channel 24

সর্বশেষ

  • যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুর রেকর্ড, একদিনে ৭৭০ জনের মৃত্যু

  • ভোলায় চুরির অপবাদে স্থানীয় সাংবাদিককে নির্যাতন

  • ক্ষতি সামাল দিতে রোনালদোকে বিক্রি করে দিতে পারে য়্যুভেন্তাস

  • ১৮ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন জ্বালানি তেলের দাম

  • ৫৫০ নন প্লেইং কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন কাটছে টটেনহাম

  • অনিশ্চয়তায় অস্ট্রেলিয়া দলের বাংলাদেশ সফর

  • সামাজিক দূরত্ব মেনে হাটহাজারীর ইউএনও'র ত্রাণ বিতরণ

  • ত্রাণ বিতরণে সরকারের পাশাপাশি এগিয়ে এসেছে বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান

  • যুক্তরাষ্ট্রে এ পর্যন্ত ৩০ বাংলাদেশির মৃত্যু, স্পেনে একদিনে সর্বোচ্চ প্রাণহানি

  • নিম্নআয়ের মানুষ থেকে বাড়ি ভাড়া না নেয়ার অনুরোধ মেয়র আতিকের

  • কারণে-অকারণে বেরুচ্ছে মানুষ

  • চলমান ছুটি ৯ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়লো

  • দেশের বিভিন্ন স্থানে কর্মহীন হয়ে পড়া শ্রমজীবীদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

  • চট্টগ্রামের পাড়া-মহল্লায় আড্ডায় মেতে উঠছে লোকজন

  • অসহায়দের পাশে দাঁড়িয়েছে 'গোপালগঞ্জের ফেরিওয়ালা' নামের ফেসবুক গ্রুপ

'দেবী' দর্শন

'দেবী' দর্শন

কেমন হলো জয়া আহসানের দেবী? তাই দেখতে গিয়ে হতবাক, এ যেন অন্য জয়া। কখনো ভৌতিক, কখনো রোমান্টিক, শুধুমাত্র চোখের খেলায় জয়া ছাড়িয়ে গেছেন অন্য সব চরিত্রকে। দেবী উপন্যাসকে রঙিন পর্দায় খুঁজতে যাইনি, দেখতে গিয়েছিলাম জয়া-অনমের 'দেবী'কে।

হতাশ করেননি কোন অভিনেতাই, তবে সিনেমার শুরুতে মিসির আলী চরিত্রে পাওয়া যায়নি চঞ্চল চৌধুরীকে। কিন্তু সময় যতই এগিয়েছে চঞ্চল চৌধুরী তার স্থিরতা দেখিয়েছেন অভিনয়ে। শেষ দিকে তার অভিনয়, মিসির আলী চরিত্রকে মনে রাখতে বাধ্য করবে দর্শকদের।

শবনম ফারিয়ার যে এটা প্রথম সিনেমা সেটা বুঝতেই দেননি তিনি। যেভাবে জয়ার পাশাপাশি হেটেছেন তাতে তাকেও মনে রাখতে হবে। জয়ার স্বামীর চরিত্রটিতে অনিমেষ আইচের এর বেশী আর কিছু করার ছিলো না। তবুও যথেষ্ট ভালো করেছে অনিমেষ আইচ।

ইরেশ জাকেরকে আরও সময় দিলে ভালো হতো। তবে যেটুকু সময় পর্দায় ইরেশ জাকের ছিলেন নিজের জাত ঠিকই চিনিয়েছেন। যারা 'দেবী' সিনেমা দেখতে যাবেন, তারা উপন্যাসটাকে আলাদা করে রাখবেন, যদিও গল্পের সাথে আপনাকে হাটতে হবে। কিন্তু উপন্যাসের পৃষ্ঠাকে সামনে আনা অনেক কঠিন।

এ সিনেমার দৃশ্যধারণ খুবই চমৎকার ছিলো। এডিটিংয়ে যত্নের ছোঁয়া রয়েছে।

তবে বিরক্ত লেগেছে মেসেঞ্জারে বার বার টুং টাং শব্দ, শবনম-ইরেশের প্রেম হওয়ার সে দৃশ্য হয়তো সময়ের প্রয়োজনে করা। কিন্তু অন্যভাবে করলেও পারতেন পরিচালক। হাতিরঝিল যখন দেখালেন  তখন নীলুদের গাড়ীটা আর একটু নতুন হলে সমস্যা ছিলো না।

সবশেষ, এই সিনেমার মুল সাবজেক্ট মিসির আলী না দেবী তা নিয়ে আপনি দ্বিধান্বিত হয়ে যাবেন। হুমায়ুন আহমেদের দেবীতে মিসির আলী রহস্য উন্মোচনে এগিয়ে থাকলেও সিনেমায় সেটি মিলবে না। এখানে সবকিছু ছাপিয়ে জয়ার উপস্থিতি। কাজেই আপনি কনফিউজড হবেন এটি ভৌতিক সিনেমা না রহস্য।

তবে সবছাপিয়ে দেবীর মত সিনেমা আরও হোক এদেশের চলচ্চিত্রে। যদিও এটি সরকারি অনুদানের ছবি তারপরেও এমন সিনেমা হলে ফেরাবে দর্শকদের। বাংলা সিনেমাও যাবে আরও উঁচুতে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ