channel 24

সর্বশেষ

  • এসএম ফরহাদ স্কলারশিপ-২০২০ পেলেন দুই শিক্ষার্থী

  • দেশের অর্থনীতি অনেক এগুলেও আত্মতৃপ্তির সুযোগ নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • না ফেরার দেশে চলে গেলেন জেমস বন্ড তারকা স্যার শন কনরি

  • মহানবীর (সা) অবমাননা: কলকাতায় ফ্রান্স দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ

  • ঢাকা-১৮ আসনের উপনির্বাচনের প্রচারণায় আ.লীগ-বিএনপি

  • টাঙ্গাইলে স্ত্রীকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগে স্বামী আটক

  • পুঁজিবাজারে মিউনিসিপল বন্ডের অনুমোদন

  • ইতালিতে বাংলাদেশি কনস্যুলেটের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের পাসপোর্ট আটকে রাখার অভিযোগ

  • মিনিয়েচার খেলনা খাতে বাড়ছে বিদেশি বিনিয়োগ, রপ্তানি হচ্ছে ইউরোপ-আমেরিকায়

  • খাগড়াছড়িতে প্রবারণা পূর্ণিমা উৎসব অনুষ্ঠিত

  • বসুন্ধরা কিংসে যোগ দিচ্ছেন আর্জেন্টাইন রাউল বেসেরা

  • হতাশার মাঝে প্রাপ্তি খুঁজছেন যুব বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক আকবর আলী

  • বঙ্গবন্ধু টি টোয়েন্টিতে ফিটনেসের কঠিন পরীক্ষা দিতে হবে ক্রিকেটারদের

  • কাপ্তাই হ্রদে মাছের অভয়াশ্রম করতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রী

  • সাংবাদিকতায় আইন না থাকায় অপসাংবাদিকতা বেড়েছে: প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান

'দেবী' দর্শন

'দেবী' দর্শন

কেমন হলো জয়া আহসানের দেবী? তাই দেখতে গিয়ে হতবাক, এ যেন অন্য জয়া। কখনো ভৌতিক, কখনো রোমান্টিক, শুধুমাত্র চোখের খেলায় জয়া ছাড়িয়ে গেছেন অন্য সব চরিত্রকে। দেবী উপন্যাসকে রঙিন পর্দায় খুঁজতে যাইনি, দেখতে গিয়েছিলাম জয়া-অনমের 'দেবী'কে।

হতাশ করেননি কোন অভিনেতাই, তবে সিনেমার শুরুতে মিসির আলী চরিত্রে পাওয়া যায়নি চঞ্চল চৌধুরীকে। কিন্তু সময় যতই এগিয়েছে চঞ্চল চৌধুরী তার স্থিরতা দেখিয়েছেন অভিনয়ে। শেষ দিকে তার অভিনয়, মিসির আলী চরিত্রকে মনে রাখতে বাধ্য করবে দর্শকদের।

শবনম ফারিয়ার যে এটা প্রথম সিনেমা সেটা বুঝতেই দেননি তিনি। যেভাবে জয়ার পাশাপাশি হেটেছেন তাতে তাকেও মনে রাখতে হবে। জয়ার স্বামীর চরিত্রটিতে অনিমেষ আইচের এর বেশী আর কিছু করার ছিলো না। তবুও যথেষ্ট ভালো করেছে অনিমেষ আইচ।

ইরেশ জাকেরকে আরও সময় দিলে ভালো হতো। তবে যেটুকু সময় পর্দায় ইরেশ জাকের ছিলেন নিজের জাত ঠিকই চিনিয়েছেন। যারা 'দেবী' সিনেমা দেখতে যাবেন, তারা উপন্যাসটাকে আলাদা করে রাখবেন, যদিও গল্পের সাথে আপনাকে হাটতে হবে। কিন্তু উপন্যাসের পৃষ্ঠাকে সামনে আনা অনেক কঠিন।

এ সিনেমার দৃশ্যধারণ খুবই চমৎকার ছিলো। এডিটিংয়ে যত্নের ছোঁয়া রয়েছে।

তবে বিরক্ত লেগেছে মেসেঞ্জারে বার বার টুং টাং শব্দ, শবনম-ইরেশের প্রেম হওয়ার সে দৃশ্য হয়তো সময়ের প্রয়োজনে করা। কিন্তু অন্যভাবে করলেও পারতেন পরিচালক। হাতিরঝিল যখন দেখালেন  তখন নীলুদের গাড়ীটা আর একটু নতুন হলে সমস্যা ছিলো না।

সবশেষ, এই সিনেমার মুল সাবজেক্ট মিসির আলী না দেবী তা নিয়ে আপনি দ্বিধান্বিত হয়ে যাবেন। হুমায়ুন আহমেদের দেবীতে মিসির আলী রহস্য উন্মোচনে এগিয়ে থাকলেও সিনেমায় সেটি মিলবে না। এখানে সবকিছু ছাপিয়ে জয়ার উপস্থিতি। কাজেই আপনি কনফিউজড হবেন এটি ভৌতিক সিনেমা না রহস্য।

তবে সবছাপিয়ে দেবীর মত সিনেমা আরও হোক এদেশের চলচ্চিত্রে। যদিও এটি সরকারি অনুদানের ছবি তারপরেও এমন সিনেমা হলে ফেরাবে দর্শকদের। বাংলা সিনেমাও যাবে আরও উঁচুতে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ