channel 24

সর্বশেষ

  • শরীরচর্চা ছাড়াই ওজন কমানোর ৭টি উপায়

  • শামীমের কথা ও সুরে বাবুর ‘দুঃখের ফেরিওয়ালা’

  • আইসিইউতে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের হাসান আরিফ

  • শুটিংয়ে আহত প্রিয়াঙ্কা

  • ফরিদপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীকে নি র্যা ত নের অভিযোগ

  • রোববার শাহবাগে শিক্ষার্থীদের প্রতীকী লা শে র মিছিল

  • ইনস্টগ্রাম অ্যাকাউন্ট যেভাবে ভেরিফাইড করবেন

  • একুশে পদকপ্রাপ্ত ভাষা সৈনিক গোলাম হাসনায়েন আর নেই

  • চাকরি দিচ্ছে ঢাকা ব্যাংক

  • মিরপুর টেস্টের প্রথম দিন তাইজুল ও বাবরের

  • রোববার থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে টিসিবির পণ্য

  • শেখ রবিউল হকের জন্মবার্ষিকীতে চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন

  • রাশিয়ায় করোনায় এক মাসে ৭৫ মানুষের মৃত্যু

  • চাকরির বাজারে বিশ্ববিদ্যালয় সনদ পর্যাপ্ত নয়: সিপিডি

  • মেধার পাশাপাশি শারীরিকভাবে যোগ্যদের বাছাই করছি: আইজিপি

বীজের অভাবে চরম বিপাকে রাঙামাটির মাশরুম চাষীরা

বীজের অভাবে চরম বিপাকে রাঙামাটির মাশরুম চাষীরা

মাশরুম চাষের অন্যতম উপকরণ স্পঞ্জ। যার অভাবে এখন চরম বিপাকে রাঙামাটির চাষীরা। আগে সরকারিভাবে এটি তৈরি করা হলেও এখন হচ্ছে না। ফলে বাইরে থেকে স্পঞ্জ ক্রয় করতে হচ্ছে চাষীদের। এতে আর্থিক লোকসানের শঙ্কা করছেন অনেকেই। 

দেশে দিন দিন বাড়ছে মাশরুমের চাহিদা। তাই উৎপাদন বাড়াতে ২০০৯ সালে রাঙামাটির আসাম বস্তি এলাকায় গড়ে তোলা হয় সরকারি মাশরুম উপকেন্দ্র। যা থেকে স্পঞ্জ বা বীজ উৎপাদনের পর সরবরাহ করা হতো তিন পার্বত্য জেলার চাষীদের। 

একটি প্রকল্পের আওতায় এই উপকেন্দ্রেই বীজ উৎপাদন করা হতো। কিন্তু প্রকল্পটি বন্ধ হওয়ার পর কমে গেছে বীজ উৎপাদন। আগে যেখানে প্রতিদিন ১ থেকে দেড় হাজার বীজ উৎপাদন করা হত এখন তা নেমেছে দুই থেকে আড়াইশোর মধ্যে। ফলে বিপাকে পড়েছে চাষীরা। 

মাশরুম চাষী বলেন, আমরা এটা মিক্সড করি। তারপর প্যাকেট করি। একটি প্যাকেট হয় আধা কেজির। একদিন রাতে থাকবে এরপরদিন ঠাণ্ডার মধ্যে আমরা বীজ দিব। বীজ দেয়ার পর রেখে দেবো। ২২ থেকে ২৮ দিনের মধ্যে বিক্রির উপযোগী হয়। 

আরেকজন চাষী বলেন, আমরা সময়মতো পর্যাপ্ত বীজ পাচ্ছি না। তাই উৎপাদনও করতে পারছি না, প্রোডাকশনও দিতে পারছি না। আমরা এখন বেকার বসে আছি। যদি এখানে উৎপাদন কেন্দ্র চালু থাকত তাহলে আমরা আরও বেশি উৎপাদনে আগ্রহ হতাম। উদ্যোক্তারা আগ্রহী হত।

উপকেন্দ্র কমে যাওয়ায় এখন ঢাকা থেকে বিভিন্ন স্থান থেকে বীজ সংগ্রহ করে চাষ টিকিয়ে রেখেছে চাষীরা। 

সংকটের কথা স্বীকার করে কেন্দ্রটি পুনরায় চালুর চিন্তাভাবনার কথা ভাবছেন সংশ্লিষ্টরা। 

রাঙ্গামাটি মাশরুম উপকেন্দ্রের উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. কামাল উদ্দীন বলেন, আমাদের যে সরকারি সেন্টার এটি রিবল্বিং ঋণের মাধ্যমে চলছে। আমরা চাষীদের যে চাহিদা তা পূরণ করতে ব্যর্থ হচ্ছি।

রাঙ্গামাটি মাশরুম উপকেন্দ্রের উপ সহকারী উদ্যান কর্মকর্তা মো. সাইফুল উদ্দীন বলেন, এটি এমন একটি বিষয় যদি এ প্রকল্পটি চালু হয় তাহলে আমাদের যে সংকট আছে সে সংকটটা দূর হবে। 

কয়েক বছর আগেও রাঙামাটিতে মাশরুম চাষীর সংখ্যা প্রায় তিন হাজার থাকলেও চাষের সুবিধা কমে যাওয়ায় এখন তা নেমেছে শ’ খানিকে। 

এএ

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর