চলচ্চিত্রে। যদিও এটি সরকারি অনুদানের ছবি তারপরেও এমন সিনেমা হলে ফেরাবে দর্শকদের। বাংলা সিনেমাও যাবে আরও উঁচুতে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ