channel 24

সর্বশেষ

  • বাঙালির মুক্তির সনদ ৬-দফা

  • করোনার প্রভাবে বন্ধ খুলনা থেকে মোংলা বন্দর পর্যন্ত রেললাইনের কাজ; বাড়ছে মেয়াদ ও খরচ

  • সংকটে ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্প, বিপাকে ব্যবসায়ীরা

  • বাজেটে ঘাটতি জিডিপির পাঁচ শতাংশ ছাড়িয়ে যাওয়ার আভাস

  • যুক্তরাষ্ট্রে বর্ণবাদবিরোধী বিক্ষোভের ১২তম দিনে লাখো মানুষের ঢল

  • সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন

  • গণপরিবহনে জীবাণুনাশকের বদলে সাবান-পানির স্প্রে

  • করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি থাকায় শিগগিরই চালু হচ্ছে না পাসপোর্টের বায়ো এনরোলমেন্ট

  • চট্টগ্রামে সরকারি হিসাব ও দাফন-সৎকারে গড়মিল

  • ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্ত

  • মন্ত্রী বীর বাহাদুর করোনায় আক্রান্ত

  • ঠাকুরগাঁওয়ে বাসের ধাক্কায় শ্রমিক ইউনিয়নের দপ্তর সম্পাদকের মৃত্যু

  • বিশ্বে করোনায় প্রাণহানি চার লাখ ছুঁই ছুঁই

  • ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস আজ

  • রাজধানীতে জোনভিত্তিক লকডাউন শুরু আজ

'দেবী' দর্শন

'দেবী' দর্শন

কেমন হলো জয়া আহসানের দেবী? তাই দেখতে গিয়ে হতবাক, এ যেন অন্য জয়া। কখনো ভৌতিক, কখনো রোমান্টিক, শুধুমাত্র চোখের খেলায় জয়া ছাড়িয়ে গেছেন অন্য সব চরিত্রকে। দেবী উপন্যাসকে রঙিন পর্দায় খুঁজতে যাইনি, দেখতে গিয়েছিলাম জয়া-অনমের 'দেবী'কে।

হতাশ করেননি কোন অভিনেতাই, তবে সিনেমার শুরুতে মিসির আলী চরিত্রে পাওয়া যায়নি চঞ্চল চৌধুরীকে। কিন্তু সময় যতই এগিয়েছে চঞ্চল চৌধুরী তার স্থিরতা দেখিয়েছেন অভিনয়ে। শেষ দিকে তার অভিনয়, মিসির আলী চরিত্রকে মনে রাখতে বাধ্য করবে দর্শকদের।

শবনম ফারিয়ার যে এটা প্রথম সিনেমা সেটা বুঝতেই দেননি তিনি। যেভাবে জয়ার পাশাপাশি হেটেছেন তাতে তাকেও মনে রাখতে হবে। জয়ার স্বামীর চরিত্রটিতে অনিমেষ আইচের এর বেশী আর কিছু করার ছিলো না। তবুও যথেষ্ট ভালো করেছে অনিমেষ আইচ।

ইরেশ জাকেরকে আরও সময় দিলে ভালো হতো। তবে যেটুকু সময় পর্দায় ইরেশ জাকের ছিলেন নিজের জাত ঠিকই চিনিয়েছেন। যারা 'দেবী' সিনেমা দেখতে যাবেন, তারা উপন্যাসটাকে আলাদা করে রাখবেন, যদিও গল্পের সাথে আপনাকে হাটতে হবে। কিন্তু উপন্যাসের পৃষ্ঠাকে সামনে আনা অনেক কঠিন।

এ সিনেমার দৃশ্যধারণ খুবই চমৎকার ছিলো। এডিটিংয়ে যত্নের ছোঁয়া রয়েছে।

তবে বিরক্ত লেগেছে মেসেঞ্জারে বার বার টুং টাং শব্দ, শবনম-ইরেশের প্রেম হওয়ার সে দৃশ্য হয়তো সময়ের প্রয়োজনে করা। কিন্তু অন্যভাবে করলেও পারতেন পরিচালক। হাতিরঝিল যখন দেখালেন  তখন নীলুদের গাড়ীটা আর একটু নতুন হলে সমস্যা ছিলো না।

সবশেষ, এই সিনেমার মুল সাবজেক্ট মিসির আলী না দেবী তা নিয়ে আপনি দ্বিধান্বিত হয়ে যাবেন। হুমায়ুন আহমেদের দেবীতে মিসির আলী রহস্য উন্মোচনে এগিয়ে থাকলেও সিনেমায় সেটি মিলবে না। এখানে সবকিছু ছাপিয়ে জয়ার উপস্থিতি। কাজেই আপনি কনফিউজড হবেন এটি ভৌতিক সিনেমা না রহস্য।

তবে সবছাপিয়ে দেবীর মত সিনেমা আরও হোক এদেশের চলচ্চিত্রে। যদিও এটি সরকারি অনুদানের ছবি তারপরেও এমন সিনেমা হলে ফেরাবে দর্শকদের। বাংলা সিনেমাও যাবে আরও উঁচুতে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ