channel 24

সর্বশেষ

  • বগুড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জনের মৃত্যু

  • কাল বিকেএসপিতে বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচ

  • রবি ঠাকুরের নায়িকা হতে চান শাওন

  • বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ভেন্যু থাকছে টঙ্গি স্টেডিয়াম

  • বছরে ১০টি ভারতীয় ছবি প্রদর্শিত হবে দেশের প্রেক্ষাগৃহে

  • দেশের দ্রুততম মানব-মানবী ইসমাইল ও শিরিন

  • বাড়ির উঠান থেকে শিশু অপহরণ, ৩ দিন পর মিললো লাশ

  • ৬০ পৌরসভার ভোট ঘিরে উত্তাপ, কেন্দ্রে কেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদার

  • ভারতের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ব্যর্থ অস্ট্রেলিয়া

  • দিনাজপুরে ধানের দাম কমলেও প্রভাব নেই চালের বাজারে

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়লো ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত

  • হোয়াইট হাউসের শীর্ষ পদে বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত জায়ান সিদ্দিক

  • প্রতিবন্ধী হওয়ায় মাস্টার্স পাশ করেও চাকরি পাননি আকলিমা

  • বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বার্ষিক মহড়া 'সেফগার্ড' অনুষ্ঠিত

  • ট্রাম্পের অভিশংসনে ভোট দেয়ায় রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যানদের হত্যার হুমকি

'দেবী' দর্শন

'দেবী' দর্শন

কেমন হলো জয়া আহসানের দেবী? তাই দেখতে গিয়ে হতবাক, এ যেন অন্য জয়া। কখনো ভৌতিক, কখনো রোমান্টিক, শুধুমাত্র চোখের খেলায় জয়া ছাড়িয়ে গেছেন অন্য সব চরিত্রকে। দেবী উপন্যাসকে রঙিন পর্দায় খুঁজতে যাইনি, দেখতে গিয়েছিলাম জয়া-অনমের 'দেবী'কে।

হতাশ করেননি কোন অভিনেতাই, তবে সিনেমার শুরুতে মিসির আলী চরিত্রে পাওয়া যায়নি চঞ্চল চৌধুরীকে। কিন্তু সময় যতই এগিয়েছে চঞ্চল চৌধুরী তার স্থিরতা দেখিয়েছেন অভিনয়ে। শেষ দিকে তার অভিনয়, মিসির আলী চরিত্রকে মনে রাখতে বাধ্য করবে দর্শকদের।

শবনম ফারিয়ার যে এটা প্রথম সিনেমা সেটা বুঝতেই দেননি তিনি। যেভাবে জয়ার পাশাপাশি হেটেছেন তাতে তাকেও মনে রাখতে হবে। জয়ার স্বামীর চরিত্রটিতে অনিমেষ আইচের এর বেশী আর কিছু করার ছিলো না। তবুও যথেষ্ট ভালো করেছে অনিমেষ আইচ।

ইরেশ জাকেরকে আরও সময় দিলে ভালো হতো। তবে যেটুকু সময় পর্দায় ইরেশ জাকের ছিলেন নিজের জাত ঠিকই চিনিয়েছেন। যারা 'দেবী' সিনেমা দেখতে যাবেন, তারা উপন্যাসটাকে আলাদা করে রাখবেন, যদিও গল্পের সাথে আপনাকে হাটতে হবে। কিন্তু উপন্যাসের পৃষ্ঠাকে সামনে আনা অনেক কঠিন।

এ সিনেমার দৃশ্যধারণ খুবই চমৎকার ছিলো। এডিটিংয়ে যত্নের ছোঁয়া রয়েছে।

তবে বিরক্ত লেগেছে মেসেঞ্জারে বার বার টুং টাং শব্দ, শবনম-ইরেশের প্রেম হওয়ার সে দৃশ্য হয়তো সময়ের প্রয়োজনে করা। কিন্তু অন্যভাবে করলেও পারতেন পরিচালক। হাতিরঝিল যখন দেখালেন  তখন নীলুদের গাড়ীটা আর একটু নতুন হলে সমস্যা ছিলো না।

সবশেষ, এই সিনেমার মুল সাবজেক্ট মিসির আলী না দেবী তা নিয়ে আপনি দ্বিধান্বিত হয়ে যাবেন। হুমায়ুন আহমেদের দেবীতে মিসির আলী রহস্য উন্মোচনে এগিয়ে থাকলেও সিনেমায় সেটি মিলবে না। এখানে সবকিছু ছাপিয়ে জয়ার উপস্থিতি। কাজেই আপনি কনফিউজড হবেন এটি ভৌতিক সিনেমা না রহস্য।

তবে সবছাপিয়ে দেবীর মত সিনেমা আরও হোক এদেশের চলচ্চিত্রে। যদিও এটি সরকারি অনুদানের ছবি তারপরেও এমন সিনেমা হলে ফেরাবে দর্শকদের। বাংলা সিনেমাও যাবে আরও উঁচুতে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ