channel 24

সর্বশেষ

  • ভোলায় মুয়াজ্জিনকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন, আটক ১

  • পল্লবী থানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি

  • প্রত্যক্ষদর্শীদের লোমহর্ষক বর্ণনায় সিনহা হত্যা

  • দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা: প্রধান বিচারপতি

  • করোনাকালে স্বাস্থ্যখাতের নাজুক পরিস্থিতিই নয়, দুর্নীতিও প্রকাশ্যে

  • বাংলাদেশের বিজয় মানে, ভারতের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • লাইসেন্স নবায়ন না করলে ২৩ আগস্টের পর বেসরকারি হাসপাতাল বন্ধ

  • ময়মনসিংহে বাস চাপায় সিএনজি অটোরিকশার ৭ যাত্রীর মৃত্যু

  • বরগুনায় সিফাতের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন, পুলিশের লাঠিচার্জ

  • সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জেই বেড়েছে লেনদেন ও সূচক

  • সরকার ঘোষিত প্রণোদনার অর্থ বিতরণে অনিয়ম: সানেম

  • মাশরাফীর পরিবারের চার সদস্য করোনায় আক্রান্ত

  • ২০২১ টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হবে ভারতে

  • সোমবার আবারো সব ফুটবলারদের করোনা পরীক্ষা

  • ওসি প্রদীপের কুকর্ম নিয়ে একে একে মুখ খুলছেন অনেকে

'দেবী' দর্শন

'দেবী' দর্শন

কেমন হলো জয়া আহসানের দেবী? তাই দেখতে গিয়ে হতবাক, এ যেন অন্য জয়া। কখনো ভৌতিক, কখনো রোমান্টিক, শুধুমাত্র চোখের খেলায় জয়া ছাড়িয়ে গেছেন অন্য সব চরিত্রকে। দেবী উপন্যাসকে রঙিন পর্দায় খুঁজতে যাইনি, দেখতে গিয়েছিলাম জয়া-অনমের 'দেবী'কে।

হতাশ করেননি কোন অভিনেতাই, তবে সিনেমার শুরুতে মিসির আলী চরিত্রে পাওয়া যায়নি চঞ্চল চৌধুরীকে। কিন্তু সময় যতই এগিয়েছে চঞ্চল চৌধুরী তার স্থিরতা দেখিয়েছেন অভিনয়ে। শেষ দিকে তার অভিনয়, মিসির আলী চরিত্রকে মনে রাখতে বাধ্য করবে দর্শকদের।

শবনম ফারিয়ার যে এটা প্রথম সিনেমা সেটা বুঝতেই দেননি তিনি। যেভাবে জয়ার পাশাপাশি হেটেছেন তাতে তাকেও মনে রাখতে হবে। জয়ার স্বামীর চরিত্রটিতে অনিমেষ আইচের এর বেশী আর কিছু করার ছিলো না। তবুও যথেষ্ট ভালো করেছে অনিমেষ আইচ।

ইরেশ জাকেরকে আরও সময় দিলে ভালো হতো। তবে যেটুকু সময় পর্দায় ইরেশ জাকের ছিলেন নিজের জাত ঠিকই চিনিয়েছেন। যারা 'দেবী' সিনেমা দেখতে যাবেন, তারা উপন্যাসটাকে আলাদা করে রাখবেন, যদিও গল্পের সাথে আপনাকে হাটতে হবে। কিন্তু উপন্যাসের পৃষ্ঠাকে সামনে আনা অনেক কঠিন।

এ সিনেমার দৃশ্যধারণ খুবই চমৎকার ছিলো। এডিটিংয়ে যত্নের ছোঁয়া রয়েছে।

তবে বিরক্ত লেগেছে মেসেঞ্জারে বার বার টুং টাং শব্দ, শবনম-ইরেশের প্রেম হওয়ার সে দৃশ্য হয়তো সময়ের প্রয়োজনে করা। কিন্তু অন্যভাবে করলেও পারতেন পরিচালক। হাতিরঝিল যখন দেখালেন  তখন নীলুদের গাড়ীটা আর একটু নতুন হলে সমস্যা ছিলো না।

সবশেষ, এই সিনেমার মুল সাবজেক্ট মিসির আলী না দেবী তা নিয়ে আপনি দ্বিধান্বিত হয়ে যাবেন। হুমায়ুন আহমেদের দেবীতে মিসির আলী রহস্য উন্মোচনে এগিয়ে থাকলেও সিনেমায় সেটি মিলবে না। এখানে সবকিছু ছাপিয়ে জয়ার উপস্থিতি। কাজেই আপনি কনফিউজড হবেন এটি ভৌতিক সিনেমা না রহস্য।

তবে সবছাপিয়ে দেবীর মত সিনেমা আরও হোক এদেশের চলচ্চিত্রে। যদিও এটি সরকারি অনুদানের ছবি তারপরেও এমন সিনেমা হলে ফেরাবে দর্শকদের। বাংলা সিনেমাও যাবে আরও উঁচুতে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ