channel 24

সর্বশেষ

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় লাইসেন্সবিহীন অটো রিকশার দাপট (ভিডিও)

  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষার রুটিন বাতিলের দাবি

  • গোমস্তাপুরে পুলিশ পরিচয়ে ১৫ গরু ডাকাতি

  • শেষ হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের দিন

  • ১৯৫৪ বিশ্বকাপজয়ী দলের শেষ সদস্যের মৃত্যু

  • জোর করে আফগান নারীকে বিয়ে করা যাবে না: তালে বান

  • নাটোরের অপহৃত স্কুলছাত্রী উদ্ধার, যুবক আটক

  • আলো স্বল্পতায় বন্ধ তৃতীয় সেশনের খেলা

  • স্বাধীনতা বিরোধী চক্র এখনো তৎপর: কৃষিমন্ত্রী

  • শিক্ষকের মৃত্যু: কুয়েট ছাত্রলীগের সম্পাদকসহ ৯ ছাত্র বহিষ্কার

  • ইহুদিদের ভুল শোধরাতে হিব্রু ভাষায় কোরআন

  • রাজধানীতে আজ আকাশ মেঘলা থাকলেও বৃষ্টি হতে পারে কাল

  • লাল কার্ড নিয়ে রাস্তায় শিক্ষার্থীরা

  • ভিডিও ভাইরাল: চেয়ারম্যান আব্দুল কাদেরকে বহিষ্কার দাবি

  • টেস্টের এক ইনিংসে ১০ উইকেট তুলে নিয়ে এজাজ প্যাটেলের রেকর্ড

খাগড়াছড়িতে মাঠ পর্যায়ে আলোর মুখ দেখছে বিনা ধান-১

খাগড়াছড়িতে মাঠ পর্যায়ে আলোর মুখ দেখছে বিনা ধান-১

খাগড়াছড়িতে মাঠ পর্যায়ে আলোর মুখ দেখছে আগাম প্রজাতির বিনা ধান-১। দ্রুত ফসল পরিপক্ক হওয়ার পাশাপাশি এর ফলনও হচ্ছে বেশ ভালো। এতে খুশি চাষীরা। আগামীতে অন্য এলাকায় চাষ বাড়ানোর কথা ভাবছেন কৃষি কর্মকর্তারা। 

খাগড়াছড়ির অন্য আমন ক্ষেত যখন সবুজে ঘেরা, তখন সোনালী আভা ছড়াচ্ছে নতুন প্রজাতির বিনা ধান ১৬। এরইমধ্যে পরিপক্ক হওয়ায় কোথাও কোথাও কাটা হচ্ছে ফসল।

আরও পড়ুন: মেহেরপুরে ২১ বছরেও সংস্কার হয়নি আশ্রয়ণ প্রকল্প (ভিডিও)

বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট-বিনা উদ্ভাবিত আগাম প্রজাতির এ ধান অন্য যে কোন আমন প্রজাতির ধানের আগেই পরিপক্ক হয়। ফলনও হয় কয়েকগুণ বেশি। চাষ করা যায় বৈরী আবহাওয়ায়। তাই এই ধান চাষে আগ্রহ বাড়ছে চাষীদের।

এ ধানটি নতুন এসেছে। এই ধানটা আমরা আর কোথাও দেখি না। আমার ফসলের জমি দেখে অনেক কৃষক আগ্রহ হয়ে বিচি চেয়েছিল। আমি বলেছি বীজটা আমি সংগ্রহ করে রাখবো। বলেছি, আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের যদি ইচ্ছা থাকে তাহলে করতে পারবেন। 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে মাঠপর্যায়ে পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি চলছে বীজ সংরক্ষণের কাজ।

খাগড়াছড়ির বিনা উপকেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. গোলাম মোস্তফা বলেন, ১০৩ দিনের মধ্যে এই ধানটি কাটার জন্য প্রস্তুত হয়ে গেছে, আমরা কর্তন করতেছি। কর্তন করার পর মাড়াই করবো। পরে এটা বীজ হিসেবে সংরক্ষণ করা হবে।

জেলার পানছড়ি, মহালছড়ি, মানিকছড়ি ও দীঘিনালায় বিনা ধান ১৬ এর চাষ করেছেন ৮০ জন কৃষক। আগামীতে অন্য উপজেলায়ও চাষ সম্প্রসারণের কথা ভাবছেন কর্মকর্তারা।

খাগড়াছড়ির বিনা উপকেন্দ্রের উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এ বি এম শফিউল আলম বলেন, যেহেতু ১শ’ থেকে ১০৫ দিনে এর ফলন পেয়ে যাই সুতরাং আমরা শীতকালীন যে কোনও সবজি এবং রবি ফসলের জন্য এটি খুবই উপযোগী। 

খাগড়াছড়িতে এবার ৩০ হেক্টর জমিতে এই ধানের চাষ হয়েছে। হেক্টর প্রতি যার লক্ষ্যমাত্রা ৫ থেকে সাড়ে ৫ টন। অথচ অন্য ধানে ফলন হয় হেক্টর প্রতি আড়াই থেকে ৩ টন।

এএ

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর